"বার্মায় ব্রিটিশ শাসন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
কর্মদক্ষতা বাড়ার সাথে সাথে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত অর্থনীতি দ্রুত কৃৃষিভিত্তিক শিল্পের আকার নেয়৷ ইরাবতী নদী উপত্যকা অঞ্চলে পরিবহনের সুবিধায় রেলপথ বসে এবং বহু জাহাজ ও নৌকা ভিড়বার জন্য নদীবন্দরটির হালনাগাদ করা হয়৷ পরিবহনের এই সমস্ত যানবাহন পরিষেবা পুরোপুরিভাবে ব্রিটিশদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতো৷ বর্মার অর্থনীতি যদিও বৃদ্ধি পাচ্ছিলো তৎসত্ত্বেও স্থানীয় সমাজের ওপর এঅ উত্তরোত্তর বৃদ্ধিপ্রাপ্ত অর্থনীতির বিশেষ কোনো প্রভাব পড়েনি৷<ref name="Encyclopædia Britannica"/>
 
বর্মার অর্থনীতি উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকলে সেখানে প্রায় সবকিছুই ব্রিটিশদের ক্ষমতায় চলে আসে এবং ব্রিটিশ খামারগুলি এবং ভারত থেকে যাওয়া অভিবাসীদেরই প্রতিপত্তি বাড়তে থাকে৷ ইঙ্গ-বর্মী এবং অভিবাসী ভারতীয়রা অধিকাংশ শিল্পক্ষেত্রগুলিতে চাকরি দখল করা শুরু করে এবং ভূমিজ বর্মীরা সবকিছু থেকে বঞ্চিত হয়৷ সৈন্যবাহিনীতেও ভূমিজদের জায়গা না দিয়ে ভারতীয় ও [[কারেন (জনগোষ্ঠী)কারেন]] সহ বর্মার অন্যান্য ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীদের স্থান রাখা হতো৷ ১৮৮৭ খ্রিস্টাব্দের শুরুর দিকে রেঙ্গুনে প্যাট্রিক ও'সুলিভান-এর পরিকল্পনায় প্রথম সুব্যবস্থাপন্ন একটি ব্রিটিশ জেনারেল হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয়৷ দেশ উন্নতি করলেও ভূমিজ বর্মীরা তার লাভ তুলতে অক্ষম ছিলো৷ (ব্রিটিশ বর্মার কল্পিত চিত্রণ করতে [[জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েলের]] "[[বর্মীজ ডেইস]]" উপন্যাসটি পড়ুন)
 
১৯৪১ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশদের কার্যালয়ে নিযুক্ত একজন প্রত্যক্ষদর্শী করনিকের বৃৃষ্টিতে বর্মী লোকেদের জীবনশৈলী এবং তাদের কঠোর শ্রম ও বৈদেশিক বিপননের সাথে খাপ খাইয়ের নেওয়ার বিবরণ নিম্নরূপ -
 
<blockquote>“Foreign landlordism and the operations of foreign moneylenders had led to increasing exportation of a considerable proportion of the country’s resources and to the progressive impoverishment of the agriculturist and of the country as a whole…. The peasant had grown factually poorer and unemployment had increased….The collapse of the Burmese social system led to a decay of the social conscience which, in the circumstances of poverty and unemployment caused a great increase in crime.”<ref>{{Cite journal |jstor = 20067745|title = The Withdrawal of the Last British Residency from Upper Burma in 1879|journal = Journal of Southeast Asian History|volume = 10|issue = 2|pages = 253–278|last1 = Chew|first1 = Ernest|year = 1969|doi = 10.1017/S0217781100004403}}</ref>
(অনুবাদ - বিদেশী ভূস্বামী নিয়োগ এবং কুসীদজীবিদের কার্যকলাপে দেশীয় উৎসগুলির ব্যপকহারে রপ্তানিকরণ চলে যা সামগ্রিকভাবে প্রগতিশীল দেশটি কৃৃষক সম্প্রদায়ের দারিদ্রতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়৷ কৃৃষকরা দরিদ্র থেকে দরিদ্রতর হতে থাকে এবং বেকারত্ব বাড়তে থাকে৷ বর্মী সমাজের তাচ্ছিল্যতায় সামাজিক নীতিগুলির অধঃপতন হয়৷ এমতাবস্থিয় দারিদ্র ও বেকারত্ব দেশের অপরাধ হার বাড়িয়ে দেয়৷)
</blockquote>
 
==তথ্যসূত্র==