"স্বীকারোক্তি" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(তথ্য)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা দৃশ্যমান সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা দৃশ্যমান সম্পাদনা
২) ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের সম্মুখে ছাড়া অন্য কোথাও দেওয়া স্বীকারোক্তি ( Extra judicial confession)
 
== প্রাসঙ্গিক ধারাধারাসমূহ ==
সাক্ষ্য আইনের ২৪ নং ধারা : প্রলোভন, হুমকি, প্রতিশ্রুতি দিয়ে আদায় করা স্বীকারোক্তি আদালতের কাছে অপ্রাসঙ্গিক হবে যদি আদালত মনে করেন তা দ্বারা স্বীকারকারী ব্যক্তি কোনো সুবিধা পাবে বা খারাপ কিছু এড়াতে পারবে।
 
সাক্ষ্য আইনের ২৭ নং ধারা : পুলিশের কাছে অভিযুক্ত ব্যক্তির স্বীকারোক্তি থেকে পাওয়া সংবাদের পরিমানস্বরূপ যে তথ্য আবিষ্কৃত হয় তার সাথে স্বীকারোক্তির সম্পর্ক প্রমান করা যাবে।
 
সাক্ষ্য আইনের ২৮ নং ধারা : প্রলোভন, হুমকি প্রতিশ্রুতি ইত্যাদি দেওয়ার ফলে মনে তার যে প্রভাব পড়ে, সেটা দূর হয়ে যাওয়ার পরে প্রাপ্ত স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক হয়।হয়<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.legalserviceindia.com/article/l256-Critical-Analysis-on-Confession.html|title=Critical analysis on Confession|last=|first=|date=|website=|publisher=Legal Service India|access-date=23.01.17}}</ref>।
 
সাক্ষ্য আইনের ২৯ নং ধারা :
<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.legalserviceindia.com/article/l256-Critical-Analysis-on-Confession.html|title=Critical analysis on Confession|last=|first=|date=|website=|publisher=Legal Service India|access-date=23.01.17}}</ref>।
 
সাক্ষ্য আইনের ৩০ নং ধারা :
 
== তথ্যসূত্র ==