"মানুষের গাত্রবর্ণ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
'''মানুষের গাত্রবর্ণ''' ভিন্নতর হওয়ার নানাবিধ কারন বিদ্যমান। মূলত এক্ষেত্রে মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে জিনগত পার্থক্য, যা একজন ব্যক্তি নিজ পিতামাতার কাছ থেকে পেয়ে থাকে। গাত্রবর্ণ সূর্যরশ্মি থেকে বিকিরিত আলট্রা[[অতিবেগুনি ভায়োলেট রশ্মিররশ্মি]]র উপর নির্ভর করে থাকে।
 
মেলানোসাইট থেকে [[মেলানিন]] প্রস্তুত হয় এবং এটি মানুষের গাত্রবর্ণ নির্ধারণ করে। যে সব ব্যক্তির গাত্রবর্ণ হালকা তাদের রঙ নির্ধারিত হয় চামড়ার নিচে অবস্থিত নীলাভ সাদা যোজককলার মাধ্যমে। যখন ফরসা ব্যক্তি অনেক পরিশ্রম করে অথবা রাগ কিংবা ভীত হয়, তখন ধমনীকা প্রসারিত হয়।
 
গাত্রবর্ণ সূর্যরশ্মির কারণে হালকা হতে গাঢ় হতে পারে।
৪৫,৩৫৮টি

সম্পাদনা