বাংলা চ্যানেল হলো বাংলাদেশের মূল স্থলভাগের বিশেষ করে টেকনাফের শাহপরী দ্বীপ থেকে থেকে বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন-এর ফেরিঘাট পর্যন্ত বিস্তৃত ১৬.১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের একটি পানিপথ।

সূচনাসম্পাদনা

২০০৬ সালের জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি একটি দল তাঁর প্রশিক্ষণ ও উৎসাহে শাহপরীর দ্বীপ থেকে বঙ্গোপসাগরে ১৬.১ কিলোমিটার সাঁতার কেটে পৌঁছায় সেন্টমার্টিন দ্বীপে। আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফার ও স্কুবা ডাইভার কাজী হামিদুল হক ছিলেন এ দলের দলনেতা। তিনি সাঁতারের এ পথের নামকরণ করেন ‘বাংলা চ্যানেল’। [১]

বাংলা চ্যানেল সাঁতারসম্পাদনা

২০০৬ সাল থেকে প্রতি বছর বাংলা চ্যানেলে নিয়মিত বাংলা চ্যানেলে সাঁতার আয়োজিত করে আসছে বাংলাদেশের সাঁতারু ও সাঁতারপ্রেমীরা। বেসরকারী অ্যাডভেঞ্চার দলগুলো ছাড়াও বাংলা চ্যানেল সাঁতারে সহ-আয়োজকের ভূমিকা পালন করে থাকে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও পর্যটন বোর্ড।

বাংলা চ্যানেল সাঁতারে আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে সকল আয়োজন করা হয়। সাঁতারুরা ফ্রি হ্যান্ড সুইমিং করে থাকেন। নিরাপত্তার জন্য প্রত্যেক সাঁতারুর সঙ্গে একটি করে উদ্ধারকারী নৌকা ছাড়াও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সার্ভিস বোট ও ডুবুরিরা প্রস্তুত থাকে।[২]

বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, নেদারল্যান্ড এবং অন্যান্য কিছু দেশ থেকে সাঁতারুরা এখানে সিঙ্গেল ও ডাবল ক্রস করেছেন। ২০২১ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বাংলা চ্যানেল ২ বার পাড়ি দিয়ে (ডাবল ক্রস) রেকর্ড করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোঃ সাইফুল ইসলাম রাসেল।[৩]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "বাংলা চ্যানেল সাঁতার"Jugantor (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৯-০৪ 
  2. "বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিলেন দুই নারীসহ ৪৩ সাঁতারু"চ্যানেল আই অনলাইন (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২০-১১-৩০। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৯-০৪ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  3. "প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বাংলা চ্যানেল ২ বার পাড়ি দিলেন ঢাবি শিক্ষার্থী"Dhaka Tribune Bangla। ২০২১-০৩-৩০। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৯-০৪