প্রধান মেনু খুলুন

পঞ্চম ইন্দোনেশীয়ান ক্রেটেক (লবঙ্গ সিগারেট) প্রস্তুতকারক ( জারুম ও গেলোরা জাজার মধ্যে) পিটি গুডাং গ্যারাম টিবিকে. (ইন্দোনেশিয়ান শব্দটির অর্থ হলো "লবণ গুদাম") . এটি ১৯৫৮ সালের ২৬ জুন জোয়া ইং উয়ির (Tjoa Ing Hwie) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। তার পরিবর্তিত নাম সুরিয়া ওনোউয়িজোজো। ১৯৮৪ সালে কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ তার সন্তান রাচমান হালিম নিকট হস্তান্তর করা হয়, যিনি পরবর্তিতে ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত (২০০৮ সাল) হালিম কোম্পানি নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন।

পরিচ্ছেদসমূহ

ইতিহাসসম্পাদনা

প্রারম্ভিক বছরসম্পাদনা

ওয়নওিজোজোর বয়স যখন কুড়ির দশকে তখন তার চাচার ক্রেটেক কারখানা 'ক্যাপ ৯৩' এ তাকে তামাক ও সসের কাজ দেওয়া হয়। পূর্ব জাভাতে 'ক্যাপ ৯৩' ছিলো ক্রেটেক পণ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম। সুরিয়ার নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের পুরষ্কারস্বরূপ তাকে তামাক এবং সসের প্রধান করা হয়, অবশেষে তিনি কোম্পানির পরিচালক পদে আধিষ্ঠিত হন। 

সুরিয়া তার সাথে ৫০ জন সহকর্মী নিয়ে ১৯৫৬ সালে 'ক্যাপ ৯৩' ত্যাগ করে। তিনি কেদিরিতে অবিলম্বে জমি ও কাঁচামাল কেনা কিনে ফেলেন। খুব দ্রুত নিজে ক্লবোট ক্রেটেক উৎপন্ন শুরু করেন ও ইংওয়ি নামে বাজারকরণ করেন। দুই বছর পরে তার নিবন্ধিত কোম্পানির পরিবর্তিত নাম হয় 'পাবরিক রোকোক জাপ গুডাং গ্যারাম' যেখান থেকে একজন কিংবদন্তির শুরু হয়।

গুডাং গ্যারাম খুব দ্রুতই বৃদ্ধি পায়। ১৯৫৮ এর শেষে কোম্পানির কর্মী সংখ্যা হয় ৫০০ যারা বছরে ৫০০০০০০০ ক্রেটেক উৎপন্ন করায় সক্ষম। মাত্র আট বছরে গুডাং গ্যারাম ইন্দোনেশিয়ার সর্ববৃহৎ ক্রেটেক কারখানা হয় যার বার্ষিক উৎপাদন ৪৭২ মিলিয়ন (৪৭২০লক্ষ)। ভোক্তাদের মতে গুডাং গ্যারামে বিশেষত ইংওয়িস এর ঘ্রাণ মদ্য পানীয়ের মতো। 

অন্যান্য আগ্রহসম্পাদনা

ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম পাচটি ব্যাডমিন্টন ক্লাবের একটি গুডাং গ্যারামের। সুর‍ইয়ানাগা গুডাং গ্যারাম জাওয়া তিমুরের (পূর্ব জাভা) রাজধানী সুরাবায়াকে কেন্দ্র করে।

প্রযোজনাসম্পাদনা

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গেমসম্পাদনা

গুডাং গ্যারাম কোকাকোলার সাথে মায়ানমারের ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল এবং ২০১৩ এ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গেমের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন. ২০০১ এ, গুডাং গ্যারাম সি (SEA) গেম, ইন্দোনেশিয়া তে পৃষ্ঠপোষকতা করে নি। কারণ ২০১১ সালের এই সি গেম-এ সিগারেটের উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করে প্রবিধান করা হয়

২০১৩ সালের মিয়ানামারে অনুষ্ঠিত সি গেম এ গুডাং গ্যারাম আবার পৃষ্ঠপোষকতা করতে চেয়েছিল।

শীতকালীন অলিম্পিক্সসম্পাদনা

সচি, রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত শীতকালীন অলিম্পিক্স এর ২০১০ এবং ২০১৪ এর অন্যতম প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলো গুডাং গ্যারাম এবং কোকা-কোলা। ২০১৪ সালে সচি, রাশিয়ার শীতকালীন খেলাতেও গুডাং গ্যারাম পৃষ্ঠপোষকতা করতে আগ্রহী।

ফুটবল ওয়ার্ল্ড কাপসম্পাদনা

১৯৫৮-১৯৬৬ এবং ২০১০-২০১৪ সালের ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলো গুডাং গ্যারাম। ২০১৪ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপেও গুডাং গ্যারাম পৃষ্ঠপোষকতায় আগ্রহী ছিল।