উমিয়া শহর গীর্জা

উমিয়া শহর গীর্জা (সুয়েডীয়: 'Umeå stads kyrka') হল সুইডেনের ভ্যানোর্টস্পার্কেন ও উমে নদীর উত্তর পাশের কেন্দ্রীয় উমিয়ার একটি গীর্জা। ১৮৯৪ সালে এর উদ্বোধন সম্পন্ন হয়।

উমিয়া শহর গীর্জা
Umeå stads kyrka.jpg
সেপ্টেম্বর ২০১০-এ উমিয়া শহর গীর্জা
লুয়া ত্রুটি মডিউল:মানচিত্রের_কাঠা এর 318 নং লাইনে: attempt to perform arithmetic on local 'lat_d' (a nil value)।
অবস্থানউমিয়া
দেশসুইডেন
মণ্ডলীসুইডেনের গীর্জা
ওয়েবসাইটsvenskakyrkan.se
ইতিহাস
প্রতিষ্ঠাকাল১৮৯৪; ১২৬ বছর আগে (1894) [১]
স্থাপত্য
স্থপতিফ্রেডরিক ওলাস লিন্ডস্ট্রম[২]
প্রশাসন
ধর্মপাল রাজ্যলুলিয়া-এর ডাইওসিজ

শহরের স্থপতি ফ্রেডরিক ওলাস লিন্ডস্ট্রম এর নকশা করেন এবং গীর্জাটি পাথরের ফাউন্ডেশনের পর ইট দিয়ে তৈরি হয়েছে। ১৮৯২ থেকে ১৮৯৪ সালের মধ্যে গীর্জাটি নির্মিত হয় এবং ঐ অঞ্চলে তিনটি গীর্জার প্রকল্পের মধ্যে একটি। এর তিনটি সংস্কার ভবনকে সত্যিকার চেহারায় ফিরিয়ে এনেছে।

ইতিহাসসম্পাদনা

 
উমিয়ার গীর্জার স্তম্ভ।

প্রথম সংস্কারসম্পাদনা

১৯২৯ সালে গীর্জার কাউন্সিল গীর্জার এক বড় ধরনের সংস্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ছিদ্রযুক্ত ছাদ, ছাদের উপর মুরালের পাশাপাশি অন্যান্যর ক্ষয় বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তাকে স্বীকার করে। এর আগে সামাণ্যকিছু সংস্কার কাজই করা হয়েছিল। এর অন্যতম একটি ইচ্ছা ছিল ১৮৯০ সালের গীর্জার স্থাপত্যের চিত্রটিকে ধ্বংস করে দেয়ার মাধ্যমে "এখন পর্যন্ত স্থাপত্যের সবচেয়ে কঠিন সময়ের অবক্ষয়"-এর প্রতিফলন করা।[৩] প্রাসাদের স্থপতি নাট নর্ডেনস্কজোল্ড গীর্জার তদন্ত করার জন্য নির্ধারিত হন এবং এই সংস্কারের জন্য প্রকল্প নির্ধারণ করেন যা ১৯৩০ সালে শেষ হয়। এর অন্যতম পরিকল্পনা ছিল অতিরিক্ত স্তম্ভ যোগ করা।[৪] ২৭শে ডিসেম্বর, ১৯৩৫ গীর্জার কাউন্সিল প্রাসাদের স্থাপত্যের প্রকল্প অনুমোদন করে। ১৭ই ডিসেম্বর গীর্জার কাজ শুরু হয়। এর গ্যালারী সম্প্রসারিত হয়, ভেন্টিলেশনের কাজ করা হয়, আভ্যন্তরীণ দরজার প্রবেশদ্বারের সাথে যুক্ত হয়; মেঝের কিছুটা অংশ চুনাপাথর স্ল্যাব দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয় এবং স্নিগ্ধ সাদা রঙ দিয়ে এর ভেতরের দিকটা রঙ করা হয়। ১৯৩৭ সালের আগমনীর প্রথম রবিবারেই এর কাজ শুরু করে এবং লুলিয়ার ডাইওসিজের বিশপ ওলোফ বার্গকিভিস্ট এর কাজে নিয়োজিত হয়।

সেতুর নির্মাণসম্পাদনা

১৯৭১ সালে ঠিক করা হয় যে ওস্ট্রা কিয়ের্কগাটান উমে নদীর ওপর দিয়ে আরো সম্প্রসারিত হবে এবং এটি কিয়ের্কব্রোন নামক নদীর ওপরকার তৃতীয় সেতু হিসেবে নির্মিত হবে। এসময় উক্ত অঞ্চলে একটি সমাধি উত্তোলিত হয়। সুইডীয় ফোর্নমিনেস্লাগেন অনুযায়ী ১৯৭২ সালের গ্রীষ্ম পর্যন্ত এর নির্মাণকাজ বন্ধ ছিল যতদিন না প্রত্নতাত্ত্বিকেরা ওখানের কাজ শেষ করেন। সমাধির সত্যিকার সীমানা অনির্ধারিত ছিল। এখান থেকে মোট ৪০টি সমাধি উত্তোলিত হয় এবং এর কোনপ্রকার মানচিত্র ছিল না। এখানে মোট ৬০টি কঙ্কাল পাওয়া যায়। এর শেষের সমাধিতে নাম পাওয়া যায়, যা ছিল গভর্নর পিয়েরে অ্যাডাম স্ট্রমবার্গের। কোন ফলক না পাওয়া গেলেও ধারণা করা হয় যে তারই পারিবারিক কবরস্থান ছিল এটি। সম্ভবত ১৮৮৭ সালের অগ্নিকাণ্ডে এটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং পরিবারের সকল নথিপত্র পুড়ে যায়। এর অবশিষ্টাংশ উদ্ধার ও পরীক্ষিত হওয়ার পরে সেগুলো প্লাস্টিকের ব্যাগে করে গীর্জায় নিয়ে আসা হয়। গীর্জার পরিচ্ছনতারক্ষক এগুলো কোনরূপ প্রকৃত অংশ যাচাইয়ের আগেই সেগুলোকে পুনরায় দাফন করেন এবং এর অল্পকাল পরেই তিনি মারা যান।[৫]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Umeå stadsförsamling। "Umeå stads kyrka" (Swedish ভাষায়)। Church of Sweden। ২ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১১ 
  2. "F O Lindström" (Swedish ভাষায়)। Västerbottens museum। ২৮ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১১ 
  3. Olofsson, Sven Ingemar (১৯৭২)। Umeå stads historia 1888-1972। Umeå Kommunfullmäktige। পৃষ্ঠা 616। 
  4. Lindholm, Simon (১৯৯৪)। Umeå stads kyrka 100 år: jubileumsskrift। পৃষ্ঠা 68। আইএসবিএন 91-630-3164-7 
  5. Rosén, Bo (১৯৯৭)। Pehr Adam Stromberg : omstridd landshövding i Västerbottens län under finska kriget 1808-1809। পৃষ্ঠা 142–145। আইএসবিএন 91-971050-9-0 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা