পিউনিক যুদ্ধসমূহ

প্রাচীন রোমকার্থেজের মধ্যে সংঘটিত তিনটি যুদ্ধকে একত্রে পিউনিক যুদ্ধ বলা হয়। পিউনিক কথাটি লাতিন পুনিকি শব্দ থেকে এসেছে। লাতিন ঐতিহাসিকেরা কার্থেজের অধিবাসীদের পুনিকি অর্থাৎ ফিনিসীয়দের উত্তরসূরী বলে ডাকতেন।

পিউনিক যুদ্ধগুলির মূল কারণ ছিল বিদ্যমান কার্থেজীয় সাম্রাজ্য এবং সম্প্রসারমান রোমান সাম্রাজ্যের মধ্যে অভিলাষের সংঘর্ষ (clash of interests)। প্রথমে রোমানেরা সিসিলি দ্বীপ দখলের মাধ্যমে তাদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারণ করতে চেয়েছিল। কিন্তু সিসিলির একাংশ ছিল কার্থেজীয়দের দখলে।

প্রথম পিউনিক যুদ্ধ যখন শুরু হয়, কার্থেজ ছিল ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান শক্তি। তাদের ছিল ভূমধ্যসাগরের উপকূল জুড়ে এক বিরাট সাম্রাজ্য। অন্যদিকে রোম ছিল ইতালীয় উপদ্বীপে দ্রুত উন্নয়নশীল শক্তি। দুই পক্ষের লক্ষ লক্ষ সৈন্যের মৃত্যুর পর যখন তৃতীয় পিউনিক যুদ্ধের অবসান হয়, রোম কার্থেজের সাম্রাজ্যের পূর্ণ দখল নেয়, এবং কার্থেজ শহর ধূলোয় মিশিয়ে দিয়ে পশ্চিম ভূমধ্যসাগরের প্রধানতম রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়। একই সময়ে রোম পূর্ব ভূমধ্যসাগরের ম্যাসিডোনীয় যুদ্ধ ও রোমান-সিরীয় যুদ্ধে বিজয় লাভ করে এবং প্রাচীন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী শহর হিসেবে আবির্ভূত হয়। কার্থেজের পতন ছিল ইতিহাসের একটি ক্রান্তিকাল। এর ফলে আধুনিক বিশ্বে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের উত্তরণ আফ্রিকার বদলে ইউরোপের হাত ধরে সম্পন্ন হয়।

পিউনিক যুদ্ধসমূহসম্পাদনা

খ্রিস্টপূর্ব ২৬৪ অব্দে কার্থেজ ছিল বর্তমান তিউনিসিয়ার উপকূলে অবস্থিত একটি শহর। শক্তিশালী এই নগর-রাষ্ট্রটির একটি বড় বাণিজ্যিক সাম্রাজ্য ছিল এবং পশ্চিম ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে রোম বাদে এটিই ছিল সবচেয়ে ক্ষমতাশালী রাষ্ট্র। কার্থেজের নৌশক্তি ছিল অপরাজেয়, তবে তাদের স্থলসৈন্যের শক্তি ছিল তুলনামূলকভাবে কম। স্থলপথে সেনার পরিবর্তে কার্থেজ অর্থের বিনিময়ে দস্যুদের যুদ্ধ করার জন্য ভাড়া করত। খ্রিস্টপূর্ব ৯ম শতাব্দীতে ফিনিসীয়রা কার্থেজ শহরের পত্তন করেছিল।

প্রথম পিউনিক যুদ্ধ (২৬৪ থেকে ২৪১ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)সম্পাদনা

দ্বিতীয় পিউনিক যুদ্ধ (২১৮ থেকে ২০১ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)সম্পাদনা

 
দ্বিতীয় পিউনিক যুদ্ধের শুরুতে রোম ও কার্থেজ সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি


তৃতীয় পিউনিক যুদ্ধ (১৪৯ থেকে ১৪৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)সম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা


আরও দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা