পশুপতি ভট্টাচার্য

পশুপতি ভট্টাচার্য (ইংরেজি: Pashupati Bhattacharyya) ( ১৫ নভেম্বর ১৮৯১ -  ২৭ জানুয়ারি ১৯৭৮ ) ছিলেন খ্যাতনামা চিকিৎসক ও সাহিত্যিক। [১]

সংক্ষিপ্ত জীবনীসম্পাদনা

পশুপতি ভট্টাচার্যের জন্ম তৎকালীন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত অধুনা বিহার রাজ্যে পিতার কর্মস্থল  আরায়।  তাদের পৈতৃক নিবাস ছিল অধুনা পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার নৈহাটিতে। পিতা আশুতোষ ভট্টাচার্য ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার। পশুপতি কলকাতার কারমাইকেল মেডিক্যাল কলেজ বর্তমানে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে এল.এম.এফ এবং স্কুল অব ট্রপিক্যাল মেডিসিন থেকে ডি.টি.এম ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর তিনি কিছু দিন ডা.বিধানচন্দ্র রায়ের সহকারী হিসাবে কাজ করেন। তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্নেহ ভাজন ছিলেন। চিকিৎসার পাশাপাশি চিকিৎসা সম্বন্ধীয় বিষয়ে গ্রন্থ ছাড়াও সাহিত্যকর্মে নিয়োজিত ছিলেন। বহু উপন্যাস ও ছোটগল্পের রচয়িতা তিনি। স্বাস্থ্য সম্পর্কে তাঁর রচিত পুস্তকগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-

  • 'আহার ও আচার্য'
  • 'ভারতীয় ব্যাধি ও চিকিৎসা'
  • 'ডাক্তারের দুনিয়া'
  • 'নিজের ডাক্তার নিজে'
  • 'সুস্থ জীবন প্রসঙ্গ'

অপরাপর গ্রন্থ গুলি হল-

  • 'অন্তরঙ্গ রবীন্দ্রনাথ'
  • 'অনির্বাণ শিখা'
  • 'ডাকের চিঠি'
  • 'কৃষ্ণদ্বীপের রাণী'
  • 'দেহ রক্ষণা'
  • 'স্বপ্নযমুনা'
  • 'দুই নৌকা'
  • 'পদব্রজ'
  • 'অস্তগামী চাঁদ'
  • 'মহাযোগী'

পশুপতি শ্রীঅরবিন্দের ভক্ত ছিলেন। শ্রীঅরবিন্দ ও শ্রীমা সম্পর্কেও বহু পুস্তক রচনা করেছেন।  "পরিচয়" পত্রিকার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সাহিত্যিক গিরিজাপতি ভট্টাচার্য ছিলেন তাঁর অনুজ। 

পশুপতি ভট্টাচার্য ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দের ২৭ শে জানুয়ারি প্রয়াত হন। 

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1.   সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত, সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, প্রথম খণ্ড, সাহিত্য সংসদ, কলকাতা, আগস্ট  ২০১৬ পৃষ্ঠা ৩৮৮, আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৯৫৫-১৩৫-৬