প্রাচীন ভারতীয় কবি অমরু ছিলেন সংস্কৃত ভাষায় রচিত 'অমরুশতক' নামক একটি খণ্ডকাব্যের রচয়িতা। তার ব্যক্তিগত জীবন বা কাল সম্পর্কে অদ্যাবধি তেমন কিছুই জানা যায় নি। খ্ৰিস্টীয় নবম শতকে তার রচিত অমরুশতকের তিনটি শ্লোক আলংকারিক বামনের 'কাব্যালংকার' নামক গ্রন্থে উদ্ধৃত হয়েছে; কিন্তু তাতে কবি বা কাব্যের উল্লেখ নেই। খ্ৰিস্টীয় নবম শতকের মধ্যভাগে আনন্দবর্ধন বিখ্যাত কবি হিসাবে অমরুর নাম উল্লেখ করেন। কেউ কেউ মনে করেন, অমরু শতকত্রয়ের রচয়িতা ভর্তৃহরির পরবর্তী। অমরুশতকের চারটি রূপ রয়েছে। এগুলো হলো বর্তমান দক্ষিণ ভারতীয়, বঙ্গীয়, পশ্চিম ভারতীয় এবং মিশ্র। বিভিন্নরূপে এর শ্লোকসংখ্যা ৯৬-১১৫; সকল রূপে সাধারণ শ্লোকসংখ্যা ৫১। এর উনিশটি টীকা আছে। সম্ভবতঃ অমরুর আদর্শ ছিল প্রাকৃতে রচিত হালের 'সত্তসঈ'। জীবন ও প্রেমের বিভিন্ন অবস্থায় নারীর বর্ণনা এই কাব্যের বিষয়বস্তু।[১]

অমরু
জন্মজন্ম অজানা
পেশাকবি
ধরনসংস্কৃত সাহিত্য
উল্লেখযোগ্য রচনাবলিঅমরুশতক

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. বন্দ্যোপাধ্যায়, সুরেশচন্দ্র (১৯৬৪)। ভারতকোষ, প্রথম খণ্ড। কলকাতা: বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ। পৃষ্ঠা ১০৪।