"ম্যাথু মেনার্ড" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

কোচিং - নতুন অনুচ্ছেদ সৃষ্টি
(খেলোয়াড়ী জীবন - অনুচ্ছেদ সৃষ্টি)
(কোচিং - নতুন অনুচ্ছেদ সৃষ্টি)
শুরুতে মেনার্ড আক্রমণধর্মী ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত ছিলেন ও দৃষ্টিনন্দন স্ট্রোকপ্লের কারণে সকলের নজর কাড়েন। পরবর্তীকালে [[উইকেট-রক্ষক|উইকেট-রক্ষণের]] দিকে ঝুঁকে পড়েন তিনি। গ্ল্যামারগনের সদস্য থাকাবস্থায় ৪২.৫৩ [[ব্যাটিং গড়|গড়ে]] [[রান (ক্রিকেট)|রান]] তুলেন এবং গ্লাভস হাতে নিয়ে ৩৭২ ক্যাচ ও ৭ [[স্ট্যাম্প (ক্রিকেট)|স্ট্যাম্পিং]] করেন তিনি। তবে, বহুবার ইংল্যান্ডের ক্যাপ পরিধান করলেও কাউন্টির ক্রীড়াশৈলী টেস্টে প্রয়োগ করতে পারেননি তিনি।
 
১৯৮৫ সালে গ্ল্যামারগনের সদস্যরূপে যোগ দেন। অভিষেক খেলাতেই মনোরম সেঞ্চুরি করেন তিনি। পরপর তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে শতরানের কোটা পার করেন। ১৯৮৬ সালে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে সহস্রাধিক রান তুলেন। গ্ল্যামারগনের খেলোয়াড়ী জীবনের ৫৪টি সেঞ্চুরি যে-কোন খেলোয়াড়ের চেয়ে বেশী। এরফলে ইংরেজ দল নির্বাচকমণ্ডলী কর্তৃক আহুত হন ও ১৯৮৮ সালে ওভালে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলার জন্য মনোনীত হন। ১৯৮৯ সালে আবারো তিনি খেলেন। তবে, [[মাইক গ্যাটিং|মাইক গ্যাটিংয়ের]] নেতৃত্বে বর্ণবৈষম্যবাদ নীতিতে আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধঘোষিত তৎকালীন দক্ষিণ আফ্রিকায় [[South African rebel tours|বিতর্কিত সফরে]] গেলে তাঁর খেলোয়াড়ী জীবন থমকে দাঁড়ায়। এ সফরের বিষয়ে স্বীকারোক্তিতে তিনি বলেন যে, ইংল্যান্ড দল থেকে বাদ পড়ার প্রেক্ষিতে [[আন্তর্জাতিক ক্রিকেট]] অঙ্গনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যেই তাঁর এই অংশগ্রহণ ছিল। তিন বছরের জন্য তাঁকে টেস্ট খেলার অনুপযোগী ঘোষণা করা হয়। [[অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দল|অস্ট্রেলিয়া একাদশের]] বিপক্ষে গ্ল্যামারগনের সদস্যরূপে [[সেঞ্চুরি (ক্রিকেট)|সেঞ্চুরির]] প্রেক্ষিতে ১৯৯৩ সালে [[দি অ্যাশেজ|অ্যাশেজ সিরিজে]] অংশ নেয়ার জন্য তাঁকে দলে মনোনীত করা হয়। তবে সিরিজে [[ক্রিকেট ব্যাট|ব্যাট]] হাতে তেমন সফলতা পাননি।
 
ঘরোয়া ক্রিকেটে ১৯৯৫ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত গ্ল্যামারগনকে পাঁচ [[মৌসুম (ক্রীড়া)|মৌসুম]] [[অধিনায়ক (ক্রিকেট)|অধিনায়কত্ব]] করেন। তন্মধ্যে, ১৯৯৭ সালে [[কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপ|কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপের]] শিরোপা জয়ে দলকে নেতৃত্ব দেন তিনি। ১৯৭৭ সালের পর কাপ ফাইনালে [[লর্ড’স ক্রিকেট গ্রাউন্ড|লর্ডসে]] ২০০০ সালে দলকে নিয়ে যান। একই বছর শেষবারের মতো ইংল্যান্ড দলে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু তিনি মাত্র ৩ ও [[শূন্য রান|]] [[রান (ক্রিকেট)|রান]] তুলেন।
 
