প্রধান মেনু খুলুন

পরিবর্তনসমূহ

→‎রাষ্ট্রপ্রধান: > রাষ্ট্রপতি শাসনব্যবস্থা
[[বাংলাদেশের সংবিধান|বাংলাদেশের সংবিধানের]] গঠনতন্ত্র মোতাবেক বর্তমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে [[জিল্লুর রহমান]] স্বীয় দায়িত্ব পালন করছেন।
 
==রাষ্ট্রপতি শাসনব্যবস্থা==
==রাষ্ট্রপ্রধান==
সাধারণতঃ বিশ্বের [[গণতন্ত্র|গণতান্ত্রিক]] দেশগুলোর সরকার ব্যবস্থায় প্রেসিডেন্ট নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্বাচিত হয়ে থাকেন কিংবা মনোনীত হয়ে থাকেন। কখনো কখনোবা তিনি পুণরায় নির্বাচিত বা মনোনীত হতে পারেন। পরবর্তীতে [[শপথ|শপথগ্রহণপূর্বক]] নিজ দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকেন তিনি। তিনি ব্যাপক ক্ষমতার অধিকারী হয়ে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী কিংবা [[সরকার]] ভেঙ্গে দিতে পারেন, [[যুদ্ধ]] ঘোষণা করতে পারেন, [[সংবিধান|সংবিধানের]] উপর [[ভেটো]] প্রয়োগ করারও অধিকারী তিনি। অনেক দেশেই একজন প্রেসিডেন্ট দেশের [[সামরিক বাহিনী|সামরিক বাহিনীর]] শীর্ষ প্রধান হয়ে থাকেন। তবে সবক্ষেত্রেই তাঁর এ [[ক্ষমতা]] সরকারের [[গঠনতন্ত্র|গঠনতন্ত্রের]] উপর নির্ভরশীল।
 
[[ব্রাজিল|ব্রাজিলের]] প্রেসিডেন্ট সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে চার বছরের জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত হন। তাঁকে মোট বৈধ ভোটের ৫০% পেতে হয়। যদি কোন প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোট প্রাপ্তিতে ব্যর্থ হন, তাহলে শীর্ষস্থানীয় দু'জন প্রার্থীকে পুণঃনির্বাচনে অংশ নিতে হয় ও সর্বোচ্চ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন। একাধারে দু'বারের বেশী মেয়াদে তিনি নির্বাচিত হতে পারবেন না। তবে, মেয়াদ সংখ্যার কোন সীমারেখা নেই।
[[দক্ষিণ আমেরিকা|দক্ষিণ আমেরিকার]] অনেক দেশ, [[মধ্য আমেরিকা]] এবং [[আফ্রিকা|আফ্রিকার]] দেশগুলো এ পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকে।
 
==সংসদীয় গণতন্ত্র==
সংসদীয় পদ্ধতিতে প্রেসিডেন্টের পদ শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতায় পরিপূর্ণ। এখানে তিনি নামেমাত্র রাষ্ট্রের প্রধান হয়ে থাকেন যা সরকারের প্রধান হিসেবে [[প্রধানমন্ত্রী]] ও তাঁর দলীয় [[সংসদ সদস্য]] কর্তৃক মনোনীত হন তিনি। [[বাংলাদেশ]], [[ভারত]], পাকিস্তান, ইসরায়েল, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, ইতালি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরী, পোল্যান্ড, তুরস্ক, আইসল্যান্ড, জার্মানি, গ্রীস প্রমূখ দেশসমূহে এ ব্যবস্থায় প্রেসিডেন্ট মনোনীত করা হয়।
 
== বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ==
৬৩,৫৭২টি

সম্পাদনা