অমল পালেকর

ভারতীয় অভিনেতা

অমল পালেকর (মারাঠি: अमोल पालेकर) সত্তরের দশকের একজন বলিউড অভিনেতা ছিলেন।[৩]

অমল পালেকর
AmolPalekar.jpg
২০১১তে
জন্ম (1944-11-24) ২৪ নভেম্বর ১৯৪৪ (বয়স ৭৭)[১]
পেশাঅভিনেতা
কর্মজীবন১৯৭১-১৯৮৬
দাম্পত্য সঙ্গীচিত্রা (বিচ্ছেদ)
সন্ধ্যা গোখালে
পিতা-মাতা
  • কমলকর পালেকর[২] (পিতা)
  • সুহাসিনী[২] (মাতা)
পুরস্কারশ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার:
১৯৮০: গোলমাল"
ওয়েবসাইটঅমল পালেকর
স্বাক্ষর
Amol Palekar Autograph.jpg

কর্মজীবনসম্পাদনা

তিনি মুম্বাইয়ের স্যার জে.জে. স্কুল অব আর্টস-এ ফাইন আর্টস অধ্যয়ন করেন এবং চিত্রকর হিসেবে তাঁর শৈল্পিক কর্মজীবন শুরু করেন।[৪] একজন চিত্রশিল্পী হিসেবে, তিনি সাতটি এক ব্যক্তি প্রদর্শনী করেন এবং অনেক গ্রুপ শো'তে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ভারতে আভান্ট গার্ডের থিয়েটারে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৬৭ সাল থেকে তিনি একজন অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক হিসেবে মারাঠি ও হিন্দি থিয়েটারে সক্রিয় ছিলেন। আধুনিক ভারতীয় থিয়েটারে তার অবদানকে প্রায়ই হিন্দি চলচ্চিত্রে একজন প্রধান অভিনেতা হিসেবে জনপ্রিয়তা দেওয়া হয়।

একজন অভিনেতা হিসেবে তিনি ১৯৭০ সাল থেকে দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশিষ্ট ছিলেন। তার অভিনীত চরিত্রগুলো দর্শকপ্রিয় হতো; তিনি নিজেকে তুলে ধরেছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের সেই সময়ে প্রচলিত বড়-বড় হিরোদের সাথে। তিনি এক ফিল্মফেয়ার এবং ছয় রাজ্য পুরস্কার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন। আঞ্চলিক ভাষার চলচ্চিত্রে তার অভিনীত মারাঠি, বাংলা, মালেয়ালম এবং কন্নড় সমালোচকদের দ্বারা প্রশংসিত হয়েছে। তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করার জন্য ১৯৮৬ সালের পরে অভিনয় না করার সিদ্ধান্ত নেন।

একজন পরিচালক হিসেবে তিনি নারীর সংবেদনশীল চিত্র, ভারতীয় সাহিত্য থেকে ক্লাসিক গল্পের নির্বাচন, এবং প্রগতিশীল বিষয়গুলির প্রত্যক্ষ পরিচালনার জন্য পরিচিত। তিনি জাতীয় সম্প্রচারে যেমন কচি ধুপ, মৃগনয়নি, নাকব, পাওল খুনা এবং কৃষ্ণকলি সহ বিভিন্ন টেলিভিশন ধারাবাহিক পরিচালনা করেছেন।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা