আঘাতের প্রত্যুত্তরে প্রাণীদেহের স্বতঃস্ফুর্ত প্রতিক্রিয়ার নাম প্রদাহ। পুড়লে, কাটলে, ছড়লে, থ্যাতলালে প্রদাহ যেমন হতে পারে তেমনি পারে অত্যধিক শীত, গরম ও বিকিরণের ফলে। বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থও কোষকলাকে আহত করতে পারে, যেমন ক্ষার, অম্ল, ফেনল মারকিউরিক ক্লোরাইড। প্রদাহ হতে পারে জীবাণু ভাইরাস প্রটোজয়া দ্বারা সংক্রমণের ফলে, কৃমি অধ্যুষণের ফলে, অ্যালার্জির ফলে এবং কয়েক ধরনের স্ব-অনাক্রম্য রোগে। কোষকলা মরে গেলেও প্রদাহ হয় চারপাশে।

প্রদাহের পাঁচটি অতিপরিচিত ও প্রধান লক্ষণ হল তাপ, ব্যথা, লালভাব, ফুলে ওঠা ও কার্যক্ষমতা লোপ। চিত্রে একটি অতিপ্রতিক্রিয়ার (অ্যালার্জির) কারণে সৃষ্ট প্রদাহে এই লক্ষণগুলির কয়েকটিকে দেখা যাচ্ছে।

প্রদাহের পাঁচটি অতিপরিচিত লক্ষণ হল তাপ, ব্যথা, লালভাব, ফুলে ওঠা ও কার্যক্ষমতা লোপ। প্রদাহকে সহজাত অনাক্রম্য তন্ত্রের একটি প্রতিক্রিয়া হিসেবে গণ্য করা হয়। এর বিপরীতে অভিযোজনশীল অনাক্রম্য তন্ত্র নির্দিষ্ট জীবাণুর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট প্রতিক্রিয়া প্রদান করে থাকে।[১]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Abbas A.B.; Lichtman A.H. (২০০৯)। "Ch.2 Innate Immunity"। Saunders (Elsevier)। Basic Immunology. Functions and disorders of the immune system (3rd সংস্করণ)। আইএসবিএন 978-1-4160-4688-2