বহিঃক্ষরা গ্রন্থি: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বানান সংশোধন
সম্পাদনা সারাংশ নেই
(বানান সংশোধন)
| DorlandsID =
}}
'''বহি:ক্ষরা গ্রন্থি''' হচ্ছে সেইসব গ্রন্থি যারা নালীর মাধ্যমে এপিথেলিয়ালের উপরিভাগে পদার্থ উৎপন্ন এবং ক্ষরণ করে।<ref name="wheater">{{বই উদ্ধৃতি|title=Wheater's Functional Histology: A Text and Colour Atlas|publisher=Elsevier|vauthors=Young B, Woodford P, O'Dowd G |year=2013|isbn=978-0702047473|page=95|edition=6th}}</ref> বহি:ক্ষরা গ্রন্থির উধাহরনের মধ্যে আছে ঘাম, মুখের লালা, স্তন, সেরুমিনাস, লেক্রিমাল, সেবাসিয়াস এবং মিউকাস। বহি:ক্ষরা গ্রন্থি মানুষের দেহের দুই প্রকার গ্রন্থির মধ্যে একটি, অপরটি হচ্ছে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যা তাদের পদার্থগুলকে সরাসরি রক্তে ক্ষরণ করে। যকৃত এবং অগ্ন্যাশয় উভয় অন্তঃক্ষরা এবং বহিঃক্ষরা গ্রন্থি; তারা বহি:ক্ষরা গ্রন্থি কারন তারা পিত্ত এবং অগ্ন্যাশয় রস উভয়ই একসারি নালীর মাধ্যমে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টে ক্ষরণ করে এবং অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি কারন তারা অন্যান্য পদার্থ সরাসরি রক্তে ক্ষরণ করে।
 
==প্রকারভেদ==
 
===গঠনভেদে===
বহি:ক্ষরা গ্রন্থি একটি গ্রন্থি অংশ ও একটি নালী অংশ ধারণ করে, যার গঠনকে গ্রন্থির শ্রেণীবিন্যাস করার জন্য ব্যাবহারব্যবহার করা যায় <ref name="wheater" />
* নালীর অংশটি শ্বাখান্নিত(জটিল বলা হয়) অথবা অশাখান্নিত (সরল বলা হয়) হতে পারে।
* গ্রন্থিময় অংশটি নলাকৃতির অথবা এসিনাসময় হতে পারে অথবা দুইটির মিশ্রণেও হতে পারে(নলযুক্ত এসিনার বলা হয় )। যদি গ্রন্থিময় অংশটি শাখন্নিত হয় তবে এই গ্রন্থিকে শাখান্নিত গ্রন্থি বলা হয়।
* মেরোক্রাইন ক্ষরণ – কোষ এক্সো সাইটোসিসের মাধ্যমে তাদের পদার্থ ক্ষরণ করে; যেমন অগ্ন্যাশয়ের এসিনার কোষ।
* অ্যাপোক্রাইন ক্ষরণ – কোষ প্রাচীরের একটি অংশ যা ক্ষরিত পদার্থ বহন করে।
* হলোক্রাইন ক্ষরণ – এর পদার্থ ক্ষরণের জন্য পুরো কোষটি ভেঙে যায়; যেমন ত্বক এবং নাকের সেবাসিয়াস গ্রন্থি।
 
===ক্ষরিত পদার্থের উপর ভিত্তি করে===
{{Epithelium and epithelial tissue}}
 
[[Categoryবিষয়শ্রেণী:Exocrine system]]
৩,৮৮,০০১টি

সম্পাদনা