"হিউয়েন সাঙ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎ভারতবর্ষ: বানান ঠিক করা হয়েছে, ব্যাকরণ ঠিক করা হয়েছে, লিংক সংযোজন
(→‎ভারতবর্ষ: বানান ঠিক করা হয়েছে, ব্যাকরণ ঠিক করা হয়েছে, লিংক সংযোজন)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা
আরো পশ্চিমে যেয়ে তিনি খুন্দুজ শহরে সেখানকার যুবরাজ তার্দুর অন্তুষ্টিক্রিয়া দেখার জন্য কিছুকাল অবস্থান করেন। সেখানেই তিনি ধর্মসীমা নামে এক বিখ্যাত বৌদ্ধ ভিক্ষুর সাথে সাক্ষাৎ করেন। সদ্য মৃত যুবরাজ তার্দুর উপদেশেই তিনি পরবর্তিতে আরো পশ্চিমে নব বিহার পরিদর্শন করেন। নব বিহারের বর্তমান নাম আফগানিস্তান। সেখানে তিনি অনেক বৌদ্ধ মঠ এবং '''মহাবিশ্ব''' গ্রন্থের অনুসারী প্রায় তিন হাজার বৌদ্ধ বিক্ষু দেখেন<ref>http://ccbs.ntu.edu.tw/FULLTEXT/JR-AN/an160809.htm</ref>। হিউয়েন সাঙ এর মতে নব বিহার হল প্ররথিবীর সর্ব পশিমে অবস্থিত দেশ যা বৌদ্ধ ধর্ম প্রতিপালন করে। নব বিহারে কিছুদিন অবস্থান করে [[৬৩০]] সালের দিকে তিনি আদিনপুর (বর্তমান জালালাবাদ) যান<ref>Proceedings of the Royal Geographical Society and monthly record (Great Britain) Volume 1, page 43 (Science) 1879.</ref>। [[জালালাবাদ]] এসেই তিনি মনে করতে থাকেন যে তিনি ভারতবর্ষে প্রবেশ করেছেন।
== ভারতবর্ষ ==
আদিনপুর ত্যাগ করে তিনি [[খাইবার পাস]] হয়ে [[পেশাওয়ার]] দিকে রওনা হন। যাওয়ার পথে তিনি অনেক বৌদ্ধ মঠ দেখেন কিন্তু সেগুলোতে সে তুলনায় বৌদ্ধ ভিক্ষু ছিল না। হিউয়েন সাঙ এর মতে পূর্বে পেশওয়ারের বৌদ্ধ ধর্ম সম্পর্কিত যে গৌরব ছিল তা তৎকালীন পেশওয়ার হারাতে বসেছিল। [[পেশাওয়ার]] থেকে তিনি [[সোয়াত উপত্যকা|সোয়াত উপত্যকার]] দিকে চলে যান যেখানে তিনি চোদ্দশ পরিত্যাক্ত বৌদ্ধ মঠ দেখতে পান যেখানে পূর্বে প্রায় আঠারো হাজার ভিক্ষু বসবাস করতেন। সোয়াত উপত্যাকা দিয়ে তিনি [[সিন্ধু নদ]] পার হন। সিন্ধু পার হয়ে তিনি [[কাশ্মীর|কাশ্মীরের]] দিকে ধাবিত হন। [[কাশ্মীর|কাশ্মীরে]] হিউয়েনের সাথে বৌদ্ধ ভিক্ষু সংঘাসের সাথে দেখা হয়ে যায়। সংঘাস ছিলেন ময়াহন গ্রন্থের পন্ডিৎ। হিউয়েন কাশ্মিরে ৬৩২ থেকে ৬৩৩ সাল পর্যন্ত অন্যান্ন জ্ঞানি বিক্ষুদের সাথে মাহায়ন অধ্যয়ন করে কাটান। এখানে অবস্থানকালেই তিনি তার বইয়ে খৃষ্টপূর্ব প্রথম শতকে অনুষ্ঠিত প্রথম বৌদ্ধ কাউন্সিলের ব্যাপারে লিখেছিলেন। এরপর তিনি আরোপূর্বের দিকে [[লাহোর]] ও মতিপুরের দিকে রওনা দেন। তার ভারত ভ্রমনের সাথে
বাংলা ( বর্তমান ভারতের পশ্চিম বাংলা ও বাংলাদেশ) তে আগমান একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। নালন্দা থেকে ৬০০ লি অতিক্রম করে কজংগলে আসেন সেখানে কিছুদিন অতিবাহিত করার পর ৯০০ লি পুর্ব দিকে পদ্মা পার হয়ে পুন্দ্রনগর আসেন সেখানেই অনেক দিন কাটান এর পর প্রায় ৯০০ লি উত্তর পুর্বে কামরুপ যান সেখান থেকে ১৩০০ লি দক্ষিনে সমতট তার পর ৯০০ লি পশ্চিমে সমুদ্র তীরবর্তি তাম্রলিপ্তি তে যান সম্ভবত এর পর শশাঙ্ক এর রাজধানী কর্ণসুবর্ণ তে যান এবং এর পর উড়িষ্যা দিয়ে চীনে ফিরে যান।
 
== রচনাসমূহ ==
৪টি

সম্পাদনা