তাস

এক বিশেষ ধরনের কাগজের খেলা
তাসের পাত্তি

তাস বিশেষত ভারি কাগজ, পাতলা পিচবোর্ড, প্লাস্টিক প্রলিপ্ত কাগজ বা পাতলা প্লাস্টিক দ্বারা নির্মিত কাগজের টুকরো বিশেষ যাতে আলাদা কতগুলো সতন্ত্র চিহ্ন অঙ্কিত থাকে এবং এগুলো তাসখেলায় ব্যবহৃত হয়। ব্যবহারের সুবিধার্থে তাসের আকার সাধারণত করতলের সমান রাখা হয়।

তাসের একটি সম্পূর্ণ সেটকে ইংরেজিতে প্যাক বা ডেক ও অন্যসব ভাষায় সেট বলে এবং খেলার সময় তাসের উপসেটকে সাধারণত হ্যান্ড বা হাত বলা হয়। তাসের একটি সেট বিভিন্ন রকমের খেলা খেলতে ব্যবহৃত হতে পারে, নানান রকম উপাদান দক্ষতা ও সুযোগ সহ, টাকার জন্যেও তাসের ব্যবহার হয় (যেমঃ কাসিনোতে জুজুব্লাকজ্যাক)। তাসের পাত্তি বিভ্রম সৃষ্টি, তাসের ঘর তৈরি, ভাগ্যগণনাস্মৃতি ক্রীড়া খেলা ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।

একটি সেটের প্রতিটি তাসের সম্মুখে (অথবা সোজা দিকে) আলাদা আলাদা চিহ্ন অঙ্কিত থাকে এবং খেলার নিয়ম অনুযায়ী সেগুলোর ব্যবহার নির্ধারণ করা হয়। একটি সেটের প্রতিটি তাসের উল্ট দিক অভিন্ন রাখা হয়, যাতে তাসটি কী চিহ্নের তা না বোঝা যায়। সাধারণত প্রত্যেক তাস মসৃণ হয়; তবে, অন্ধ মানুষদের জন্য সংখ্যা ও চিহ্নরূপ বুঝার সুবিধার্থে ব্রেইল ব্যবহার করা হয়।

উৎসর্গকৃত তাসখেলার জন্য আলাদা সেট থাকে যা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট খেলায় ব্যবহৃত হয়। এই নিবন্ধে বর্ণীত তাসগুলো বিভিন্ন খেলায় ব্যবহৃত হয় এবং সবগুলোরই সাধারণ উৎপত্তি মূল মামলুক মিসরের মান্য সেট থেকে। একটি সেট চার রকমের চিহ্নেরূপে (Suit) বিভক্ত, প্রত্যেক চিহ্নেরূপে তিনটি ফেস পাত্তি ও সাংখ্যিক পাত্তি অথবা পিপ পাত্তি থাকে।

ইতিহাসসম্পাদনা

প্রাথমিক ইতিহাসসম্পাদনা

 
তুরপানের কাছে প্রাপ্ত ৯.৫ ও ৩.৫ সেমি ক্ষেত্র যুক্ত, একটি চীনা লিপি ক্ষোদিত তাস, (১৪০০ খ্রিঃ) মিং রাজবংশ

পাণ্ডিত্যপূর্ণ ঐক্যমত্য যে তাসের উৎপত্তি সাম্রাজিক চীনে হয়েছিল।[১][২][৩] সেগুলো সর্বপ্রথম তাং রাজবংশের (৬১৮-৯০৭) সময় ৯ম শতাব্দীর প্রথম দিকে উদ্ভাবিত হয়েছিল।[৪][৫][৬]

পারস্য ও ভারতসম্পাদনা

 
পার্সিয়ান গানজাফা তাস

পারস্য দেশে তাসের আগমনকাল সম্পর্কে জানা যায় না। তবে হতে পারে সিল্ক রোড অথবা ১৩য় শতাব্দীকালে মোঙ্গলদের হাত ধরে পারস্যে তাসের আগমণ ঘটে। পার্শি তাসে, গানজেফা বা গানজাফা নামে পরিচিত, যেখানে আটপ্রকার চিহ্নরূপ (suit) বর্তমান। ১৬ শতাব্দীর প্রথমদিকে মুঘলগণ ভারতে তাসের আবির্ভাব ঘটান, তখন ভারতেও তাসকে গানজাফা বলা হত।

মিসরসম্পাদনা

ইউরোপে বিস্তার ও প্রাথমিক নকশা পরিবর্তনসম্পাদনা

পরবর্তীতে নকশা পরিবর্তনসম্পাদনা

আধুনিক উৎপাদনসম্পাদনা

আধুনিক সেটের বিন্যাসসম্পাদনা

ফরাসি চিহ্নরূপসম্পাদনা

জার্মান চিহ্নরূপসম্পাদনা

সুইস জার্মান চিহ্নরূপসম্পাদনা

ইতালীয় চিহ্নরূপসম্পাদনা

স্পেনীয় চিহ্নরূপসম্পাদনা

প্রবেশযোগ্য তাসসম্পাদনা

ইউনিকোড প্রতীকসম্পাদনা

29 Cards rules:

———29 কার্ডের খেলা——— ১। খেলোয়ার এবং কার্ডঃ টুয়েন্টি নাইন খেলতে চারজন বন্ধুর দরকার। দুজনের দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে খেলাটি খেলতে হবে। একি দলের দুজন মুখোমুখি বসতে হবে। এভাবে চারজন গোল হয়ে বসে খেলা শুরু করবেন।

২। ৫২টি কার্ড থেকে ৩২টি কার্ড ব্যাবহার করা হয় খেলার জন্যে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে ৮টি করে কার্ড নেয়া হয়। অর্থাৎ ডায়মন্ড, হার্টস, স্পেড এবং ক্লাবস এর গ্রুপে

J > 9 > A > 10 > K > Q > 8> 7 এ আটটি করে কার্ড খেলার জন্যে নেয়া হবে। এদের পাওয়ার উপরের ক্রমিক অনুসারে। বাকী কার্ডগুলর মদ্ধ্যে ২ থেকে ৫ পর্যন্ত কার্ড ট্রাম কার্ড ।
দেদেখানোর জন্যে ব্যাবহার করা হবে। এগুল স্তুপ করে মাঝখানে রেখে দিতে হবে। আর একটি করে রেড এবং ব্ল্যাক কালারের ৬ নম্বর কার্ডটি দুটি গ্রুপের স্কোর রাখার জন্যে ব্যাবহার হবে। অর্থাৎ ডায়মন্ড এবং ক্লাবস পাবে একটি গ্রুপ হার্টস এবং স্পেড পাবে অপর গ্রুপ।

৬ নং কার্ডদুটি ফেস টু ফেস করে ট্রাম কার্ড এর দুপাশে রেখে দিতে হবে। উল্লেখ্য ট্রাম কার্ডকে কালার কার্ড ও বলা হয়।

৩। খেলার লক্ষ্য হল পয়েন্ট কার্ডগুল জিতে নেয়া। এখন দেখে নেই কোন কার্ডের কত পয়েন্ট।

J =তিন পয়েন্ট

9 =দুই পয়েন্ট

A =এক পয়েন্ট 10 =এক পয়েন্ট

(কোন সেটে ট্রাম না থাকলে সর্বচ্চ পয়েন্ট দেয়া খেলোয়ার সেটটি জিতবেন। এক্ষেত্রে একই সেটের 7, J 10, এবং A এর মাঝে J পাবে।)

