সমাহার বা সমষ্টি বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।[১] দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়।

তবে অনেক ব্যাকরণবিদ দ্বিগু সমাসকে কর্মধার‍য় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বৈয়াকরণ পাণিনি তার 'অষ্টাধ্যায়ী' ব্যাকরণে দ্বিগু সমাসকে অর্থ ও পদ সন্নিবেশের ভিত্তিতে তিন ভাগে ভাগ করেছেন। কখনো কখনো দ্বিগু সমাসকে তদ্বিতার্থক দ্বিগু ও সমাহার দ্বিগু – এই দুই ভাগেও ভাগ করা হয়।

উদাহরণসম্পাদনা

ত্রিকাল (তিন কালের সমাহার), চৌরাস্তা (চৌরাস্তার সমাহার), তেমাথা (তিন মাথার সমাহার), শতাব্দী (শত অব্দের সমাহার), পঞ্চবটী (পঞ্চবটের সমাহার), ত্রিপদী (ত্রি বা তিন পদের সমাহার), ত্রিফলা (ত্রি বা তিন ফলের সমাহার), নবরত্ন (নব বা নয় রত্নের সমাহার), তেপান্তর (তিন বা তে প্রান্তরের সমাহার), সপ্তাহ, পঞ্চনদ, পঞ্চভূত, ষড়ঋতু, দশ চক্র, অষ্টধাতু, সপ্তর্ষি, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, চতুরঙ্গ, ত্রিমোহিনী, ত্রিভুবন, চতুর্দশপদী, তেরনদী, সাতসমুদ্র ইত্যাদি।

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, শিক্ষাবর্ষ ২০১৬, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, ঢাকা, বাংলাদেশ