"দিমিত্রি মেন্দেলিয়েভ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

 
==পরবর্তি জীবন==
১৮৫৯ থেকে ১৮৬১ সন পর্যন্ত মেন্ডেলিফ [[তরলের কৌশিকতা]] ও [[বর্ণালীমাপক যন্ত্র]] নিয়ে গবেষনা করেন। তখন তিনি হিডেলবার্গে ছিলেন।পরবর্তিতেছিলেন। পরবর্তিতে ১৮৬১ সালে তিনি তাঁর প্রথম বই প্রকাশ করেন যা ছিল বর্ণালীমাপক যন্ত্র সম্বন্ধে। ১৮৬২ সনের এপ্রিলে তিনি ফেউজভা নিকিতিশনার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি ১৮৬৪ ও ১৮৬৫ সালে যথাক্রমে সেন্ট পিটার্সবার্গ টেকনোলজিক্যাল ইন্সটিটিউট ও সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হন। ১৯৬৫ সনে তিনি ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন তাঁর গবেষনার বিষয় ছিল ''পানি ও অ্যালকোহলের মধ্যে সংযোগ''। তিনি ১৮৬৭ সনে বিশেষ একাডেমিক ক্ষমতা 'Tenure' পান। ১৮৭১ সালের মধ্যে তিনি সেন্ট পিটার্সবার্গকে স্বীকৃত ও স্বনামধন্য রাসায়নিক গবেষনার অন্যতম কেন্দ্রে রূপান্তর করেন। লন্ডনের রয়্যাল সোসাইটি তাঁকে সম্মানসূচক [[কপলি পদক|কোপলি মেডেল]] প্রদান করে।
 
১৮৭৬ সনের দিকে আনা ইভানোভা পপোভার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়েন এবং ১৮৮১ তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কথিত আছে যে, আনাকে তিনি আত্মহত্যার হুমকি দেন যদি প্রত্যাখ্যাত হন। তিনি ১৮৮২ সালে নিকিতিশনাকে ডিভোর্স দেন এবং পপোভাকে বিয়ে করেন<ref>http://gazeta.ua/index.php?id=157545&lang=ru</ref>। যদিও মেন্ডেলিফ বিচ্ছেদের পরে বিয়ে করেন দ্বিবিবাহকারী। অর্থোডক্স চার্চের নিয়ম ছিল পুনঃবিবাহের মধ্যবর্তি সময় কমপক্ষে সাত হওয়া। তাঁর ডিভোর্স এবং পরিপার্শ্বিক বিতর্ক তাঁকে রাশিয়ান সায়েন্স একাডেমীর মেম্বার হওয়ার অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় যদিও তাঁর কাজ কর্ম ইউরোপে যথেষ্ট সাড়া ফেলে দিয়ে ছিল। তিনি ১৮৯০ সালের ১৭ আগস্ট বহু বিতর্ক ও বাদানুবাদের মুখে তিনি সেন্ট পিটার্সবার্গের শিক্ষকতার পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
 
১৮৯৩ সালে 'ব্যুরো অব ওয়েটস এন্ড মেজারমেন্টস' এর ডিরেক্টর হন। এই পদে থাকাকালীন সময়েই তিনি [[ভদকা|ভদকার]] উতপাদন কেমন হবে তার একটা নির্দেশনা প্রদান করেন।
 
মেন্ডেলিফ পেট্রোলিয়ামের [[সংযুতি]] অন্বেষণ করেন এবং রাশিয়ার প্রথম তেল শোধনাগার নির্মানে বড় অবদান রাখেন। তাঁকে প্রথম পেট্রলিয়ামকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহারের কৃতিত্ব দেওয়া হয়<ref>http://books.google.com/books?id=BO9ocnho9P4C&lpg=PA546&pg=PA546#v=onepage&q&f=false</ref>।
 
== তথ্যসূত্র ==
৮৪টি

সম্পাদনা