৪।

কল এবং খেলাঃ খেলাটি ঘড়ির কাটা অনুসারে খেলতে হবে। এর বিপরীতেও খেলা যায়। যে কোন একজন সাফল করবেন ৩২টি কার্ড। এবং তার ডানের খেলোয়ার তা কেটে দিবেন। এরপর চারটি করে কার্ড চারজনকে দিতে হবে। সেই কার্ড দেখে সাফল কারী খেলোয়ার কল করবেন। সর্বনিম্ন ১৬ বলে তিনি কল করতে পারেন। ধরা যাক বি এবং সি দুটি দল। বি দলের ১ম খেলোয়ার সাফল করেছিল। সে ১৬ কল করল। সি দলের ১ম খেলোয়ার কল নিতে চাইলে তাকে ১৭ বলে কল নিতে হবে। এখন বি দলের খেলোয়ার কল নিজের কাছে রাখতে চাইলে বলবেন “আছি”। অর্থাৎ ১৭তে তিনি কল রাখছেন। সি দল খেলাটি নিতে চাইলে এভাবে তাকে কল বাড়াতে হবে। ধরাযাক সি দলের ১ম খেলোয়ার কল বাড়াতে চাইছেন না। তাহলে তিনি পাস বলবেন। এখন বি দলের ২য় খেলোয়ার কল নিতে চাইলে ১৮ বলে কল নিতে পারেন। এক্ষেত্রে বি দলের ১ম খেলোয়ার আর কল রাখতে পারবেন না। তখন বি দলের ২য় খেলোয়ার এবং সি দলের ২য় খেলোয়ার এর মাঝে বিড হবে। সি দলের ২য় খেলোয়ার কল নিতে চাইলে তাকে ১৯ বিড করতে হবে। বি দলের ২য় খেলোয়ার ১৯ এ কল রাখতে চাইলে বলবেন আছি, আর না চাইলে পাস বলবেন। তখন সি দলের কাছে কল্ থাকবে। এখন বি দলের প্রথম খেলোয়ার কল নিতে চাইলে তাকে বিড বাড়াতে হবে। যে দলের কাছে কল থাকবে সে দলের খেলোয়ার আছি বলে তার কাছে কল রাখতে পারবেন। অন্যদল কল নিতে চাইলে তাকে অবশ্যই বিড বাড়াতে হবে। এভাবে বিড বাড়াতে বাড়াতে ২৯ পর্যন্ত যাওয়া যায়। সবাই পাস করে দিলে সর্বচ্চ বিডার খেলাটি পাবেন। এবং তিনি স্তুপকৃত (২থেকে ৫ পর্যন্ত কার্ডের) থেকে ট্রাম করবেন। তারপর নিম্নমুখি করে সবগুল কার্ডের নিচে রেখে দিবেন যাতে বাকী তিনজন দেখতে না পায়।

ডাবল রিডাবলঃ বিডের সময় গেমের পয়েন্ট থাকে ১। এখন কেউ এ পয়েন্টকে ২ অথবা চার করতে চাইলে ডাবল রিডাবল দিতে পারেন। প্রথম কল কারী ডাবল দিতে পারবেন না। ধরা যাক বি দলের ১ম খেলোয়ার ১৬ বলল। সি দলের খেলোয়ার বলতে পারেন ১৭ তে ডাবল। এখন ১ম খেলোয়ার চাইলে ১৭তে রিডাবল দিতে পারেন অথবা ডাবলে আছি বলে কল রাখতে পারেন। বি দলের প্রথম খেলোয়ার যদি পাস করে দেন। তাহলে সি দলের খেলোয়ার ১৮ বলে ডাবলকে সিঙ্গেল করে দিতে পারেন অথবা রিডাবল বলতে পারেন। এভাবে সর্বচ্চ বিডের খেলোয়ার কলটি পাবেন এবং ট্রাম বা কালার করবেন।রিডাবল ডাক যদি নো পিট হয় তবে ৫ (+) হবে।তুলতে না পারলে ৫(-) হবে।