== কোচিং ==
সেপ্টেম্বর, ২০০৪ সালে ইংল্যান্ড দলের সহকারী কোচ হিসেবে নিযুক্ত হন। এর পরপরই তিনি খেলোয়াড়ী জীবন থেকে তাঁর অবসরের ঘোষণা দেন। [[কোচ (ক্রীড়া)|আন্তর্জাতিক কোচ]] হিসেবে স্বল্পকালীন দায়িত্বে থাকাকালে কিছু বিতর্কের সৃষ্টি করেন। সাবেক ইংরেজ দলনেতা [[মাইক অ্যাথারটন]] তাঁর দায়িত্বের বিষয়ে সমালোচনা করে বলেন যে, দক্ষিণ আফ্রিকায় বিতর্কিত সফরের সাথে জড়িত কাউকে এ দায়িত্বে দেয়া উচিত হয়নি। সাবেক কোচ [[কিথ ফ্লেচার|কিথ ফ্লেচারের]] কাছ থেকেও তিনি সমালোচিত হন। মদ্যপান ও আড্ডারত কাউকে তরুণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের কাছে কিছু শিখতে পারবে না বলে জানান। এর পাল্টা জবাবে তিনি ফ্লেচারের ব্যবস্থাপনার দক্ষতার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেন। মেনার্ড কোচের দায়িত্ব চালিয়ে যেতে থাকেন ও একপর্যায়ে ইংরেজ দলের জন্য পেশাদারী পর্যায়ের উপযোগী গানের সুর তৈরী করতে থাকেন।
 
[[২০০৭ ক্রিকেট বিশ্বকাপ|২০০৭]] সালের [[ক্রিকেট বিশ্বকাপ|ক্রিকেট বিশ্বকাপের]] পর ডানকান ফ্লেচারের পদত্যাগের পর মে, ২০০৭ সালে [[অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার]] মেনার্ডের স্থলাভিষিক্ত হন। এ ঘোষণার পর এক স্বাক্ষাৎকারের মেনার্ড বলেন যে, ইন্ডিয়ান ক্রিকেট একাডেমি থেকে তাঁর নিযুক্তির বিষয়ে প্রস্তাবনা এসেছে।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি| url=http://news.bbc.co.uk/sport1/hi/cricket/other_international/6632391.stm | work=BBC News | title=Maynard offered role with India | date=7 May 2007}}</ref> এরপূর্বে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকান ঘরোয়া ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটের ছয়টি দলের অন্যতম [[Nashua Titans|নশুয়া টাইটান্সকে]] পরিচালনা করেন। প্রথম মৌসুমে ব্যাপক অর্থেই সফলতা পান তিনি। ঘরোয়া চারদিনের প্রতিযোগিতা সুপারস্পোর্ট সিরিজের শিরোপা জিতে তাঁর দল ও মিওয়ে টি২০ চ্যালেঞ্জ টি২০ প্রতিযোগিতার ট্রফিও পায় দলটি। ২০১৪ মৌসুম শেষে [[David Nosworthy|ডেভিড নসওয়ার্থির]] প্রত্যাবর্তনের পর মেনার্ড সমারসেট দলের ক্রিকেট পরিচালকরূপে যোগ দেন।<ref>{{cite news |url=http://www.bbc.co.uk/sport/0/cricket/29425687 |title=Matthew Maynard: Somerset appoint ex-Glamorgan coach |publisher=BBC Sport |date=30 September 2014 |accessdate=30 September 2014 }}</ref>
 
১৯৯৮ সালে [[উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালমেনাক|উইজডেন]] কর্তৃক [[উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার|বর্ষসেরা ক্রিকেটার]] হিসেবে মনোনীত হন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.cricketarchive.com/Archive/Players/Overall/Wisden_Cricketers_of_the_Year.html |title=Wisden Cricketers of the Year |accessdate=2009-02-21 |publisher=CricketArchive}}</ref>
 
১৮ জুন, ২০১২ তারিখে তাঁর সন্তান [[Tom Maynard|টম মেনার্ডকে]] মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
 
== তথ্যসূত্র ==
৭০,৭২৪টি

সম্পাদনা