"পাতি ময়না" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

মনির
(টটটচ)
(মনির)
{{Taxobox
| name = পাতি ময়না
| image = Beo-2.jpg
| image_width = 260px
| image_caption = ''G. r. peninsularis'', [[বক্সা জাতীয় উদ্যান]]<br />([[জলপাইগুড়ি জেলা]], [[পশ্চিমবঙ্গ]], [[ভারত]])
| status = LC
| status_system = IUCN3.1
| status_ref =<ref name="iucn">{{ওয়েব উদ্ধৃতি | url=http://www.iucnredlist.org/details/106006841/0 | title=''Gracula religiosa'' | publisher= The IUCN Red List of Threatened Species | accessdate=2013-04-10}}</ref>
| regnum = [[প্রাণী জগৎ]]
| phylum = [[কর্ডাটা]]
| classis = [[পক্ষী]]
| subclassis = [[Neornithes]]
| infraclassis = [[Neognathae]]
| superordo = [[Neoaves]]
| ordo = [[Passeriformes]]
| subordo = [[Passeri]]
| infraordo = [[Passerida]]
| superfamilia = [[Muscicapoidea]]
| familia = [[Sturnidae]]
| genus = ''[[Gracula]]''
| species = '''''G. religiosa'''''
| binomial = ''Gracula religiosa''
| binomial_authority = [[Carolus Linnaeus|Linnaeus]], 1758
| synonyms =
''Gracula indica''<small>(এছাড়াও নিবন্ধ দেখুন)</small>
}}
 
'''পাতি ময়না''' ([[বৈজ্ঞানিক নাম]]: ''Gracula religiosa''), '''সোনাকানি ময়না''', '''পাহাড়ি ময়না''' বা '''ময়না''' [[Sturnidae]] (স্টার্নিডি) [[গোত্র (জীববিদ্যা)|গোত্র]] বা [[পরিবার (জীববিদ্যা)|পরিবারের]] অন্তর্গত ''[[হািহিজজিজ|Gracula]]'' (গ্রাকুলা) [[গণ (জীববিদ্যা)|গণের]] অন্তর্গত এক প্রজাতির মাঝারি আকারের কথা-বলা পাময়নার বৈজ্ঞানিক নামের অর্থ ''পবিত্র পাতিকাক'' ([[লাতিন ভাষা|লাতিন]]: ''graculus'' = [[পাতিকাক]], ''religiosus'' = পবিত্র)।<ref name="এশিয়াটিক">{{বই উদ্ধৃতি|title=বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ: পাখি, খণ্ড: ২৬|publisher=বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি|year=২০০৯|isbn=9843000002860|location=ঢাকা|pages=৪১৩|author=জিয়া উদ্দিন আহমেদ (সম্পা.)}}</ref> পাখিটি [[বাংলাদেশ]], [[ভারত]] ছাড়াও [[দক্ষিণ এশিয়া|দক্ষিণ]] ও [[দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া|দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার]] বিভিন্ন দেশে দেখা যায়। সারা পৃথিবীতে এক বিশাল এলাকা জুড়ে এদের আবাস, প্রায় ৩৯ লক্ষ ৯০ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এদের আবাস।<ref name="BI">{{ওয়েব উদ্ধৃতি | url=http://www.birdlife.org/datazone/speciesfactsheet.php?id=6841 | title=Hill Myna ''Gracula religiosa'' | publisher=BirdLife International | accessdate=2013-06-12}}</ref> বিগত কয়েক দশক ধরে এদের সংখ্যা ক্রমেই কমছে, তবে আশঙ্কাজনক পর্যায়ে যেয়ে পৌঁছেনি। সেকারণে [[আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ|আই. ইউ. সি. এন.]] এই প্রজাতিটিকে [[ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত]] বলে ঘোষণা করেছে।<ref name="iucn"/>[[বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) (সংশোধিত) আইন, ১৯৭৪|বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী আইনে]] এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।<ref name="এশিয়াটিক"/>
 
==বিবরণ==
 
পাতি ময়না মাঝারি কালো রঙের পাখি। এর দৈর্ঘ্য কমবেশি ২৯ সেমি<ref name = argg8398>[[সালিম আলী|Ali, Salim]] & [[Sidney Dillon Ripley]] (1983): Bird Numbers 1015-1017 [Hill mynas]. ''In: Handbook of the Birds of India and Pakistan'' (2nd ed., vol. 5): 191-194. Oxford University Press, New Delhi.</ref>
, ডানা ১৭ সেমি, ঠোঁট ৩ সেমি, পা ৩.৫ সেমি, লেজ ৮ সেমি ও ওজন ২১০ গ্রাম।<ref name="এশিয়াটিক"/>[[ভাতশালিক|ভাত শালিকের]] (''Acridotheres tristis'') তুলনায় এটি আকারে একটু বড়।
 
