চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট

চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট। ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট
চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট
চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট অফিসিয়াাল লোগো.png
অফিসিয়াল লোগো
নীতিবাক্যজ্ঞানের তরে এসো, সমৃদ্ধির তরে বেরিয়ে যাও।
ধরনসরকারি
স্থাপিত১৯৬২ (1962)
অধ্যক্ষইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রহিম
শিক্ষার্থীছেলে ৩৫০০, মেয়ে ৭০০
অবস্থান,
বাংলাদেশ

২২°২২′০৮″ উত্তর ৯১°৪৮′৪১″ পূর্ব / ২২.৩৬৮৮৩৩° উত্তর ৯১.৮১১৩৯১° পূর্ব / 22.368833; 91.811391স্থানাঙ্ক: ২২°২২′০৮″ উত্তর ৯১°৪৮′৪১″ পূর্ব / ২২.৩৬৮৮৩৩° উত্তর ৯১.৮১১৩৯১° পূর্ব / 22.368833; 91.811391
শিক্ষাঙ্গনশহুরে
ভাষাবাংলা
ওয়েবসাইটctgpoly.gov.bd
চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট লোগো.png

অবস্থানসম্পাদনা

চট্টগ্রাম শহরের নাসিরাবাদ এলাকায় প্রায় ৩৫ একর জমিতে এই প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।

বিবরণসম্পাদনা

প্রতিষ্ঠানটিতে দুইটি ছাত্রীনিবাস এবং পাঁচটি ছাত্রাবাসের ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও মূল একাডেমিক ভবনের সাথে সংযুক্ত আলাদা ভবনে মিলনায়তন ও গ্রন্থাগার রয়েছে। গ্রন্থাগারে প্রায় হাজারের অধিক বইয়ের সংগ্রহ আছে। পাশাপাশি শিক্ষক এবং কর্মচারীদের নিবাসের ব্যবস্থা আছে। বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কেন্দ্রীয়ভাবে দেশের সকল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটসমূহ পরিচালনা করে। একজন অধ্যক্ষের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উপাধ্যক্ষের সহযোগিতায় যাবতীয় একাডেমিক, প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়।

ইতিহাসসম্পাদনা

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের সময়ে ১৯৬২ সালে এই ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম থেকেই এটি ৭টি ডিপার্টমেন্ট নিয়ে পরিচালিত হওয়া শুরু হয়।

অনুষদসম্পাদনা

বর্তমানে চার বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিিনয়ারিং কোর্স চালু আছে। প্রত্যেক বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের আবশ্যিকভাবে পাঠ্য বাংলা,ইংরেজি,গণিত,পদার্থবিজ্ঞান,রসায়নবিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয়ে পাঠদানের জন্য একটি ননটেকনিক্যাল স্টাডিজ বিভাগ রয়েছে।এতে ৭ টি অনুষদ আছে

  1. সিভিল অনুষদ
  2. কম্পিউটার অনুষদ
  3. এনভায়রনমেন্টাল অনুষদ
  4. ইলেকট্রিক্যাল অনুষদ
  5. ইলেকট্রনিক্স অনুষদ
  6. ম্যাকানিক্যাল অনুষদ
  7. পাওয়ার অনুষদ

শিক্ষা পদ্ধতিসম্পাদনা

চার বছর মেয়াদে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং সহ মোট আটটি পর্বে এই কোর্স শেষ হয়। পর্ব সমাপনী পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে প্রতি পর্বে ৬৫% ছাত্র-ছাত্রী সরকারিভাবে বৃত্তি পেয়ে থাকে। বিশ্ব ব্যাংক গোষ্ঠী হতেও গরীব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান করে থাকে। আবার প্রতি বিভাগে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং চলাকালে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রী মাসিক ভাতা পায়।

সংগঠনসম্পাদনা

রাজনৈতিকসম্পাদনা

সাংস্কৃতিকসম্পাদনা

চিত্রশালাসম্পাদনা

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট