বিভাগ (জীববিজ্ঞান)

জীববিজ্ঞানের শ্রেণীবিন্যাসের ক্রম

বিভাগ হলো জৈবিক শ্রেণিবিন্যাসের একটি ক্রমধারা, যা প্রাণিবিদ্যা এবং উদ্ভিদবিদ্যায় পৃথকভাবে ব্যবহৃত হয়।

বিভাগ হলো জৈবিক শ্রেণিবিন্যাসের একটি ক্রমধারা,যেখানে বিভাগ পর্বের সমতুল্য

উদ্ভিদছত্রাকবিজ্ঞানে বিভাগ বলতে পর্বের সমতুল্য একটি পদকে বোঝায়। উভয় শব্দের ব্যবহারই ইন্টারন্যাশনাল কোড অব বোটানিক্যাল নোমেনক্ল্যাচারের অধীনে অনুমোদিত[১] এবং উভয়ই বিজ্ঞান-সাহিত্যে সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয়।

স্থলজ উদ্ভিদ প্রধান বিভাগগুলো হলো: মার্চ্যান্টিয়োফাইটা (লিভারওয়ার্টস), অ্যান্থোসিরোটোফাইটা (হর্নওয়ার্টস), ব্রায়োফাইটা (মস), ফিলিকোফাইটা (ফার্ন), স্ফেনোফাইটা (অশ্বপুচ্ছ), সাইকাডোফাইটা (সাইকাস), গিঙ্কোফাইটা (গিঙ্কো), পিনোফাইটা (কনিফার), নিটোফাইটা (নিটোফাইট) এবং ম্যাগনলিওফাইটা (এনজিওস্পার্ম বা সপুষ্পক উদ্ভিদ)। বিভাগের এই অনুক্রমে উদ্ভিদরাজি ক্রমবিকশিত বা বিবর্তিত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। বর্তমানে সপুষ্পক উদ্ভিদ স্থলভাগের বাস্তুতন্ত্রে আধিপত্য বিস্তার করে। স্থলভাগের সংবাহী উদ্ভিদ প্রজাতির প্রায় ৮০%-ই সপুষ্পক উদ্ভিদ।

প্রাণীবিজ্ঞানে বিভাগ শব্দটি ইনফ্রা-শ্রেণির নিম্নতর এবং কোহর্টের উচ্চতর একটি ঐচ্ছিক ধাপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এক ধরনের মাছের শ্রেণিবিন্যাসে এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ধাপ (যেমন ক্যারল, ১৯৮৮[২])। টেলিওস্ট মাছকে অ্যাক্টিনোপ্টিরিজি (রশ্মিময় পাখনাযুক্ত মাছ) শ্রেণিভুক্ত টেলিওস্টি বিভাগ হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সাধারণত খুব কম ক্ষেত্রেই (যেমন মিলনার ১৯৮৮[৩]) জীবন্ত চতুষ্পদীর মাংসল হাতের (সারকোপ্টিরিজি) উপস্থিতিতে মেরুদণ্ডী প্রাণীদের অ্যাম্ফিবিয়া এবং অ্যাম্নিওটা বিভাগে বিভক্ত করা হয়।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. International Code of Nomenclature for algae, fungi, and plants (Melbourne Code), Adopted by the Eighteenth International Botanical Congress Melbourne, Australia, July 2011 (electronic সংস্করণ)। International Association for Plant Taxonomy। ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৫-১৪ 
  2. (Carroll 1988)
  3. (Milner 1988)

উদ্ধৃত কাজসম্পাদনা

  • Carroll, Robert L. (১৯৮৮), Vertebrate Paleontology and Evolution , New York: W.H. Freeman & Co., আইএসবিএন 0-716-7-1822-7 
  • Milner, Andrew (১৯৮৮), "The relationships and origin of living amphibians", M.J. Benton, 'The Phylogeny and Classification of the Tetrapods, 1: Amphibians, Reptiles, Birds, Oxford: Clarendon Press, পৃষ্ঠা 59–102