সাধারণ অবস্থায় প্রাপ্তবয়স্ক পাখিকে পুরোপুরি চকচকে ঘোর কৃষ্ণবর্ণ দেখায়। প্রজননের সময় মাথা আর ঘাড়ে হালকা বেগুনী আভা দেখা যায়। পালকহীন চামড়ার পট্টি হলুদ এবং চোখের নিচে, মাথার পাশে ও পেছনে মাংসল [[উপাঙ্গ (শারীরবিদ্যা)|উপাঙ্গ]] থাকে। ওড়ার সময় ডানার সাদা পট্টি স্পষ্ট দেখা যায়, এমনিতে বসে থাকলে ডানা দিয়ে তা ঢাকা থাকে। চোখ কালচে বাদামি। ঠোট শক্ত ও হলুদ, ঠোঁটের আগা কমলা রঙের। পা ও পায়ের পাতা হলুদ। স্ত্রী ও পুরুষ পাখির চেহারা একই রকম।<ref name = argg8398/> অপ্রাপ্তবয়স্ক পাখির ঠোঁট তুলনামূলক অনুজ্জ্বল হলদে-কমলা। মাংসল উপাঙ্গ ফিকে হলুদ এবং পালক কম উজ্জ্বল।<ref name="এশিয়াটিক"/>
 
==বিস্তৃতি==
 
পশ্চিমে [[ভারত|ভারতের]] কুমায়ন বিভাগ থেকে শুরু করে [[হিমালয় পর্বতমালা|হিমালয়ের]] পাদদেশে [[নেপাল|নেপালের]] [[তেরাই]], [[সিকিম]], [[ভুটান]] ও [[অরুণাচল প্রদেশ]] পর্যন্ত পাতি ময়না বিস্তৃত। সমুদ্রসমতল থেকে ২০০০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত এদের দেখা মেলে। পূর্বে সমগ্র [[দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া]] হয়ে [[চীন|চীনের]] দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত এরা বিস্তৃত। দক্ষিণে [[থাইল্যান্ড]] ও [[মালয় উপদ্বীপ]] হয়ে [[ইন্দোনেশিয়া|ইন্দোনেশিয়ার]] পালাওয়ান এবং [[ফিলিপাইন]] পর্যন্ত এদের বিচরণ রয়েছে। [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশে]] আবাসস্থল ধ্বংস আর পোষার জন্য অতিরিক্ত আহরণ করার কারণে এটি প্রায় [[বিলুপ্ত]] হয়ে পড়েছে। অথচ একটা সময় দেশের মিশ্র চিরসবুজ অরণ্যে এদের মোটামুটি সাক্ষাৎ পাওয়া যেত। দেখা যেত [[পার্বত্য চট্টগ্রাম|পার্বত্য চট্টগ্রামের]] বিভিন্ন অরণ্যেও।<ref name = argg8398/>[[ক্রিস্টমাস দ্বীপ|ক্রিস্টমাস দ্বীপের]] ময়নার দলটিও একই কারণে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এছাড়া [[পুয়ের্তো রিকো]], [[হংকং]] ও [[ম্যাকাও|ম্যাকাওয়ে]] এদের অবমুক্ত করা হয়েছে।<ref name="iucn"/> সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে এদের অনুপ্রবেশ ঘটেছে।<ref name = argg8398/>
 
==উপপ্রজাতি==
 
পাতি ময়না বেশ কয়েকটি [[দ্বিপদ নামকরণ|দ্বিপদ নামে]] পরিচিত, যেমন: ''G. indica'', ''G. enganensis'' আর ''G. robusta''। এর মোট সাতটি [[উপপ্রজাতি]] সনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।<ref name="Internet">{{ওয়েব উদ্ধৃতি | url=http://ibc.lynxeds.com/species/common-hill-myna-gracula-religiosa | title=Common Hill Myna (''Gracula religiosa'') | publisher=The Internet Bird Collection | accessdate=10 July 2013}}</ref><ref>Sankaran, R. (1998): An annotated list of the endemic avifauna of the Nicobar islands. ''Forktail'' '''13''': 17-22. [http://www.orientalbirdclub.org/publications/forktail/13pdfs/Sankaran-Nicobar.pdf PDF fulltext]</ref><ref>Dickinson, E. C. (editor) (2003): The Howard and Moore Complete Checklist of the Birds of the World. 3rd edition. Christopher Helm. ISBN 0-7136-6536-X.</ref><ref>Clements, J. F. (2007): The Clements Checklist of the Birds of the World. 6th edition. Christopher Helm. ISBN 978-0-7136-8695-1.</ref> উপপ্রজাতিগুলো হল:
 
* ''G. r. andamanensis''<small>Beavan, 1867</small>&ndash; আন্দামান ময়না, [[আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ]], [[মায়ানমার|মায়ানমারের]] কোকো দ্বীপ এবং নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের একাংশ
* ''G. r. batuensis''<small>Finsch, 1899</small>&ndash; বাটু দ্বীপপুঞ্জ ও মেন্তাওয়েই দ্বীপপুঞ্জ
* ''G. r. halibrecta''<small>Oberholser, 1926</small>&ndash; বড় নিকোবর ময়না, বড় নিকোবর, ছোট নিকোবর এবং তৎসংলগ্ন ছোট ছোট দ্বীপ। অধিকাংশ সময়ে ''G. r. andamanensis'' উপপ্রজাতির অংশ বলে মনে করা হয়
* ''G. r. intermedia''<small>[[অ্যাডওয়ার্ড ব্লাইদ|Blyth]], 1845</small>&ndash; উত্তরপশ্চিম ইন্দোচীন, উত্তর-পূর্ব [[ভারত]], [[বাংলাদেশ]], পূর্ব মায়ানমার ও দক্ষিণ চীন
* ''G. r. palawanensis''<small>Sharpe, 1890</small>&ndash; ফিলিপাইনের [[পালাওয়ান]]
* ''G. r. peninsularis''<small>Whistler & Kinnear, 1933</small>&ndash; বাস্তার ময়না, মধ্য ভারত (এটি ভারতের [[ছত্তীসগঢ়|ছত্তিশগড়ের]] প্রাদেশিক পাখি)
* ''G. r. religiosa''<small>[[Linnaeus]], 1758</small>&ndash; [[থাইল্যান্ড]], [[মালয় উপদ্বীপ]] ও বৃহৎ সুন্দা দ্বীপসমূহ
* ''G. r. venerata''<small>Bonaparte, 1850</small>&ndash; ছোট সুন্দা দ্বীপসমূহের পশ্চিমাঞ্চল।
 
পূর্বে [[শ্রীলঙ্কান ময়না|শ্রীলঙ্কান ময়নাকে]] উপপ্রজাতি ''G. religiosa''-এর অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করা হত। বর্তমানে এটিকে একটি পৃথক প্রজাতির মর্যাদা দেওয়া হয়েছে (''G. ptilogenys'')। পাতি ময়নার মাংসল উপাঙ্গটি দুই ভাগে বিভক্ত। একটি ভাগ ঘাড়ের সাথে আর আরেকটি ভাগ চোখের সাথে যুক্ত। কিন্তু শ্রীলঙ্কান ময়নার শুধু ঘাড়ের উপাঙ্গটি রয়েছে, চোখের উপাঙ্গটি অনুপস্থিত। এর ঠোঁট আর চোখের রঙও ভিন্ন। এরকম আরও দুইটি স্বীকৃত প্রজাতি হল [[এনগনো ময়না]] (''G. enganensis'') আর [[নিয়াস ময়না]] (''G. robusta'')। কয়েকজন লেখক নীলগিরি পর্বত ও ওয়েস্টার্ন ঘাটস অঞ্চলের উপপ্রজাতি ''G. r. indica''-কে আলাদা প্রজাতি হিসেবে গণ্য করেছেন।<ref name = argg8398/>
[[চিত্র:Gracula.svg|thumb|left|300px|ময়নার বিভিন্ন উপপ্রজাতির বিস্তৃতি ও গঠনগত পার্থক্য]]
[[চিত্র:Gracula religiosa.ogg|thumb|ময়নার ডাক, [[থাইল্যান্ড]] থেকে রেকর্ড করা]]
 
===ডাক===
 
ময়না প্রায় সবসময়ই তীক্ষ্ন চিৎকার করে ডাকে। সেকারণে ঘন অরণ্যে এদের শনাক্ত করা খুবই সহজ কাজ। তীক্ষ্ন ডাক ছাড়াও এরা বিভিন্ন বিচিত্র স্বরে ডাকাডাকি করে। ভোরে আর সন্ধ্যায় এদের ডাকাডাকি বেড়ে যায়। সাধারণত এ সময়ে এরা দল বেঁধে গাছের মগডালে বসে ডাকাডাকি করে।<ref name = argg8398/>
 
