উইকিপিডিয়া:উইকিপ্রকল্প ইসলাম/কোথায় পাব তথ্যসূত্র?

কোথায় পাব তথ্যসূত্র?সম্পাদনা

তথ্যসূত্রের মাধ্যমে উইকিপিডিয়ায় প্রদান করার তথ্যের সত্যতা ও নির্ভরযোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়, তাই এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সংক্ষেপে এটা হলোঃ নিবন্ধে আপনি যেই তথ্যই যুক্ত করুন না কেন, তা যেন 'নিরপেক্ষ তৃতীয় উৎস' দ্বারা যাচাইযোগ্য হয় (বই, জার্নাল ও সংবাদপত্রের ক্ষেত্রে পৃষ্ঠা নাম্বার উল্লেখ করবেন। নিচের উদাহরণ টি দেখুন )

উইকি'তে 'কুরআন' ও 'হাদিস' কে প্রাথমিক উৎস হিসেবে ধরা হয়। তবে কোন একটি নির্দিষ্ট মত, দৃষ্টিভঙ্গীকে তুলে ধরার জন্য তথ্যসূত্র হিসেবে এগুলো ব্যবহার করবেন না। শুধুমাত্র বিশ্বাসযোগ্য, যাচাইযোগ্য দ্বিতীয় উৎস খুঁজে পেলে তবেই এগুলো অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত করতে পারেন। প্রথমে বই,জার্নাল,সংবাদপত্র, গবেষনামূলক প্রবন্ধ/নিবন্ধ ও অন্যান্য উৎস থেকে তথ্যসূত্র খুঁজে বের করুন।

ইন্টারনেট/ওয়েবে প্রকাশিত বেশীরভাগ তথ্যকেই বাংলা উইকিতে 'অনির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র' হিসেবে ধরা হয়। তবে, islamic-awareness.org এর তথ্যসমূহ'কে তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। নিম্নে ২ টি উদাহরণ দেয়া হল যা ইতিপূর্বে 'ইসলাম' নিবন্ধে ব্যাবহৃত হয়েছে। ১টি বইয়ের 'তথ্যসূত্র' ও ১টি 'টীকা'।

সালাম ও সাল্.ম উভয় শব্দেরই অর্থ হল আনুগত্য, আত্নসমর্পন ও হুকুম পালন। অর্থগুলোর মধ্যে 'পবিত্র ও দোষ- ত্রুটিমুক্ত হওয়া' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এই শব্দমূল হতে (ক্রিয়াপদে/ফে'ল) (أَسْلَمَ) আসলামা, ইসলাম গ্রহণ করল ও ক্রিয়াবিশেষ্য (إِسْلَام) ইসলাম, আত্নসমর্পন এবং কতৃকারকে (يُسْلِمُ৷) য়ুস্.লিমু, ইসলাম গ্রহণকারী শব্দতিনটির উৎপত্তি হয়েছে।[১] [টীকা ১]

তথ্যসূত্র অংশটিঃ <ref name=":1">{{বই উদ্ধৃতি|শিরোনাম=সংক্ষিপ্ত ইসলামী বিশ্বকোষ, ১ম খন্ড|শেষাংশ=সম্পাদনা পরিষদ|প্রথমাংশ=ইসলামী বিশ্বকোষ|বছর=২০০৭|প্রকাশক=ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ|অবস্থান=বাইতুল মোকাররম, ঢাকা|পাতাসমূহ=১৯২ নং পৃষ্ঠা |আইএসবিএন=984-06-0252-7}}</ref>

টীকা অংশটিঃ <ref group= টীকা>আরবীতে ক্রিয়ার রুপ ও ব্যাবহার বাংলা/ইংরেজি ব্যাকরন হতে মৌলিকভাবে আলাদা</ref>

ইসলাম সম্পর্কিত নিবন্ধের ক্ষেত্রে তথ্যসূত্র কোথায় পাবেন সে সম্পর্কিত কিছু পরামর্শ নিম্নে দেয়া হল।

