"ব্যবহারকারী আলাপ:Robioul" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(বাংলা উইকিপিডিয়ায় স্বাগতম)
 
[[উইকিপিডিয়া:অভ্যর্থনা কমিটি|বাংলা উইকিপিডিয়া অভ্যর্থনা কমিটি]], ১০:০৬, ১০ অক্টোবর ২০১৮ (ইউটিসি)
|} <!-- এই স্বাগতম বার্তাটি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে [[ব্যবহারকারী:অভ্যর্থনা কমিটি বট]] কর্তৃক প্রেরিত। -->
 
== ২০১৯ সালের কলঙ্কিত জানুয়ারি মাস। ==
 
==০১ই জানুয়ারি,২০১৯ দারুস সালাম==
১০ ডিসেম্বর ভালোবেসে এক যুবককে বিয়ে করেন ওই তরুণী। বিয়ের পর জানতে পারেন ওই যুবক বিবাহিত। সেই ঘরে একটি সন্তানও আছে। এই কথা জানার পর তিনি ওই যুবককে তালাক দেন। গত রোববার রাত ১০টার দিকে দারুস সালাম থানা এলাকায় আসেন তরুণী। তখন হীরা নামের একজনের কাছে তাঁর এক আত্মীয়ের ঠিকানা জানতে চান তিনি। হীরা ওই তরুণীকে তাঁর আত্মীয়ের বাসায় নিয়ে যাওয়ার সময় জাহিদ ও জসীম তাঁদের আটক করেন। এ সময় ওই আত্মীয়কে মোবাইল ফোনে ডেকে আনা হয়। পরে ওই তরুণীকে জাহিদ তাঁর বাসায় নিয়ে যান। ১তারিখ রাতে ওই তরুণীকে জাহিদ ধর্ষণ করেন এবং জসীম দরজার সামনে পাহারা দেন।
উৎস-প্রথম আলো
 
==৫ই জানুয়ারি ২০১৯ইং,সাভার ==
৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাতটার দিকে কারখানা ছুটির পর মেয়েটি হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। কারখানা থেকে ২০০ গজ দূরে একটি নির্জন স্থানে পৌঁছানোর পর রহিমের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। এ সময় রহিম তাঁকে কারখানার পাশে প্রাচীর ঘেরা এক খণ্ড জমির এক কোণে থাকা খড়ির ঘরে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা কয়েকজনসহ রিপন তাঁকে ধর্ষণ করেন। এর পর রাত ১২টার দিকে মেয়েটিকে তাঁদের বাসার সামনে পৌঁছে দিয়ে চলে যান। রহিম, রিপন ও ইব্রাহীমসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়।
উৎস-প্রথম আলো
 
==০৭জানুয়ারি ২০১৯,গেন্ডারিয়া,ঢাকা==
মা-বাবা ও তিন বোনের সঙ্গে রাজধানীর গেন্ডারিয়ার দীননাথ সেন রোডের এক বস্তিতে থাকত শিশু আয়েশা (২)। প্রতিদিন সকালে আয়েশার মা-বাবা কাজে যান। এই সময় গেন্ডারিয়ার সাধনা ঔষধালয়ের সামনে গলিতে খেলে বেড়াত শিশুটি। অন্যান্য দিনের মতো গত শনিবারও বিকেলে খেলতে বের হয় আয়েশা। সন্ধ্যার দিকে বাড়ির পাশের চারতলা একটি ভবনের সামনে আয়েশার রক্তাক্ত নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। আয়েশার পরিবার ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, মো. নাহিদ (৪৫) নামের এক ব্যক্তি শিশুটিকে ধর্ষণ করেছেন। পরে চারতলা ভবনের তিনতলা থেকে তাকে নিচে ফেলে হত্যা করেছেন।
উৎস-প্রথম আলো
 
==সাতক্ষীরার==
শৌচাগারের সেপটিক ট্যাংক থেকে সুস্মিতা দাস নামে দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিশুটির বাবার অভিযোগ ধর্ষণের পর পুকুরের পানিতে ফেলে তাকে হত্যা করা হয়েছে। পরে লাশ শৌচাগারের সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখা হয়।গতকাল রোববার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার গাবতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জয়প্রকাশ সরকার নামের এক প্রতিবেশীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। তিনি একাদশ শ্রেণির ছাত্র।
উৎস-প্রথম আলো
 
==১১ই জানুয়ারি,২০১৯ইং,হাজারীবাগ==
১১ জানুয়ারি পূর্বপরিচিত আসামি মনিরকে তিনি রিকশা ডেকে দেওয়ার কথা বলেন। পরে মনির রিকশায় করে তাঁকে হাজারীবাগের একটি বাসায় নিয়ে যান। সেখানে জোর করে ওষুধ খাওয়ালে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। ১২ জানুয়ারি কয়েকজন মিলে তাঁকে ধর্ষণ করেন। পরে ওই তরুণী বাসা থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। ১৪ জানুয়ারি ওই তরুণী হাজারীবাগ থানায় রাজু আহসান(৪০),মনির(২৫),রাশেদ(২৫)ও মোকাদ্দেস(২৮)। চারজনের নাম উল্লেখ করে গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন।
উৎস-প্রথম আলো
 
==১১জানুয়ারি২০১৯,গৌরনদী,বরিশাল==
৫ জানুয়ারি সকালে রিপন মাঝি তাঁদের বাড়িতে আসেন। ওই সময় বাড়িতে পরিবারের কেউ ছিলেন না। কথাবার্তা বলার একপর্যায়ে রিপন মাঝি তাঁকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি রিপন মাঝির অভিভাবকদের জানানো হয়। পরে রিপন মাঝি তাঁকে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে বিষয়টি পুলিশসহ কাউকে জানাতে নিষেধ করেন।পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও বিয়ের পদক্ষেপ না নেওয়ায় তিনি থানায় মামলা করেন।
উৎস-প্রথম আলো
 
আগৈলঝাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নকিব আকরাম হোসেন বলেন, ওই কলেজছাত্রী বাদী হয়ে রিপন মাঝিকে প্রধান আসামি করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন।ওই ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
উৎস-প্রথম আলো
 
==১৪ জানুয়ারি২০১৯,সখীপুর,টাঙ্গাইল==
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ২০ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামিসহ দুজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। সোমবার রাতে মেয়েটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার টাঙ্গাইল নারী ও শিশু আদালত প্রধান আসামি মজিবর রহমানের (৪২) বিরুদ্ধে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
উৎস-প্রথম আলো
 
===মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল===
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ১৪ জানুয়ারি রাতে ফুফুর বাড়িতে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী (৯) ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে তার বাবা রোববার রাতে শিশুর ফুফাকে আসামি করে শ্রীমঙ্গল থানায় মামলা করেছেন।
উৎস-প্রথম আলো
 
==১৫ই জানুয়ারি২০১৯,জুড়ী,মৌলভীবাজার==
বিদ্যালয়ে কোচিং করতে যাচ্ছিল এসএসসি পরীক্ষার্থী (১৭)। পথে এক প্রতিবেশী ব্যক্তি জরুরি কাজের কথা বলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। একপর্যায়ে আত্মরক্ষার্থে বিবস্ত্র অবস্থায় ওই ছাত্রী দৌড়ে গিয়ে আরেক প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নেয়। খবর পেয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে। ঘটনাটি মঙ্গলবার সকালে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী এলাকায় ঘটে।ওই ব্যক্তি হলেন হেলাল উদ্দিন (৪২)।
উৎস-প্রথম আলো
 
==২২ জানুয়ারি ২০১৯,==
=== চট্টগ্রামের আনোয়ারার ===
একটি গ্রামে শনিবার বিকেলে বাড়ির উঠানে খেলার সময় এক শিশুকে বিস্কুট কিনে দেওয়ার কথা বলে একটি পুকুরপাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করেন তার দূরসম্পর্কের এক চাচা (১৯)।
উৎস-প্রথম আলো
 
=== নরসিংদীর সদর ===
নরসিংদীর সদর উপজেলায় গতকাল দুপুরে দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী (৭) ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবার। তার মা বলেন, মেয়েটি দুপুরে উঠানে খেলার সময় উত্তম দাস নামে এক ব্যক্তি তার মুখ চেপে ধরে নিজ বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। বাড়ি ফিরে মেয়ে তাঁকে বিষয়টি জানায়। মেয়েটিকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
উৎস-প্রথম আলো
 
== সাভার১ ==
চাকরির কথা বলে মোশারফ তাকে গত বৃহস্পতিবার তাঁর বাসায় ডেকে নিয়ে রাতে ঘরে আটকে রেখে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি ফাঁস করলে হত্যার হুমকি দিয়ে পরদিন সকালে ছেড়ে দেন। হুমকির কারণে কিশোরী প্রথমে চেপে গেলেও গতকাল সকালে স্বজনদের জানায়। এরপর স্বজন ও স্থানীয় লোকজন মোশারফকে ধরে মারধর করে পুলিশে দেন। সাভার থানার ওসি বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে কিশোরী গতকাল মামলা করেছে।
উৎস-প্রথম আলো
 
== সাভার২ ==
সাভারে ধর্ষণ, মারধর ও তাড়িয়ে দেওয়ার শিকার হয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করা তরুণীর বাড়ি দিনাজপুরে। তিনি সাভারে বোনের বাসায় থেকে বিউটি পারলারে কাজ করেন। তরুণী অভিযোগ করেন, বছরখানেক আগে একজন সহকর্মীর মাধ্যমে হৃদয় নামের এক তরুণের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক হয়। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে হৃদয় তাঁকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করেন। সর্বশেষ রোববার রাতে হৃদয় বিয়ে করার কথা বলে সাভারে তাঁর বাসায় যেতে বলেন। রাত নয়টার দিকে সেখানে গেলে তাঁকে ধর্ষণ ও মারধর করে বের করে দেন। এরপর ক্ষোভে-অপমানে আত্মহত্যা করতে তিনি বংশী নদীতে ঝাঁপ দেন।আশপাশের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে সাভার মডেল থানায় নিয়ে যান। সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক আবিদ হোসেন খান বলেন, ওই তরুণী গতকাল সোমবার হৃদয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আউয়াল বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে হৃদয়কে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
উৎস-প্রথম আলো
 
== ২৩ই জানুয়ারি,২০১৯ইং==
==কুষ্টিয়া==
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ছয় বছরের কন্যাশিশুকে ধর্ষণ মামলায় মঞ্জুরুল ইসলাম আনসারী(১৯)নামের এক তরুণকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে কুষ্টিয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মশিয়ার রহমান এই দণ্ডাদেশ দেন। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
উৎস-প্রথম আলো
 
==নোয়াখালী==
নোয়াখালীর কবিরহাটে মা ও সন্তানদের জিম্মি করে এক গৃহবধূকে (২৯) গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে যাঁর নাম এসেছে, তিনিই ওই নারীর স্বামীকে ভোটের আগে পুলিশে ধরিয়ে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আলোচিত এই ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি জাকের হোসেন ওরফে জহির কবিরহাটের ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের নেতা হিসেবে পরিচিত। যদিও এখন স্থানীয় আওয়ামী লীগ দাবি করেছে, জাকের দলের কেউ নন।
গৃহবধূর স্বামী পেশায় রাজমিস্ত্রি (নির্মাণশ্রমিক)। এলাকায় বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচিত। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে ২৩ ডিসেম্বর পুলিশ তাঁকে আটক করে একটি বিস্ফোরক মামলায় কারাগারে পাঠায়, যে মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি নন। ‘অজ্ঞাতনামা আসামি’দের একজন হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এরপর গত শুক্রবার দিবাগত রাতে ঘরে ঢুকে তাঁর স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন তিন দুর্বৃত্ত, যাঁদের একজন ওই জাকের হোসেন। এই ঘটনা গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রকাশ পায়। পরদিন জাকের হোসেন গ্রেপ্তার হন। স্ত্রী ধর্ষণের শিকার হওয়ার বিষয়টি আদালতে উল্লেখ করে আইনজীবীরা জামিন আবেদন করলে,গত রোববার স্বামীর জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।
উৎস-[[প্রথম আলো]]
২০টি

সম্পাদনা