ছাতা, ছত্র, ছত্রী, ছাতি, রোদ বা বৃষ্টি হতে মাথা বাঁচাবার জন্য প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে। পরে রংবেরঙের ছাতা কখনো ফ্যাসন কখনো মর্যাদার প্রতীক হিসাবেও বহুভাবে ব্যবহার হয়েছে ।

ছাতা হাতে শিশু
একটি ছাতার অংশ[১]
কাছ থেকে একটি ঐতিহ্যগত জাপানি ছাতা (higasa)

ছাতার বাঁটসম্পাদনা

 
বাংলাদেশের মাথাল সদৃশ বাঁটহীন ছাতা। ভিয়েনা ২০০৭।

হাতে ধরার দণ্ড। অনেক সময় হাতল ধরার বা ঝুলিয়ে রাখার সুবিধার্থে আঁকশির মত বাঁকা হয়। অনেক ক্ষেত্যে ছাতার বাঁট থাকে না, মাথায় সাঁটানো হয়।

ছাতার উপরের অংশসম্পাদনা

  • কাপড়ের ছাতা
  • তালপাতার ছাতা
  • কাঠের ছাতা

হিউয়েন সাঙ ইত্যাদি পরিব্রাজকদের পিঠে বাঁধা ছাতা

ভাঁজ করা ছাতাসম্পাদনা

ছত্রবাহকসম্পাদনা

রাজারাজড়াদের সঙ্গে তাদের মাথায় ছাতা ধরে ছত্রবাহক ঘুরত।

বিভিন্নদেশে ছাতাসম্পাদনা

বাংলাদেশসম্পাদনা

বাংলাদেশে আগে কাঠের বাট ও সুতি কাঁপড়ের এক ভাজের ছাতা বিক্রি হতো যা টেকসই। কিন্তু বর্তমানে চীন থেকে আমদানি করা ভাঁজ করা ছাতা বাংলাদেশের স্থানীয় মার্কার নামে বেশি বিক্রি হয়। ভাঁজ করা ছাতার মধ্যে শংকর, এটলাস, মুন, রহমান এর ছাতা বেশি বিক্রি হয়।

ব্যাঙের ছাতাসম্পাদনা

বেসিডিওমাইসেটস জাতীয় ছত্রাককে ব্যাঙের ছাতা বলা হয়, কারণ এরা দেখতে অনেকটা খোলা ছাতার মত লাগে।

সাহিত্যে ছাতাসম্পাদনা

কল্পবিজ্ঞানে ছাতা হতে পারে প্যারাশুট, নৌকা ইত্যদি।

শিল্পে ছাতাসম্পাদনা

আরোও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Parts of an Umbrella" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৪ জুলাই ২০১৭ তারিখে, Carver Umbrellas, February 28, 2007