কনকর্ড (/ˈkɒŋkɔːrd/), হলো ব্রিটিশ-ফরাসি মালিকানাধীন টারবোজেট চালিত বিশ্বের দ্রুততম সুপারসনিক যাত্রীবাহী বিমান, যা ১৯৭৬ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত চালু ছিল। এর সর্বোচ্চ গতি ছিল শব্দের গতির প্রায় দ্বিগুণ অর্থাৎ ১৩৫৪ মাইল/ঘন্টা বা ২১৮০ কিমি/ঘন্টা। এটি ছিল বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত মাত্র দুটি সুপারসনিক পরিবহনের মধ্যে একটি, অন্যটি সোভিয়েত-নির্মিত টুপোলেভ টু - ১৪৪, যেটি ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে পরিচালিত হয়েছিল। [৪][৫]

কনকর্ড
১৯৮৬ সালে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ কনকর্ড
ভূমিকা সুপারসনিক এয়ারলাইনার
উৎস দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স
নির্মাতা
প্রথম উড্ডয়ণ ২ মার্চ ১৯৬৯
প্রবর্তন ২১ জানুয়ারি ১৯৭৬
অবসর ২৪ অক্টোবর ২০০৩ [১]
মুখ্য ব্যবহারকারী ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ
এয়ার ফ্রান্স
নির্মিত হচ্ছে ১৯৬৫-১৯৭৯
নির্মিত সংখ্যা ২০ (৬টি অবাণিজ্যিক বিমানসহ)[২][৩]

কনকর্ড ছিল ফ্রান্স এবং ব্রিটেনের যৌথ প্রকল্প। এটি ১৯৭৬ সালে যাত্রীবাহী ফ্লাইট শুরু করে। দুর্ভাগ্যবশত, কনকর্ড ফ্লাইট চিরতরে স্থল হয়ে যায় ২০০৩ সালের একটি বড় দুর্ঘটনার পর।

উন্নয়নসম্পাদনা

নকশাসম্পাদনা

অপারেটরসম্পাদনা

দুর্ঘটনা এবং ঘটনাসম্পাদনা

প্রদর্শনীতে বিমানসম্পাদনা

তুলনীয় বিমানসম্পাদনা

প্রভাবসম্পাদনা

স্পেসিফিকেশনসম্পাদনা

মিডিয়াতে উল্লেখযোগ্য উপস্থিতিসম্পাদনা

আরো দেখুনসম্পাদনা

বাহ্যিক লিঙ্কসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Lawless, Jill (২৬ অক্টোবর ২০০৩)। "Final Concorde flight lands at Heathrow"The Washington Post। Associated Press। 
  2. Towey 2007, পৃ. 359।
  3. "Ageing luxury jet"BBC News। ২৫ জুলাই ২০০০। 
  4. Gordon and Rigmant 2005
  5. Melik-Karamov [Мелик-Карамов], Vitaly [Виталий] (জানুয়ারি ২০০০)। "Life and Death of the Tu-144, [Жизнь и смерть самолёта Ту-144]"। No. 3। Flame [Огонёк]। ১৫ নভেম্বর ২০০০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা।