"পাবনা রেলওয়ে স্টেশন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

পরিষ্কারকরণ
({{পরিষ্করণ-পুনঃসংগঠন}} ট্যাগ যোগ করা হয়েছে (টুইং))
(পরিষ্কারকরণ)
{{পরিষ্করণ-পুনঃসংগঠন|date=আগস্ট ২০১৮}}
১০১ বছর পর পাবনা শহরে স্বপ্নের রেল
 
নির্মাণাধীন দীর্ঘ শত বছরের স্বপ্নের পাবনা-ঈশ্বরদী রেলপথে প্রথম পরীক্ষামুলক ট্রেন আসলো পাবনা স্টেশনে। পাবনা জেলায় ১৯১৬ সালে ট্রেন চালু হওয়ার ১০১ বছর পর জেলা শহরে ট্রেন আসার জন্য ২৫ কিলোমিটার রেলপথ তৈরী করা হয়। আর এই পথ বেয়ে গত ১৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় ঈশ্বরদী স্টেশন থেকে ছেড়ে আসা পরীক্ষামুলক ট্রেন। ট্রেনটি সকাল পৌনে ১১টায় পাবনা ষ্টেশনে পৌঁছায়। এসময় সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক রেখা রাণী বালো ট্রেনে আসা রেল কর্মকর্তাদের স্বাগত জানান।
 
বৃটিশ সরকার রেলপথ সম্প্রসারণের গুরুত্ব অনুধাবন করে ১৮৭৮ খৃস্টাব্দের ১৯ জানুয়ারি ঈশ্বরদী সাড়াঘাট থেকে রাজশাহীর আত্রাই পর্যন্ত রেললাইন খোলার আদেশ দেন। এ রুটে সাড়াঘাট হতে নাটোরের গোপালপুর স্টেশন পর্যন্ত এই লাইনের দশ মাইল পথ পাবনার মধ্যে ছিল। এ ছাড়া সর্ব প্রথম যে রেলপথ নির্মিত হয় তা কলকাতা হতে ঈশ্বরদী হয়ে শিলিগুড়ি পর্যন্ত সামান্য অংশ এ জেলায় পড়ে। ইস্টান বেঙ্গল গ্যারান্টেড রেলওয়ে কোম্পানি কলকাতা হতে পদ্মা নদীর দক্ষিণপাড় কুষ্টিয়ার দামুকদিয়া পর্যন্ত ব্রডগেজ লাইন।
 
উত্তরপাড় সাড়াঘাট হতে শিলিগুড়ি পর্যন্ত মিটার গেজ লাইন খোলা হয়। ১৮৮৪ সালের ১ জুলাই রেলপথ গুলি তখনকার কোম্পানি সরকার অধিকার ভুক্ত করে। এই ইতিহাসের সঙ্গে এবারে যুক্ত হতে যাচ্ছে ঈশ্বরদী-ঢালার চর রেলপথ। ঢালার চর থেকে আরিচা রুটে সেতু নির্মিত হলে বিপ্লব ঘটে যাবে রেল যোগাযোগের মানচিত্রে। পাবনাবাসী অধীর আগ্রহে বসে রেলের পুর্ণঙ্গ সুবিধা নিতে। অপেক্ষায় আছে স্বপ্নের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের দিকে।- শমীম হাসান
১১,৬১০টি

সম্পাদনা