প্রধান মেনু খুলুন

দুঃখ সমুদয় বা দুঃখের কারণ বৌদ্ধ ধর্মের চতুরার্য সত্যের দ্বিতীয় সত্য।


দুঃখ সমুদয়
চীনা:
কোরীয়:
(RR: jib)
তিব্বতী:སྡུག་བསྔལ་ཀུན་འབྱུང་བ
(Wylie: sdug bsngal kun 'byung;
THL: dukngal kunjung
)
Glossary of Buddhism

চতুরার্য সত্যসম্পাদনা

চতুরার্য সত্যের দ্বিতীয় সত্য হল দুঃখ সমুদয় বা দুঃখের কারণ। গৌতম বুদ্ধ দুঃখের হেতু বা কারণ হিসেবে তৃষ্ণা বা আসক্তিকে উল্লেখ করেছেন।[১] অবিদ্যার কারণে বিশ্বের সকল প্রকারের ইন্দ্রিয়প্রিয় বস্তু বা বিষয়ের ওপর চিন্তা ও সম্বন্ধ স্থাপনে তৃষ্ণার জন্ম দেয়।[২][web ১][n ১] এই তৃষ্ণা তিন প্রকার:[২][৩][৪]

  • সম্ভোগতৃষ্ণা : যে বস্তু পার্থিব আনন্দ প্রদান করে, তার ওপর তৃষ্ণা
  • ভবতৃষ্ণা : পার্থিব সম্মান ও প্রভাব বিস্তারের ওপর তৃষ্ণা[৫]
  • বৈভবতৃষ্ণা : দুঃখ কষ্টের প্রতি বিতৃষ্ণা

অভিধর্ম পিটকসম্পাদনা

অভিধর্ম পিটক গ্রন্থে দুঃখের কারণ হিসেবে অবিদ্যাকে বোঝানো হয়েছে। চতুরার্য সত্যের অর্থ ও তাত্পর্য্যকে না জানা ও নিজেকে ও বাস্তবকে না বোঝাকে অবিদ্যা বলা হয়ে থাকে।[৬] অবিদ্যার কারণে ক্লেশের উদ্ভব হয়ে থাকে।[n ২] এই সূত্রে দুঃখের মূল কারণ রূপে ত্রিবিষের উল্লেখ করা যায়।[৭][৮] এই তিনটি বিষ হল- অবিদ্যা বা মোহ, রাগ এবং দ্বেষ

পাদটীকাসম্পাদনা

  1. থেরবাদ বৌদ্ধধর্মে চতুরার্য সত্যের ওপর লিখিত টীকাগুলিতে এই ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া যায়: উদহারণ Ajahn Sucitta (2010); Ajahn Sumedho (ebook); Rahula (1974); etc.
  2. থেরবাদমহাযান বৌদ্ধধর্মে চতুরার্য সত্যের ওপর লিখিত টীকাগুলিতে এই ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া যায়: উদহারণ Ringu Tulku (2005), p. 30; Chogyam Trunpa (2010); Thich Nhat Hahn (1999), p. 22.

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. দর্শন দিগদর্শন- রাহুল সাংকৃত্যায়ন, অনুবাদ ছন্দা চট্টোপাধ্যায়, প্রথম প্রকাশ জুলাই, সেপ্টেম্বর ১৯৮৮, চিরায়ত প্রকাশন প্রাইভেট লিমিটেড, ১২, বঙ্কিম চ্যাটার্জী স্ট্রীট, কলিকাতা - ৭৩
  2. Walpola Rahula 2007, loc. 791-809।
  3. Gethin 1998, পৃ. 70।
  4. Ajahn Sucitto 2010, Kindle loc. 943-946।
  5. Ajahn Sucitto 2010, Kindle loc. 966-979।
  6. Ajahn Sucitto 2010, Kindle loc. 1125-1132।
  7. Dalai Lama 1992, পৃ. 4,42।
  8. Ringu Tulku 2005, পৃ. 30।

ওয়েব তথ্যসূত্রসম্পাদনা

আরো পড়ুনসম্পাদনা

  • Ajahn Sumedho (২০০২), The Four Noble Truths, Amaravati Publications 
  • Ajahn Sucitto (২০১০), Turning the Wheel of Truth: Commentary on the Buddha's First Teaching, Shambhala 
  • Bhikkhu Bodhi (translator) (২০০০), The Connected Discourses of the Buddha: A New Translation of the Samyutta Nikaya, Boston: Wisdom Publications, আইএসবিএন 0-86171-331-1 
  • Bhikkhu Nanamoli (translator) (১৯৯৫), The Middle Length Discourses of the Buddha: A New Translation of the Majjhima Nikaya, Boston: Wisdom Publications, আইএসবিএন 0-86171-072-X 
  • Bhikkhu Thanissaro (translator) (১৯৯৭), Tittha Sutta: Sectarians (AN 3.61), সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-১১-১২ 
  • Brazier, David (২০০১), The Feeling Buddha, Robinson Publishing 
  • Chogyam Trungpa (২০০৯), The Truth of Suffering and the Path of Liberation (edited by Judy Leif), Shambhala 
  • Dalai Lama (১৯৯২), The Meaning of Life, translated and edited by Jeffrey Hopkins, Wisdom 
  • Duff, Tony (২০০৮), Contemplation by way of the Twelve Interdependent Arisings, Padma Karpo Translation Committee, ২০০৮-০১-২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা, সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৮-১৯ 
  • Epstein, Mark (২০০৪), Thoughts Without A Thinker: Psychotherapy from a Buddhist Perspective, Basic Books, Kindle Edition 
  • Feer, Leon (editor) (১৯৭৬), The Samyutta Nikaya, 5, London: Pali Text Society 
  • Geshe Tashi Tsering (২০০৬), Buddhist Psychology: The Foundation of Buddhist Thought, Perseus Books Group. Kindle Edition. 
  • Gethin, Rupert (১৯৯৮), Foundations of Buddhism, Oxford University Press 
  • Ringu Tulku (২০০৫), Daring Steps Toward Fearlessness: The Three Vehicles of Tibetan Buddhism, Snow Lion 
  • Thich Nhat Hanh (১৯৯৯), The Heart of the Buddha's Teaching, Three River Press 
  • Walpola Rahula (২০০৭), What the Buddha Taught, Grove Press. Kindle Edition.