বিশ্বকোষ, অভিধান ও জার্নালসম্পাদনা

নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য সবচেয়ে সহায়ক হতে পারে বাংলা ভাষায় লেখা বিশ্বকোষগুলী। এগুলোর নির্ভরযোগ্যতা যেহেতু অন্য যেকোনো গ্রন্থের চেয়ে বেশী হয়ে থাকে, তাই নিশ্চিন্তে তথ্যসূত্র হিসেবে এগুলো ব্যবহার করতে পারেন (পৃষ্ঠা নাম্বার উল্লেখ করবেন)। আর যেহেতু উইকি নিজেও একটি বিশ্বকোষ, সেকারনে বলতে গেলে কোন ভাষা পরিবর্তন না করেই; সেসব তথ্য দিয়েই উইকিতে লিখতে বা নিবন্ধ সম্প্রসারণ করতে পারবেন।

এর মধ্যে ইসলামিক ফাউণ্ডেশন থেকে প্রকাশিত ২৬ খন্ডের'ইসলামি বিশ্বকোষ' গ্রন্থটি অন্যতম। এতে সাহাবী (রাঃ) সমন্ধে ২৬৪৪ টি সহ সর্বমোট ১৩,১৯২টি নিবন্ধ রয়েছে (অ- ঁ)। এছাড়াও ২ খন্ডের 'সংক্ষিপ্ত ইসলামি বিশ্বকোষ' ও রয়েছে। আপনি চাইলে এটা সহজেই সংগ্রহ করতে পারবেন।

একই নিয়মে Brill Publishers থেকে প্রকাশিত ইংরেজি ভাষার 'Encyclopedia of Islam' এর'ও সহায়তা নিতে পারেন।

একইভাবে পাকিস্তানের 'পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়' থেকে প্রকাশিত ২৫ খন্ডের, উর্দু (Da’ira Ma’arif-i-Islamiya) اردو دائرہ معارف اسلامیہ এরও সহায়তা নিতে পারেন।

'ইসলামিক ফাউণ্ডেশন' ও 'Darussalam Publications' থেকে থেকে অনেকগুলো গবেষনামূলক প্রামান্যগ্রন্থ বের হয়েছে। তথ্যসূত্র দেয়ার জন্য এগুলো বেশ নির্ভরযোগ্য।

এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে প্রকাশিত ১৪ খন্ডের "বাংলাপিডিয়া" বিশ্বকোষেও ইসলাম সম্পর্কিত কিছু তথ্য পাবেন।

বিশ্বাস, আদর্শ ও মতবাদ সম্পর্কিতসম্পাদনা

(আকিদা, তাওহীদ, ফেরেশতা, আসমানি কিতাব, নবী রাসূল, পুনরুত্থান, পরকালবিদ্যা/আখিরাত, তাকদীর )

সীরাত ও নবী রাসূল সম্পর্কিতসম্পাদনা

মুহাম্মদ (সাঃ) ও নবী রাসূলগণ সম্পর্কিত বিষয়ে লিখতে বা তথ্যসূত্র দিতে এই নির্ভরযোগ্য গ্রন্থগুলোর সহায়তা নিতে পারেন। এর মধ্যে, ইসলামিক ফাউণ্ডেশন থেকে প্রকাশিত ১৫ খন্ডের 'সীরাত বিশ্বকোষ' গ্রন্থটি অন্যতম। এছাড়াও,

Darussalam Publications থেকে ২০১২ সালে প্রকাশিত ১১ খন্ডের 'Encyclopedia of Seerah', ইংরেজি ভাষায় সীরাত সম্পর্কিত অন্যতম নির্ভরযোগ্য একটি বিশ্বকোষ। সৌদি'র এই প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোগে গবেষক, স্কলার ও উলামায়ে কেরামের একটি সমন্বিত বোর্ড এটি রচনা করেছেন।

পরবর্তীতে এটি ২০১৯ সালে 'মাকতাবাতুল আজহার' প্রকাশনী হতে 'সীরাত বিশ্বকোষ' (১-১১ খণ্ড) নামে অনুদিত হয়েছে। নবী (সাঃ) এর জীবনের ঘটনাবলীর বিস্তারিত আলোচনা এবং সম্পর্কিত ছবি, মানচিত্র এখানে রয়েছে। মোট পৃষ্ঠাসংখ্যা ৬৬৫৬। অনুবাদকগণ হলেন, [১ম খণ্ড] আবদুল্লাহ আল ফারুক, [২য় খণ্ড] ড. মাওলানা ইমতিয়াহ আহমদ (Imtiaj Ahmad),[৩য় খণ্ড] মাওলানা রাশিদুল হক রহিমাহুল্লাহ, [৩য় এবং ৪র্থ খণ্ড] মুহাম্মাদ রাইহান খাইরুল্লাহ (Raihan Khairullah), [৫ম খণ্ড] আবদুল কাইয়ুম শেখ (Abdul Quaium Shekh), [৬ষ্ঠ খণ্ড] মাওলানা মুফতী মাযহারুল ইসলাম ওসমান কাসেমী, [৭ম খণ্ড] মাওলানা নুরুজ্জামান নাহিদ (Nuruzzaman Nahid), [৮ম খণ্ড] কাজী আবুল কালাম সিদ্দীক (Kazi Abul Kalam Shiddique), [৯ম খণ্ড] মুহাম্মাদ হাবীবুল্লাহ (Mohammad Habibollah), [১০ম খণ্ড] মাওলানা আযীযুল হক, [১১ শ খণ্ড] মুফতী আবু নাঈম মুহাম্মদ সাজিদ।

সাহাবা ও তাবি'ঈ-তাবি'ঈন সম্পর্কিতসম্পাদনা

Darussalam Publications থেকে প্রকাশিত Dr. Ali Muhammad al-Sallabi রচিত এই ইংরেজি ভাষার গ্রন্থগুলি নির্ভরযোগ্য। Abu Bakr As-Siddeeq- His Life & Times, Umar Ibn Al-khattab : His Life and Times (vol 1 & 2), Uthman Ibn 'Affan (Dhun-Noorayn), Ali Ibn Abi Talib ( Vol 1 & 2), Salah ad-Deen al-Ayubi (vol 1-3)

পরবর্তীতে সাহাবা সম্পর্কিত (খলিফায়ে রাশেদিন) এই গ্রন্থগুলো (২০১৫-২০১৯ সালে) 'মাকতাবাতুল ফুরকান' প্রকাশনী হতে ৯ খন্ডে অনুদিত হয়েছে।

  • জীবন ও কর্ম: আবু বকর আস-সিদ্দীক (রাঃ) (১-২ খন্ড), অনুবাদঃ মুহাম্মদ আদম আলী,সম্পাদনাঃমাওলানা মুহাম্মাদ আবু বকর।
  • জীবন ও কর্ম: উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) (১-২ খন্ড),অনুবাদঃউম্মে মুহাম্মাদ আমিনাহ আস সামি,সম্পাদনাঃমাওলানা জাবির মুহাম্মদ হাবীব।
  • জীবন ও কর্ম : উসমান ইবনে আফফান (রাঃ) (১-২ খন্ড),অনুবাদঃ মুহাম্মদ আদম আলী,সম্পাদনাঃমাওলানা মুহাম্মাদ আবু বকর।
  • জীবন ও কর্ম আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ)(১-৩ খন্ড),অনুবাদঃমুফতী ফজলুদ্দীন শিবলী, মুহাম্মদ আদম আলী, সম্পাদনাঃমুহাম্মদ আদম আলী।

