প্রধান মেনু খুলুন

বিমল গুহ
২০১১ সালে দিল্লীতে বিমল গুহ
২০১১ সালে দিল্লীতে বিমল গুহ
জন্মবিমল গুহ
বাজালিয়া,সাতকানিয়া,চট্টগ্রাম
পেশাকবি,শিক্ষকতা
ভাষাবাংলা
বাসস্থানঢাকা,বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাংলাদেশী
নাগরিকত্ব
শিক্ষাস্নাতকোত্তর
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
উল্লেখযোগ্য রচনা
  • অহংকার,তোমার শব্দ,’
  • ‘সাঁকো পার হলে খোলাপথ’,
  • ‘স্বপ্নে জ্বলে শর্তহীন ভোর’,
  • ‘নষ্ট মানুষ ও অন্যান্য কবিতা’,
  • ‘প্রতিবাদী শব্দের মিছিল’,
  • ‘বিবরের গান’,
  • ‘প্রত্যেকেই পৃথক বিপ্লবী’,
  • ‘নির্বাচিত কবিতা’,
  • ‘কবিতাসংগ্রহ’।
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার
  • বাংলাদেশ পরিষদ সাহিত্য পুরস্কার,
  • কিংবদন্তির-আমরা জাতীয় সাহিত্য পুরস্কার, *বঙ্গবন্ধু স্মারক পুরস্কার,
  • বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব কবিসম্মাননা সহ আরো অনেক।
দাম্পত্যসঙ্গীমিনা গুহ
সন্তান
  • ঈষিকা
  • উপমা ও
  • মিথিলা

বিমল গুহ একজন বাংলাদেশী কবি ও লেখক।স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে বাংলাদেশের কবিতায় যাঁরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন কবি বিমল গুহ তাঁদের অন্যতম।

পরিচ্ছেদসমূহ

জন্ম ও প্রাথমিক জীবনসম্পাদনা

বিমল গুহ ১৯৫২ সালের ২৭ শে অক্টোবর চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন।তাঁর পিতা প্রসন্নকুমার গুহ এবং মাতা মানদাবালা।পিতামাতার চার সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়।

শিক্ষা জীবনসম্পাদনা

বিমল গুহ গ্রামের বাজালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে তার মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করেন।তিনি ১৯৭০ সালে সাতকানিয়া সরকারি কলেজ উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন।এরপরে বাংলা সাহিত্যে ১৯৭৫ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ পাশ করেন এবং যুক্তরাজ্যের নেপিয়ার ইউনিভার্সিটি থেকে প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন।১৯৯৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

ব্যক্তিগত জীবনসম্পাদনা

বিমল গুহ ১৯৮০ সালে মিনা গুহকে বিয়ে করেন।তার তিন কন্যা সন্তান রয়েছে।[১]

কর্মজীবনসম্পাদনা

পেশাসূত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা সংস্থার পরিচালক ও কলেজ পরিদর্শক ছিলেন।

বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্টিং এন্ড পাবলিকেশন স্টাডিজ বিভাগে শিক্ষকতা করছেন।

সাহিত্য জীবনসম্পাদনা

গুহ সাহিত্য জগতে প্রবেশ করেন ১৯৬৮ সালে যখন তিনি স্কুলের ছাত্র ছিলেন।তাঁর প্রথম কবিতা "আকাশ" ১৯৬৯ সালে সাতকানিয়া সরকারি কলেজ সাময়িকী "রেশমী" তে প্রকাশিত হয়।[২] স্বাধীনতা পরবর্তীকালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায় নিয়মিত কাব্যচর্চা শুরু। ১৯৮২ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অহংকার, তোমার শব্দ’। এ পর্যন্ত তার ১২টি কবিতাগ্রন্থ, ৬টি কিশোর কবিতাগ্রন্থসহ মোট ২৮টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো : ‘অহংকার তোমার শব্দ,’ ‘সাঁকো পার হলে খোলাপথ’, ‘স্বপ্নে জ্বলে শর্তহীন ভোর’, ‘নষ্ট মানুষ ও অন্যান্য কবিতা’, ‘প্রতিবাদী শব্দের মিছিল’, ‘বিবরের গান’, ‘প্রত্যেকেই পৃথক বিপ্লবী’, ‘নির্বাচিত কবিতা’, ‘কবিতাসংগ্রহ’।

কবি বিমল গুহ কবিতা ছাড়াও সাহিত্যের অন্যান্য বিষয়েও অবদান রেখেছেন। গবেষণা, সম্পাদনা, ভ্রমণগ্রন্থ রচনা এবং বহু প্রবন্ধ তিনি রচনা করেছেন, যা বহুজন প্রশংসিত। তাঁর স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেয়েছেন দেশি-বিদেশি অনেক পুরস্কার।[৩]

সাহিত্য কর্মসম্পাদনা

কাব্যগ্রন্থসমূহসম্পাদনা

  • অহংকার, তোমার শব্দ(১৯৮২)
  • সাকোঁ পার হলে খোলা পথ(১৯৮৫)
  • স্বপ্নে জলে শর্তহীন ভোর (১৯৮৬)
  • ভালোবাসার কবিতা(১৯৮৯)
  • কবিতাসমগ্র(১৯৮৯)
  • নষ্ট মানুষ ও অন্যান্য কবিতা (১৯৯৫)
  • প্রতিবাদী শব্দের মিছিল (২০০০)
  • নির্বাচিত কবিতা (২০০১)
  • বিমল গুহের কবিতা সংকলন(২০১০)
  • আমরা রয়েছি মাটি Chhunye (২০১১)
  • প্রত্যেকই পৃথক বিপ্লবী (২০১৫)
  • বিবরের গান (২০১৫)

কিশোর কাব্যগ্রন্থসম্পাদনা

  • মেঘ ঘুরঘুর বৃষ্টি নামে (২০০০)
  • আগুনের ডিম (২০০১)
  • Chadai Chhana (২০০২)
  • সাদা মেঘের ভেলা (২০০৮)
  • টুপুর ও চরকা বৌদি(২০১৩)
  • কিশোর কবিতা সংগ্রহ (২০১৪)

গবেষণামূলকসম্পাদনা

  • অহিদুল আলম : জীবন ও সাহিত্য (১৯৯৯)
  • আধুনিক বাংলা কবিতায় লোকজ উপাদান (২০০১)

ভ্রমণ কাহিনীসম্পাদনা

  • অন্য দেশে অন্য ভূবনে(২০০৮)
  • স্ট্যাচু অব লিবার্টি(২০১৮)

পুরস্কার ও সম্মাননাসম্পাদনা

  • তরুণ লেখক জাতীয় সাহিত্য পুরস্কার(১৯৭৯)
  • কিংবদন্তির আমরা জাতীয় সাহিত্য পুরস্কার(১৩৮৫ বঙ্গাব্দ)
  • বঙ্গবন্ধু স্মারক পুরস্কার(২০০০)
  • ফরিদপুর নির্ণয় শিল্পীগোষ্ঠী স্বর্ণপদক(২০০৮)
  • কবি জীবনানন্দ দাশ পুরস্কার(২০০৯)
  • সূফী মোতাহের হোসেন সাহিত্য পুরস্কার-২০০৯ (২০১৩)

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা