ড্রাগনফোর্স

ব্রিটিশ মেটাল ব্যান্ড

ড্রাগনফোর্স একটি ইংলিশ পাওয়ার মেটাল ব্যান্ড যা ১৯৯৯ সালে লন্ডনে গঠিত হয়। তারা মূলত পরিচিত তাদের দ্রুতলয়ের গিটার একক, ফ্যান্টাসি ভিত্তিক গানের কথা ও ইলেকট্রনিক শব্দ ইত্যাদির জন্য যা তাদেরকে রেট্রো ভিডিও গেম প্রভাবিত শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করে।

ড্রাগনফোর্স
Dragonforcelive.jpg
ড্রাগন ফোর্স ২০০৭ সালে মেলবোর্নে
প্রাথমিক তথ্য
আরো যে নামে
পরিচিত
ড্রাগন হার্ট
উদ্ভবলন্ডন, ইংল্যান্ড,
ধরনপাওয়ার মেটাল
কার্যকাল১৯৯৯-বর্তমান
লেবেলরোডরানার রেকর্ডস, ইউনিভার্সাল রেকর্ডস, নয়েজ রেকর্ডস
ওয়েবসাইটwww.dragonforce.com
সদস্যবৃন্দহারমান লি
সাম টটম্যান
ভাদিম প্রুজহানভ
ডেভ ম্যাকিনটোশ
ফ্রেদ্রিক লেকলার্ক

গঠনসম্পাদনা

১৯৯৯ সালে ড্রাগনফোর্স ব্যান্ডটি গঠিত হয় ড্রাগন হার্ট নামে গিটারিস্ট হারমান লি ও সাম টটম্যানের মাধ্যমে। তারা গায়ক জ়েপি. থিয়ার্টের খোঁজ পায় একটি বিজ্ঞাপণের মাধ্যমে। শীঘ্রই ব্যান্ডে যোগ দেয় ড্রামার মাতিজ সেতিঙ্ক, বেজিস্ট স্টিভ স্কট ও কি-বোর্ডিস্ট স্টিভ উইলিয়ামসকে। ২০০২ সালে তারা আরেকটি একই নামের ব্যান্ডের খোঁজ পায় ও নাম পরিবর্তন করে রাখে ড্রাগনফোর্স।

অ্যালবাম প্রকাশসম্পাদনা

ড্রাগনহার্ট ব্যান্ডটি ২০০০ সালে একটি ডেমো বের করে। এটি ছিল একটি মুক্ত প্রকাশনা যা যথেস্ট ছিল তাদেরকে ইংল্যান্ডের একটি স্বাধীন জনপ্রিয় পাওয়ার মেটাল ব্যান্ডে পরিণত করতে। তাদের ভ্যালি অব দ্যা ড্যামন্ড গানটি এমপিথ্রি ডট কমে টানা ২ সপ্তাহ ১ নাম্বার অবস্থানে থাকে সবচেয়ে বেশি ডাউনলোডেড গান হিসেবে। ২০০৩ সালে ব্যান্ডটি নয়েজ রেকর্ডসের সাথে তাদের প্রথম পূণার্ঙ্গ দৈর্ঘ্যের অ্যালবাম ভ্যালি অব দ্যা ড্যামন্ড বের করার জন্য চুক্তি করে ও রেকর্ডিং-এর কাজ শুরু করে। তাদের ভ্যালি অব দ্যা ড্যামন্ড সফর ২০০৪ সালের শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হয় যার শেষ হয় টোকিওতে। তাদের পরবর্তী অ্যালবাম সনিক ফায়ার স্টোর্ম আরও সফল হয়। এই অ্যালবামে ডেভ ম্যাকিনটোশ ড্রামে ও আড্রিয়ান ল্যাম্বার্ট বেজে অভিষিক্ত হয়।