'আসহাবে রাসূলের জীবনকথা' (১-৬ খন্ড) একটি নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ। 'বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার' থেকে প্রকাশিত এই গ্রন্থটির লেখক হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযয়ের আরবী বিভাগের চেয়ারম্যান, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুল মা’বুদ। এর প্রথম খন্ডে ৩০ জন, দ্বিতীয় খন্ডে ৬২ জন, তৃতীয় খন্ডে ২০ জন, চতুর্থ খন্ডে ৩৯ জন, পঞ্চম খন্ডে ১১জন (রাসূলের স্ত্রীগণ), ষষ্ঠ খন্ডে ৩৬জন (নারী সাহাবী) সাহাবীর জীবনী স্থান পেয়েছে।

ওলি-আউলিয়া,পন্ডিত ও ব্যক্তিত্ব সম্পর্কিতসম্পাদনা

তায্‌কেরাতুল আওলিয়া (১-৬ খণ্ড একত্রে),by মাওলানা নূরুর রহমান

সুন্নাহ ও হাদীসশাস্ত্র সম্পর্কিতসম্পাদনা

তথ্যসূত্র দেয়ার ক্ষেত্রে ব্যাখ্যাগ্রন্থগুলো'কেই ব্যবহার করা উচিত যেহেতু বিশ্বকোষ/উইকিপিডিয়াতে 'কুরআন' ও 'হাদীস' কে প্রাথমিক উৎস হিসেবে ধরা হয়। হাদীস সম্পর্কিত নিবন্ধ ও বিষয়গুলোতে তথ্যসূত্র দেয়ার জন্য আরবি ভাষায়, সহীহ বুখারী ( صحيح البخاري‎‎) গ্রন্থটি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য। সংকলকঃ আবু’আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল (ইমাম বুখারী)। এটি 'কুতুব আল-সিত্তাহ' এর অন্তর্ভুক্ত এবং কুরআনের পর সবচাইতে প্রামাণ্য গ্রন্থ হিসেবে ধরা হয়।

এর পরিপূর্ন নির্ভরযোগ্য ইংরেজি অনুবাদ বের হয় ২০১৯ সালে 'Encyclopedia of Sahih Al-Bukhari' নামে। সম্পূর্ণ সনদ ও ব্যাক্ষা সহ (ISBN: 9780359672653)।

বুখারীর বহু ব্যাখ্যাগ্রন্থ লেখা হয়েছে বহু ভাষায় তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্যটি হল ইবনে হাজার আল-আসকালানী রচিত 'ফাতহুল বারী'। বাংলা ভাষায় ব্যাখ্যাগ্রন্থের মধ্যে আছে, সহজ নসরুল বারী: শরহে সহীহ্‌ বুখারী (১- ১৩ খন্ড)। এতে অর্থ ও হাদীসগুলোর ব্যাখ্যা সন্নিবেশিত করা হয়েছে। ২০১৭ সালে 'আল কাউসার প্রকাশনি' থেকে প্রকাশিত এই অনুবাদগ্রন্থটির (Nasr Ul Bari) মূল লেখক, মাওলানা উসমান গনী (রঃ) (শাইখুল হাদীস, মাদরাসা মাজাহিরুল উলূম সাহারানপুর) । অনুবাদঃ মাওলানা হাবীবুর রহমান হবীগঞ্জী (মুহাদ্দিস, জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম দেউলগ্রাম, সিলেট) এবং সম্পাদনাঃ হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান (শাইখুল হাদীস, মাদরাসা দারুর রাশাদ, ঢাকা)।