ট্রাম এবং সেটঃ ট্রাম করার পর বাকী ১৬টি কার্ড চারজনের মধ্যে ভাগ করে দিতে হবে। এর পর কার্ড দেখে কোন খেলোয়ার যদি মনে করেন যে তিনি একাই বিপক্ষ দলের সব খেলোয়ারের সবগুল কার্ড নিতে পারবনে। তাহলে তিনি বলতে পারেন যে তিনি সেট খেলবেন। এক্ষেত্রে একই দলের অন্য খেলোয়ার তার ৮টি কার্ড নিম্নমুখি করে রেখে দিবেন। তখন ট্রাম কার্ডের কোন প্রয়োজন নেই। যিনি সেট খেলবেন তিনি সবার আগে দিবেন। বাকী দুজন তার কার্ড ফলো করবেন। একই সেটের সর্বচ্চ কার্ড যে দিবে। সে সি সেট জিতবে।

৫। খেলাঃ যিনি কার্ড দিবে তার পরের জন খেলা শুরু করবে। তারপর সবাই তা ফলো করবে। যদি কেউ কার্ড ফলো করতে না পারেন। তাহলে তাকে অবশ্যই ট্রাম দেখতে চাইতে হবে। ট্রাম দেখার সময় যদি কারো কাছে ট্রামের কিং এবং কুইন থাকে। তবে তিনি ম্যারেজ বলবেন। তাহলে তার দল চার পয়েন্ট সুবিধা পাবে। এক্ষেত্রে ম্যারেজ যদি কল যাদের কাছে রয়েছে, তারা পান। তাহলে বিপক্ষকে আরো চার পয়েন্ট বেশি তুলতে হবে। আর যদি কলকারী দলের বিপক্ষ দলের কাছে ম্যারেজ থাকে। তাহলে তাদের চার পয়েন্ট কম তুলতে হবে। ট্রাম দেখার সময় যদি ম্যারেজ বা পেয়ার এর কোন একটি না থাকে, তবে এ নিয়ম কার্যকরী হবে না। এবং ট্রাম দেখার পর কেউ যদি ভুলেও পেয়ার খেলে ফেলে তাহলেও তার দল ম্যারেজ বা পেয়ার এর সুবিধা হারাবেন। ট্রাম দেখার পর যে খেলোয়ার তা দেখতে চেয়েছিলেন। তিনি চাইলে ট্রাম করতেও পারেন অথবা অন্য যে কোন কার্ড দিতে পারেন। ট্রাম করতেই হবে এমন কোন কথা নেই। অনেকে এভাবেও খেলেন যে কেউ যদি সেট ফলো করতে না পারেন, তাহলে তিনি যে কোন কার্ড দিতে পারেন ট্রাম না দেখেই। কোন নিয়মে খেলা হবে তা শুরুতেই ঠিক করে নেয়া ভাল। ট্রাম অবশ্যই দেখতে হবে নাকি না দেখেও চলবে। এভাবে ৮টি কার্ড খেলা হয়ে গেলে স্কোর গুণতে হবে। ৬। স্কোরিং: ৮টি কার্ড খেলার পর দু দল তাদের যেতা সেট গুল থেকে পাওয়ার কার্ডগুল গুনবেন। ধরা যাক বি এবং সি দলের মধ্যে বি দল ১৯ এ খেলাটি নিতে পেরেছিল। তাহলে সি দলকে তুলতে হবে ১০। সি দল যদি তা তুলতে পারে। তাহলে বি দল হেরে যাবে। আর না পারলে সি দল হারবে। এভাবে বি দল যদি ২০ এ খেলা নিয়ে থাকে, তবে সি দলকে তুলতে হবে ৯। যে দল বেশি কলে খেলা নিবে, বিপক্ষকে তত কম তুলতে হবে। ৭।ডাবল ও রিডাবলঃ যে দলের কাছে কল থাকবে তারা যদি জিতে যায়, তবে তাদের কাছে থাকা ৬ নম্বর কার্ড এর লাল কার্ড এ এক প্লাস দেখান হবে। যদি তারা ডাবলে জিতে, তবে দুই প্লাস, আর যদি তারা রিডাবলে জিতে তাহলে চার প্লাস দেখান হবে। যদি কোন দল সেটে এ জয়ী হয়। তবে যে দলই কল নিয়ে থাকুক না কেন। জয়ী দল পাবে ছয় পয়েন্ট। আর কলে যেতা দল হেরে গেলে অনুরুপে কালো কার্ড থেকে এক, ডাবল এ দুই এবং রিডাবলে চার মাইনাস দেখাবে।এক্ষেত্রে যারা কালার করবে তারা ডাবল ও রিডাবল এর নো পিট দিলে যথাক্রমে ৩(+),৫(+) হবে।ডাক না উঠলে ৩(-),৫(-) হবে। ৮। সেভেন কার্ডঃ যদি কেউ মনে করেন যে তিনি বেশি ভাল কার্ড পাননি কিন্তু কলে জিতে গিয়েছেন। তিনি ইচ্ছা করলে সেভেন কার্ড এ ট্রাম বা কালার করতে পারেন। এক্ষেত্রে বিড জেতার পর বাকী চারটি কার্ড সবাইকে দেয়া হবে, শেষের চারটি কার্ডের মধ্যে থেকে মদ্ধ্যখানের দুটি কার্ড এর যে কোন একটি কার্ড নিয়ে তা দেখে বাদ হয়ে যাওয়া কার্ডগুল (২ থেকে ৫) এর স্তুপের নিচে রেখে দিবেন। ট্রাম দেখতে চাইবার পর সেখান থেকে সেই কার্ডটি তিনি সবাইকে দেখিয়ে তার হাতের কার্ডের সাথে যোগ করবেন।

৯।যারা কালার করবে তাদের ১৯ এ ম্যারিস লাগবে।বিপরীত দলের ম্যারিস লাগলে ৪(+) হবে।

১০। শুধু নো পিটে ডাক উঠলে ২(+),না উঠলে ২(-) হবে। খেলা বাতিলঃ  

১. পুরো খেলায় যদি কালার কার্ড দেখা না হয়।কমপক্ষে ২লিড আগে কালার না দেখলে।

২. বিডের বিপরীতে থাকা দল যদি প্রয়োজনীয় পয়েন্ট তুলে ফেলে।

৩. সব কার্ড খেলা হয়ে যায় অথচ ট্রাম বা কালার কার্ড দেখা হয়নি।

৪। বিডের বিপরীত দলের কাছে কোন পয়েন্ট যেমনঃJ,9,A,10 এর একটিও না থাকে।

৫।আটটি কার্ডের মধ্যে কোন পয়েন্ট না থাকে।
তাহলে খেলাটি বাতিল হবে।
এ হল মুটামুটি টুয়েন্টি কার্ড খেলার নিয়ম। বন্ধুরা মিলে খেলে দেখতে পারেন। তবে আনন্দের জন্যে খেলাই ভাল

হবে।

আরও পড়ুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Wilkinson, W.H. (১৮৯৫)। "Chinese Origin of Playing Cards"American AnthropologistVIII (1): 61–78। doi:10.1525/aa.1895.8.1.02a00070 
  2. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; needham 132 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  3. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; lo 2000 390 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  4. Needham 2004, পৃ. 131–132
  5. Needham 2004, পৃ. 328 "it is also now rather well-established that dominoes and playing-cards were originally Chinese developments from dice."
  6. Needham 2004, পৃ. 334 "Numbered dice, anciently widespread, were on a related line of development which gave rise to dominoes and playing-cards (+9th-century China)."

উদ্ধৃতি উৎসসম্পাদনা

  • Needham, Joseph (২০০৪), Science & Civilisation in China, V:1, Cambridge University Press, আইএসবিএন 0-521-05802-3 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

টেমপ্লেট:তাস