স্ত্রী পুরুষ দুই লিঙ্গের ময়নাই বিচিত্র রকমের ডাকে সমানভাবে দক্ষ। এরা শিষ দেয়, খর্ খর্ করে ডাকে আবার গলা খাকরানোর মত করে ডাকতে পারে। এরা আবার মানুষের মত শব্দ উৎপন্ন করতে সক্ষম। বুনো ময়না প্রায় তিন থেকে তের রকমে ডাকতে পারে। সম্ভবত ময়নারা শিশু অবস্থায় আশেপাশের ময়নাদের থেকে এসব ডাক শেখে। এক দলের ময়নার ডাক অন্য দল থেকে ভিন্ন। এমনকি কোন একদল থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরের আরেকটি দলের ডাক ভিন্ন হয়।<ref name = argg8398/>
 
গোটা বিশ্বে রয়েছে এদের ব্যাপক চাহিদা। কারণ এরা মানুষের কথাবার্তা হুবহু নকল করতে পারে। অন্যসব কথাবলা পাখিরা যেমন বনের অন্য পাখি বা প্রাণীদের স্বর বা আওয়াজ নকল করতে পারে (যেমন- [[ভিমরাজ]], ''Dicrurus paradiseus''), ময়না তেমনটি পারে না। যদিও এ বিষয়ে মানুষের একটা ভুল ধারণা রয়েছে যে বুনো ময়নারা অন্য প্রাণীর ডাক অনুকরণ করতে পারে। তবে বন্দী অবস্থায় এরা মানুষের কথা ছাড়াও বাচ্চার কান্না, থালাবাসনের শব্দ, কলিংবেলের শব্দ, বেড়ালের ডাক ইত্যাদি অবিকল অনুকরণ করতে পারে। তারা তীক্ষ্ন ও পরিষ্কার গলায় মানুষের মত শিষ দিতেও সক্ষম।<ref name = argg8398/>
 
==স্বভাব==
[[চিত্র:Hill Myna (Gracula religiosa intermedia), Thrigby Hall.jpg|thumb]]
[[চিত্র:Gracula religiosa MHNT 227 Jardin des plantes de Paris.jpg|thumb|''Gracula religiosa'']]
পাতি ময়না সাধারণত আর্দ্র পাতাঝরা ও চিরসবুজ বন এবং চা বাগানে বিচরণ করে। পাহাড়ি এলাকার ঘন বন এদের পছন্দের জায়গা। এরা দলবদ্ধ অবস্থায় ৫-৬টি পাখির পারিবারিক দলে থাকে। বনের ধারে বা আবাদি জমিতে ও গাছের চূড়ায় খাবার খোঁজে। কখনও রসালো ফলের ঝোপে নামে তবে ভূমিতে নামার ঘটনা বিরল। খাদ্যতালিকায় রয়েছে রসালো ফল, ফুলের কুঁড়ি, মধু ও পোকামাকড়।<ref name="এশিয়াটিক"/> পোষা ময়না ভাতও খায়।<ref name="shain"/>
 
স্ত্রী-পুরুষ ময়না আজীবনের জন্য জোড়া বাঁধে। সঙ্গী না মারা যাওয়া পর্যন্ত ওদের জোড় অটুট থাকে।<ref name="shain">{{সংবাদ উদ্ধৃতি | url=http://manobkantha.com/2013/03/09/111132.html | title=কথা-বলা পাখি ময়না | date=৯ মার্চ ২০১৩ | agency=দৈনিক মানবকণ্ঠ | accessdate=১২ জুলাই, ২০১৩ | author=আলম শাইন | location=ঢাকা}}</ref>[[বর্ষাকাল|বর্ষাকালে]] এরা প্রজনন করে। এপ্রিল-জুলাই মাসে বন অথবা চা বাগানের ধারে ১০-১৫ মিটার উঁচুতে গাছের কোটরে (সাধারণত [[কাঠঠোকরা|কাঠঠোকরার]] সৃষ্ট) ঘাস, পালক ও আবর্জনা দিয়ে বাসা বানিয়ে ডিম পাড়ে। ডিমগুলো নীল, সংখ্যায় দুই-তিনটি। ডিমের মাপ ৩.৬ × ২.৬ সেমি।<ref name="এশিয়াটিক"/> ডিম ফুটতে সময় লাগে ১৪-১৫। ছানারা উড়তে শিখলেই মা-বাবার কাছ থেকে সরে পড়ে।<ref name="shain"/>
 
==তথ্যসূত্র==
{{সূত্র তালিকা|2}}
 
[[বিষয়শ্রেণী:গ্রাকুলা]]
[[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ার পাখি]]
বেনামী ব্যবহারকারী