আল আলভারেজ (৫ আগস্ট ,১৯২৯ – ২৩ সেপ্টেম্বর,২০১৯) একজন ইংরেজ কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, সমালোচক ছিলেন যিনি এ. আলভারেজ এবং আল আলভারেজ নামে লেখা প্রকাশ করতেন

আল আলভারেজ
আলভারেজ ২০০৬
আলভারেজ ২০০৬
জন্ম(১৯২৯-০৮-০৫)৫ আগস্ট ১৯২৯
লন্ডন, যুক্তরাজ্য
মৃত্যু২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯(2019-09-23) (বয়স ৯০)
পেশাকবি, লেখক, সমালোচক
জাতীয়তা যুক্তরাজ্য
সময়কাল১৯২৯ - ২০১৯

প্রাথমিক জীবনসম্পাদনা

আলফ্রেড আলভারেজ লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন, তার মাতা আশকেনাজিক ইহুদি ও পিতা সেফারডিক ইহুদি পরিবারে ছিল। তিনি লন্ডনের হামস্টিডে হল স্কুলে পড়েন এবং পরে ঔনডেল স্কুল এবং করপাস খ্রিষ্ট কলেজ, অক্সফোর্ডে পড়েন যেখানে তিনি ইংরেজিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন । পরবর্তীতে তিনি প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে জেন এলিজা প্রক্টর ভিজিটিং ফেলো হিসাবে নির্বাচিত হন। অক্সফোর্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সংক্ষিপ্তভাবে পড়াশোনা করার পরে তিনি বিশ দশকের শেষের দিকে একজন পূর্ণকালীন লেখক হন। ১৯৫৬ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি দ্য অবজার্ভারের কাব্য সম্পাদক এবং বিচারক ছিলেন, যেখানে তিনি ব্রিটিশ পাঠকদের জন বেরিম্যান, রবার্ট লোওয়েল,সিলভিয়া প্লাথ, জিবিগিনিউ হারবার্ট এবং মিরোস্লাভ হলবের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।

আলভারেজ অনেক তথ্যভিত্তিক সাহিত্যের বইয়ের রচয়িতা ছিলেন। আত্মহত্যা সম্পর্কে তাঁর বিখ্যাত গবেষণা দ্যা সেভেজ গড প্লাথের সাথে তাঁর বন্ধুত্ব থেকেও বেশি অনুরণন অর্জন করেছিল। তিনি বিবাহ বিচ্ছেদ সম্পর্কে (লাইফ আফটার ম্যারেজ), স্বপ্ন সম্পর্কে (নাইট), এবং তেল শিল্প সম্পর্কে (অফশোর), পাশাপাশি কঠোর ব্যক্তির শখ সম্পর্কে (দ্য বিগেসট গেম ইন টাউন) এবং পর্বতারোহণ সম্পর্কেও (ফিডিং দ্য রেট,আরোহী সহযোগী জনাব আনথোইন এর একটি বহুসংখ্যক রেখাচিত্র) লিখেছেন। তার ১৯৯৯ সালের আত্মজীবনীর শিরোনাম হলো “হয়ার ডিড ইট অল গো রাইট?”

১৯৬২ সালে তার বাছাই করা কবিতা সংকলন-গ্রন্থ “দ্য নিউ কাব্যগ্রন্থ” টি সেই সময়ে কাব্যের রীতির একটি নতুন যাত্রা হিসাবে প্রশংসিত হয়েছিল। ব্রিটিশ কবিতায় এটি অপরিমিত ‘জেনটিলিটি‘ হিসেবে এটি আমেরিকান রীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তাকে ২০১০ সালে রয়্যাল সোসাইটি অফ লিটারেচার বেনসন পদকে ভূষিত করে।[১]

চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনসম্পাদনা

আলভারেজ জুলাই ১৯৮৯ তে জুয়া বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা করার জন্য চ্যানেল ৪ এর আলোচনা প্রোগ্রাম ‘আফটার ডার্ক’ নিয়ে আবির্ভূত হন। ২০০৮ সালে নির্মিত চলচ্চিত্র সিলভিয়ায় আলভারেজ জ্যারেড হ্যারিসের চরিত্রে অভিনয় করে, যার ফলে প্লাথ এবং তার স্বামী টেড হিউজেসের সম্পর্কের মধ্যকার অসুবিধার উপখ্যান সৃষ্টি হয়েছিল।

মৃত্যুসম্পাদনা

তিনি ৯০ বছর বয়সে নিউমোনিয়া মহামারিতে মৃত্যুবরণ করেন।[২]

উত্তরাধিকারসম্পাদনা

১৯৯০ সালে ব্রিটিশ লাইব্রেরি আলভারেজের সংরক্ষণাগার অধিগত করেছিল যার সাথে তাঁর কবিতা, গদ্য প্রকাশনা এবং মঞ্চ, চলচ্চিত্র, রেডিও এবং টেলিভিশনের লিপি সম্পর্কিত কাগজপত্র পেয়েছিল।.[৩]

নির্বাচিত কাজসম্পাদনা

  • দ্য শ্যাপিং স্পিরিট (১৯৫৮)
  • দ্য স্কুল অফ ডন (১৯৬১)
  • দ্য নিউ পয়েট্রি (১৯৬২)
  • আন্ডার প্রেশার (১৯৬৫)
  • বেয়ন্ড অল দিস ফিডেল (১৯৬৮)
  • দ্য সেবেজ গডT (১৯৭২)
  • বেককেট (ফোনটানা মডার্ন মাস্টার্স , ১৯৭৩)
  • হার্স (১৯৭৪)
  • হান্ট (১৯৭৯)
  • লাইফ আফটার ম্যারেজ (১৯৮২)
  • দ্য বিগেসট গেম ইন টাউন (১৯৮৩)
  • ফিডিং দ্য রেট (১৯৮৯)
  • ডে অফ এটনমেন্ট (১৯৯১)
  • নাইট (১৯৯৫)
  • হয়ার ডিড ইট অল গো রাইট?(১৯৯৯)
  • পোকার : বেটস,ব্লাফস,এন্ড বেড বিটস (২০০১)
  • নিউ এন্ড সিলেক্টেড পয়েমস (২০০২)
  • দ্য রাইটারস ভয়েস (২০০৫)
  • রিস্কি বিজনেস (২০০৭)
  • পন্ডলাইফ (২০১৩)

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "The Benson Medal"। The Royal Society of Literature। ৫ এপ্রিল ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  2. Sutherland, John (২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯)। "Al Alvarez obituary"The Guardian। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  3. Alvarez Papers, archives and manuscripts catalogue, the British Library. Retrieved 27 May 2020

বহিসংযোগসম্পাদনা