জনপ্রিয়তাসম্পাদনা

২০০৪ সালে ম্যাকিনটোশ ড্রামে যোগ দেয়ার পরে ব্যান্ডটি এক্সট্রিম পাওয়ার মেটাল ধারার ব্যান্ড হিসেবে পরিচিতি পায়। কারণ তার দ্রুততাসম্পন্ন ব্ল্যাস্ট বীট ও ডাবল বেজ রিদম। এসময় তারা প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত হয়ে ওঠে ও ডাকনাম পায় বন জোভি অন স্পীড ও জার্নি মিটস স্লেয়ার। ২০০৬ সালে তারা মূলধারায় আসে রোডরানার রেকর্ডসের সাথে চুক্তি করার মাধ্যমে ও তাদের থার্ড অ্যালবাম ইনহিউম্যান র‍্যাম্পেজ প্রকাশ করার মাধ্যমে। ব্যান্ডটি ২০০৮ সালের সারা গ্রীষ্মে ডিস্টার্বডস্লিপনট ব্যান্ডের সাথে সফর করে রক্সস্টার এনার্জি মেটাল মেইহেম ফেস্টিভ্যালে। ব্যান্ডটি তাদের ৪র্থ অ্যালবাম আল্ট্রা বীটডাউন বের করে ও প্রথম গানটি “হিরোজ অব আওয়ার টাইম”-এর জন্য গ্রামি এ্যাডওয়ার্ডে বেস্ট মেটাল পারফরম্যান্সে মনোনয়ন লাভ করে।

ভাঙ্গনসম্পাদনা

গায়ক জ়েপি. থিয়ার্টের সাথে গিটারিস্ট হারমান লি-এর মতের মিল না হওয়ায় ব্যান্ডটি ভেঙ্গে যায় ২০১০ সালের মার্চ মাসে। সঙ্গীতের ব্যাপারে অনতিক্রম্য দুরত্বের কারণই প্রধান বলে জানা যায়। ১৩ই সেপ্টেম্বর ২০১০ সালে ব্যান্ডটি তাদের প্রথম লাইভ অ্যালবাম প্রকাশ করবে যার নাম হবে টুইলাইট ডিমেনশিয়া।

বিতর্কসম্পাদনা

লাইভ পরিবেশনায় কিছু বাজে কোয়ালিটির রেকর্ডিং-এর কারণে অভিযোগ ওঠে তারা সরাসরি এমন বাজাতে পারে না। তাই স্টুডিওতে যন্ত্রে মাধ্যমে তারা গান করে। তবে এ অভিযোগ চলে যায় যখন তারা পরে মঞ্চে গান পরিবেশন করে অ্যালবামের মতো একই গতিতে। গিটারিস্ট হারমান লি বলেনঃ “গ্রাস্পপ মেটাল মিটিং ২০০৬ ছিল একটি বাজে ঘটনা। সেখানে আমাদের টেকনিশিয়ান কোন প্রকার টিউন করে রাখেনি, এমন কি কোন ধরনের মনিটরিং-এর ব্যবস্থাও ছিল না। আমরা কিছুই শুনতে পাই নি......। “তিনি আরও বলেন যেঃ “ইনহিউম্যান র‍্যাম্পেজ সফর ছিল কারিগরি সমস্যার কারণে পুরোপুরি একটি বাজে ঘটনা।“

ডিস্কোগ্রাফিসম্পাদনা

  • ভ্যালি অব দ্যা ড্যামন্ড (২০০৩)
  • সনিক ফায়ার স্টোর্ম (২০০৪)
  • ইনহিউম্যান র‍্যাম্পেজ (২০০৬)
  • আল্ট্রা বীটডাউন (২০০৮)
  • টুইলাইট ডিমেনশিয়া (২০১০)

ব্যান্ড সদস্যসম্পাদনা

  • হারমান লি
  • সাম টটম্যান
  • ডেভ ম্যাকিনটোশ
  • ভাদিম প্রুজহানভ
  • ফ্রেদ্রিক লেকলার্ক

বহিঃসংযোগসম্পাদনা