ফেলো অফ দ্য রয়েল সোসাইটি

ফেলো অফ দ্য রয়েল সোসাইটি পুরস্কারটি লন্ডনের রয়েল সোসাইটি নামক সংস্থা থেকে বিজ্ঞান, গণিত, কারিগরি বিদ্যা এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে অভূতপূর্ব অবদানের জন্য পুরস্কৃত করা হয়।[৩] দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকা রয়েল সোসাইটি এই ফেলোশিপটি অস্কার পুরস্কারের সমতুল্য বলে আখ্যা দিয়েছে।[৪] ১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম এই পুরস্কার দেওয়া হয়। ভারতের আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, জগদীশচন্দ্র বোস, মেঘনাথ সাহা, সত্যেন্দ্রনাথ বসু সহ আরো অনেক বিজ্ঞানী এই সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন। ২০১৯ সালের জুন মাস পর্যন্ত আট সহস্রাধিক গুণী ব্যক্তি এই সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে ১৭০৭ জন জীবিত রয়েছেন।

ফেলোশিপ অফ দ্য রয়েল সোসাইটি
Entrance to The Royal Society.jpg
লন্ডনের কার্লটন হাউস টেরেসে রয়েল সোসাইটির সদর দপ্তর
পৃষ্ঠপোষকরয়েল সোসাইটি
তারিখ১৬৬৩; ৩৫৮ বছর আগে (1663)
অবস্থানলন্ডন
দেশযুক্তরাজ্য
ফেলোর সংখ্যাআনুমানিক ৮,০০০[১] (১,৭০৭ জীবিত সদস্য)[২](জুন ২০১৯)
ওয়েবসাইটroyalsociety.org/fellows

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Anon (২০১৫)। "Fellowship of the Royal Society 1660-2015"। London: Royal Society। ২০১৫-১০-১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  2. "Fellows Directory - Royal Society"Royalsociety.org। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৯ 
  3. "About elections | Royal Society"royalsociety.org (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৯-১৮ 
  4. "Fellows keep Greenfield off Royal Society list"The Guardian। Thu 29 Apr 2004।  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)