"রামজী লন্ডনওয়ালে" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
বদরীর জয় কাপুর নামে একজন আইনজীবী বন্ধু আছে যে বদরীকে বুদ্ধি দেয় যে রামজীকে একটা ব্রিটিশ নাগরিককে বিয়ে করতে হবে যাতে করে পুলিশ তাকে এ দেশ থেকে তাড়িয়ে না দেয়। জয়ের নিজেরই প্রেমিকা সামিরাকে বিয়ে করার কথা বলে সে, বদরী রামজীকে এই কথা বলে যে তাকে এক ব্রিটিশ নাগরিককে বিয়ে করতে হবে যাতে পুলিশ কিছু করতে না পারে, তাছাড়া বদরী তার রেস্তোরাঁয় বহু অবৈধ ভারতীয় নাগরিককে কাজ দিয়েছে যার কারণে পুলিশ তার রেস্তোরাঁর ব্যবসা বন্ধ করে দিতে পারে। রামজী সামিরাকে বিয়ে করতে রাজী হয়ে যায়, এবং তারা একটি চার্চে বিয়ে করে।
 
পুলিশের সন্দেহ হয় যে এই বিয়েটা ভুয়া। ভারতীয় দূতাবাস রামজী এবং সামিরাকে ডাক দেয়। এই সময়ের মধ্যে রামজী জয় সম্বন্ধে জানতে পারে যে তার আগে একটি পত্নী ছিলো। জয়ের প্রাক্তন পত্নী রামজীকে বলে যে জয় প্রতারক, জয় তাকে ধোঁকা দিয়ে ত্যাগ করেছে, তাদের একটি ছেলেও হয়েছে, সে জানায় সে জয়কে শাস্তি দেবে। রামজী এইসব কথা সামিরাকে বললে সামিরাও জয়ের প্রাক্তন পত্নীর সঙ্গে কথা বলে। পুলিশ যাতে সামিরা এবং রামজীর বিয়েকে ধোঁকা মনে না করে সেইজন্যে সামিরা এবং রামজী একই সঙ্গে থাকা শুরু করে দেয়। সামিরা রামজীর গ্রাম্য আচরণ পছন্দ করেনা। রামজীর ভালো রান্না সামিরার পছন্দ হয়ে যায় এবং সে রামজীকে পছন্দ করা শুরু করে। ধীরে ধীরে সামিরা বুঝতে পারে যে জয় তাকে ভালোবাসেনা আসলে।
 
রামজী তার বোনের যৌতুকের টাকা ভারতে পাঠাতে পারেনা, তার বোনকে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন বের করে দেয়। রামজীর বোন রামজীকে টেলিফোনে পাওয়ার চেষ্টা করে, সামিরা ফোন ধরে এবং সব কথা শোনার পর সামিরা ভারতে টাকা পাঠিয়ে দেয়।
==তথ্যসূত্র==
{{ সূত্র তালিকা }}
২৯টি

সম্পাদনা