আরবি ও ইসলাম শিক্ষা সম্পর্কিতসম্পাদনা

কুরআন ও তাফসীরশাস্ত্র সম্পর্কিতসম্পাদনা

তথ্যসূত্র দেয়ার ক্ষেত্রে ব্যাখ্যাগ্রন্থগুলো'কেই ব্যবহার করা উচিত যেহেতু বিশ্বকোষ/উইকিপিডিয়াতে 'কুরআন' ও 'হাদীস' কে প্রাথমিক উৎস হিসেবে ধরা হয়। আয়াত, কুর'আনের ব্যাখ্যা ও তাফসীর সম্পর্কিত বিষয়ে তথ্যসূত্র দেয়ার জন্য আরবি ভাষায় 'তাফসীর ইবনে কাসীর' ( تفسير ابن کثير) (Tafseer al-Qurʾān al-ʿAẓeem) গ্রন্থটি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও প্রামাণ্য। মুফাসসির, মুহাদ্দিস, ফকিহ, ইতিহাসবিদ ইসমাঈল ইবন উমর ইবন কাসীর ইবন দূ ইবন কাসীর ইবন দিরা আল-কুরায়শী (ইবনে কাসির, ibn Kaṯīr) এ গ্রন্থটির তাফসীরকারক (ব্যাখ্যাকারী)।

ইংরেজি ভাষায় Darussalam Publication থেকে এটি ১০ খন্ডে অনূদীত / প্রকাশ হয়েছে, (ISBN : 9781591440208)।

পরবর্তীতে এটি বাংলা ভাষায় 'তাওহীদ পাবলিকেশন্স' ও 'ইসলামিক ফাউন্ডেশন' থেকে অনূদীত / প্রকাশ হয়েছে। এখানে 'তাওহীদ পাবলিকেশন্স'এর টির প্রতি পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

এটি 'তাফসীর ইবনে কাসীর'[১-১৮ খণ্ড,মোট ৯টি বই] নামে প্রকাশিত হয়েছে। অনুবাদঃ ড. মুহাম্মাদ মুজীবুর রহমান, সম্পাদনাঃ সম্পাদনা পরিষদ, তাওহীদ পাবলিকেশন্স

[তথ্য ও উপাত্ত সংযোজনঃ ইউসুফ ইয়াসীন। নিরীক্ষন ও সংশোধনঃ মোঃ মোফাজ্জল হোসেন ; কামিল (তাফসীর) ; এম.এ. (আরবী) ; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, লিসান্স (শারী'আহ), মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়, সৌদী আরব, সহ-অধ্যক্ষ, মাদরাসা মুহাম্মাদীয়া আরাবীয়া, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা। পুনঃ নিরীক্ষণ / পর্যালোচনাঃ প্রফ. ড. মুহাম্মদ মুজীবুর রাহমান; প্রাক্তন প্রফেসর ও চেয়ারম্যানঃ আরবী ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ; প্রাক্তন পরিচালক, উচ্চতর ইসলামিক শিক্ষা কেন্দ্র, যুক্তরাষ্ট্র। সমন্বয়কারীঃ মোঃ আবদুল ওয়াহেদ ]

এরপর আর'ও দীর্ঘ সময় নিয়ে গবেষণা ও তাহকীক, তাখরীজ ও রিজালশাস্ত্র নিয়ে কাজ করার পর এটিকে 'তাওহীদ পাবলিকেশন্স' থেকে ' তাহিকীক তাফসীর ইবনু কাসীর’ নামে প্রকাশ করা হচ্ছে যার ৩ টি খন্ড ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। অনুবাদ ও সম্পাদনাঃ তাওহীদ পাবলিকেশন্স অনুবাদ ও গবেষণা বিভাগ। [ অনুবাদ ও গবেষণা বিভাগঃ শাইখ আসাদুল্লাহ মাদানী। ড. আব্দুল্লাহ ফারুক ,শাইখ আকমাল হুসাইন বিন বাদীউযযামান, অধ্যাপক মোহাম্মাদ মোজাম্মেল হক, শাইখ মুহাম্মাদ আলী গোদাগাড়ী, শাইখ আল আমীন বিন ইউসুফ। ]

'ইসলামিক ফাউন্ডেশন' থেকে এটি 'তাফসীরে ইবনে কাছীর' [১-১১ খণ্ড, ৭ম সংস্করণ ২০১৭] নামে অনূদীত / প্রকাশ হয়েছে। অনুবাদঃ অধ্যাপক মাওলানা আখতার ফারূক ।


"আল-কুরআনের বিষয়ভিত্তিক আয়াত" (৪ খণ্ড)

বিধি-বিধান ও আইনশাস্ত্র সম্পর্কিতসম্পাদনা

"ফাতাওয়া ও মাসাইল" (৬ খণ্ড)

(শরিয়াহ,মাসআলা-মাসায়েল, ফতোয়া ইত্যাদি)


শাসনব্যবস্থা ও রাজনীতি সম্পর্কিতসম্পাদনা

অর্থনীতিসম্পাদনা

"আল-কুরআনে অর্থনীতি" (২ খন্ড)

দর্শন,আধ্যাতিকতা ও সুফিবাদসম্পাদনা

ধর্মপ্রচার,দাওয়াহ ও তাবলীগসম্পাদনা

জীবনব্যবস্থা,চরিত্র ও নৈতিকতাসম্পাদনা

(ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনবিধান)

বিজ্ঞান ও ইতিহাস সম্পর্কিতসম্পাদনা

ইসলাম ও ইতিহাস সম্পর্কিত বিষয়ে তথ্যসূত্র দেয়ার জন্য আরবি ভাষায় ১৪ খন্ডের 'আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া' (Al-Bidāya wa-n-Nihāya) (البداية والنهاية) গ্রন্থটি নির্ভরযোগ্য। ইতিহাসবিদ, মুফাচ্ছির আবুল ফিদা হাফিজ ইব্‌ন কাসীর আদ-দামেশ্‌কী (ابن كثير) লিখিত এ গ্রন্থটি ৩টি অংশে বিভক্ত।

প্রথম ভাগ: আরশ, কুরসী, ভুমন্ডল, নভোমন্ডল ও এর অন্তর্ভুক্ত প্রায় সব তথা ফেরেশতা, জিন, শয়তান, আদম -এর সৃষ্টি, যুগে যুগে আবির্ভূত নবী-রাসুলগণের ঘটনা, বনী ইসরাঈল, ইসলাম-পূর্ব যুগের রচনাবলী এবং মুহাম্মাদ (সা)-এর জীবন-চরিত এর আলোচনা।

দ্বিতীয় ভাগ : মুহাম্মদ (সা) এর মৃত্যুর পর থেকে ৭৬৮ হিজরী সাল পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনা এবং মনীষীদের জীবনী নিয়ে আলোচনা।

তৃতীয়ভাগ : ফিতনা-ফাসাদ, যুদ্ধ-বিগ্রহ, কিয়ামতের আলামত, নাশর-নশর, জান্নাত-জাহান্নামের বিবরণ ইত্যাদি।

ইংরেজি ভাষায় Darussalam Publication এখন পর্যন্ত এর ৮ টি খন্ড অনূদীত / প্রকাশ হয়েছে Al-Bidayah wan Nihayah (The Beginning and The End) নামে। ISBN: 978-9694284934।

বাংলা ভাষায় 'ইসলামিক ফাউন্ডেশন' থেকে এটি ; আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া (ইসলামের ইতিহাস : আদি-অন্ত) (১-১০ খন্ড) [৩য় সংস্করণ ২০১৩], নামে প্রকাশিত হয়েছে। অনুবাদ ও সম্পাদনাঃ অনুবাদ ও সংকলন বিভাগ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন।


কুরআন, তাফসীর, ও মাসআলা সম্পর্কিত

"আল-কুরআনুল কারীম সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ" (৬ খন্ড),


হাদিসশাস্ত্র ও সাহাবা সম্পর্কিত

ইতিহাস সম্পর্কিত

গোষ্ঠী, দল ও আন্দোলন

অনুবাদ ও ওয়েব সম্পর্কিত referenceworks.brillonline.com/browse/encyclopaedia-of-islam-3, referenceworks.brillonline.com/browse/encyclopaedia-of-islam-2

টীকাসম্পাদনা

  1. আরবীতে ক্রিয়ার রুপ ও ব্যাবহার বাংলা/ইংরেজি ব্যাকরন হতে মৌলিকভাবে আলাদা

তথ্যসম্ভারসম্পাদনা

কিভাবে ভাল উৎস অনুসন্ধান করতে হয়সম্পাদনা

সাধারণ টিপসসম্পাদনা

  •  
    এনসাইক্লোপিডিয়া অব ইসলাম (দ্বিতীয় সংস্করণ)
    এনসাইক্লোপিডিয়া অব ইসলাম এবং এনসাইক্লোপিডিয়া অব দ্যা কুরআন বিশ্বকোষ দুটি খুবই উত্তম মানসম্পন্ন পাণ্ডিত্যপূর্ণ  তথ্যসম্ভার এবং একজন ব্যাক্তি চাইলে প্রায় সবকিছুর তথ্যই এখানে পেতে পারেন । কিন্তু এটা বিনামূল্যে নয় , যদি না কোন একটি প্রতিষ্ঠান আপনাকে সে সুবিধা দেয় ; যাদের এটা ব্যবহারের অ্যাক্সেস সুবিধা রয়েছে ।এনসাইক্লোপিডিয়া ইরানিকা  অনলাইন একটি ব্যতিক্রমি বিশ্বকোষ যেখানে ইসলাম প্রাসঙ্গিক অনেক নিবন্ধ রয়েছে , যা পাক্ষিক পর্যালোচনাকৃত এবং জনসাধারণের জন্য মুক্ত , এবং অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করতে পারে যা অন্যান্য বিশ্বকোষগুলোতে পাওয়া যায় না ।
  • এনসাইক্লোপিডিয়া অব ইসলাম এঁর মুখবন্ধ থেকে " ইসলাম একটি বৈশ্বিক প্রপঞ্চ/ব্যাপার , এবং ইসলামকে বোঝা বিশ্বব্যাপী ভাবে একান্ত জরুরী-- সমানভাবে মুসলমান ও অমুসলমান উভয়ের জন্য ।ইসলাম প্রসঙ্গে সবোক্ষেত্রে একটি, প্রবেশযোগ্য নির্ভরযোগ্য, এবং সম্পূর্ণরূপে অবহিত নির্দেশিকার প্রয়োজনীয়তা .... . " । এনসাইক্লোপিডিয়া অব দ্যা কুরআন এবং এনসাইক্লোপিডিয়া অব ইসলাম এঁর তৃতীয় অনলাইন সংস্করণ , এখানে   ও   এখানে
  • books.google.com বা amazon.com এর অনেক বই আপনি বিনামূল্যে (কিন্তু সীমিতভাবে) ব্যবহারের অ্যাক্সেস সুবিধা পেতে পারেন । এছাড়াও আপনি একটি শব্দ দিয়ে অনুসন্ধান করে (যেমন ইসলাম) books.google.com এ ভাল পরিমান বই খুঁজে পেতে পারেন । ইসলামের কিছু খ্যাতনামা পণ্ডিতদের নাম মুখস্থ রাখা উপকারী , তাঁদের অধিকাংশই তালিকাভুক্ত রয়েছে এখানে , ইসলাম শিক্ষা পণ্ডিতদের তালিকা । যেহেতু পাণ্ডিত্যপূর্ণ বই সাধারণত প্রকাশিত হয় "ক বিশ্ববিদ্যালয় " ছাপাখানায়, আপনি উন্নত অনুসন্ধান এর যথাযথ অনুসন্ধান বাক্সে "বিশ্ববিদ্যালয়" ও যোগ করতে পারেন আরও পাণ্ডিত্যপূর্ণ বই পেতে ।
  • আপনি যদি অনলাইন লাইব্রেরি ব্যবহারের জন্য মাসিক $ 15 ব্যায়ের সামর্থ্য রাখেন , তাহলে ইসলাম সম্পকিত বইয়ের একটি সমৃদ্ধ সংগ্রহ রয়েছে "কোয়েস্টিয়া" র । আপনার চাহিদার সবকিছুই তাদের রয়েছে তা নয় ; তবে আমাদের মতে , টাকার প্রেক্ষিতে তাদের যথেষ্ট রয়েছে । আপনি যোগদান না করেই লাইব্রেরিটি অনুসন্ধান করতে পারেন ।
  • কুরআন শরীফের অনুবাদ গ্রন্থসহ বিভিন্ন ছাপায় পবিত্র কুরআন শরীফ, তাফসীর গ্রন্থ, হাদীস গ্রন্থ, ইসলামী সাহিত্য, চিকিৎসা বিজ্ঞান, ইসলাম ও বিজ্ঞান, ইসলামী অর্থনীতি, ইসলামী দর্শন, ইসলামের ইতিহাস, ইসলামী আইন, নানা মূল্যবান ও দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থে সমৃদ্ধ বিভিন্ন বিষয়ের উপর প্রায় ১,২৩,০০০ (এক লক্ষ তেইশ হাজার), পুস্তক ও পুস্তিকা রয়েছে , ( বাংলাদেশে) ইসলামিক ফাউন্ডেশন লাইব্রেরীতে(অক্টোবর ২০১৫, অনুসারে)। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ইসলামিক পাবলিক লাইব্রেরী ।দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক ও সাময়িকী মিলিয়ে নিয়মিত প্রায় ৫০টি পত্রিকা রাখা হয়। এঁর গবেষণা বিভাগ থেকে প্রকাশিত Scientific Indications in the Holy Qur’an, Muslim Contribution to Science & Technology বই দুটি বিষয়ের উপস্থাপনা ও জ্ঞানের গভীরতায় আমত্মর্জাতিক মানসম্পন্ন এবং অনুসন্ধিৎসু পাঠক ও গবেষকদের কাছে ব্যাপকভাবে সমাদৃত।৪ তলা বিশিষ্ট লাইব্রেরীর প্রতিটি ফ্লোরে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত আলাদা আলাদা পাঠকক্ষের ব্যবস্থা রয়েছে । সম্প্রতি, কম্পিউটারের মাধমে যাবতীয় লাইব্রেরী সেবা প্রদানের জন্য একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে ।পাঠক ,গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত । লাইব্রেরী থেকে প্রয়োজনে ফটোকপি সার্ভিস দেয়া হয় ।

তারা, যাদের আপনি জিজ্ঞাসা করতে পারেনসম্পাদনা

  দয়া করে দেখুন: ইসলামী বিষয়ে বিশেষজ্ঞ উইকিপিডিয়ানরা, যেখানে আপনি একজন উইকিপিডিয়ান খুঁজে পেতে পারেন, যিঁনি ইসলামিক বিষয় সম্পর্কে আপনার প্রশ্নের সাহায্য/সমাধান দেবেন ।
আপনি যদি ইসলাম সমন্ধে বিশেষজ্ঞ হন, তাহলে উপরের লিংকে গিয়ে নিজের নাম যুক্ত করুন । আর যদি মনে করেন কোন নিবন্ধের জন্য বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন তাহলে নিবন্ধটিতে {{বিশেষজ্ঞ_ইসলাম}} ট্যাগ যুক্ত করুন।

  1. সম্পাদনা পরিষদ, ইসলামী বিশ্বকোষ (২০০৭)। সংক্ষিপ্ত ইসলামী বিশ্বকোষ, ১ম খন্ড। বাইতুল মোকাররম, ঢাকা: ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। পৃষ্ঠা ১৯২ নং পৃষ্ঠা। আইএসবিএন 984-06-0252-7