হুসেনি ব্রাহ্মণ হল পাঞ্জাব অঞ্চলের একটি মহিয়াল ব্রাহ্মণ সম্প্রদায় যার সাথে হিন্দু এবং ইসলাম উভয়েরই সম্পর্ক রয়েছে। মহিয়াল সম্প্রদায় বালি, ভীমাল, চিবত, দত্ত, লাউ, মোহন এবং বৈদ নামে সাতটি উপ-গোষ্ঠী নিয়ে গঠিত। তারা হিন্দু প্রথার সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু অ- ভারতীয় ধ্যান-ধারণাও গ্রহণ করে। ফলশ্রুতিতে, মোহ্যাল সম্প্রদায়ের একটি উপ-গোষ্ঠীর মানুষ ইসলামের প্রতি বিশেষত তৃতীয় ইমাম আল-হুসাইন ইবনে আলি ইবনে আবি তালিবকে শ্রদ্ধা করত বলে জানা যায়।[১] ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দে মোহ্যালদের ইতিহাস প্রকাশিত হয়, সেখান থেকে জানা যায়, ৬৮০ খ্রিস্টাব্দে কারবালার যুদ্ধের সময় ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ১৪০০ ব্রাহ্মণ বসবাস করতেন।[২] ইরাকের কিছু অংশে এখনও কিছু পরিবার খুঁজে পাওয়া যায় কিন্তু হোসেনি ব্রাহ্মণদের বেশিরভাগ পরিবার এখন পুনে,[৩] দিল্লি,[৪] ভারতের চণ্ডীগড়জম্মু, পাকিস্তানের সিন্ধুলাহোর এবং আফগানিস্তানের কাবুল ও দক্ষিণ আফগানিস্তানে বসতি স্থাপন করেছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ প্রতিবছর মহরম পালন করে। মুজাফফরপুর জেলার ভূমিহার ব্রাক্ষ্মণদের একটি গোষ্ঠীর দাবী অনুসারে তারা হোসেনী ব্রাক্ষ্মণদের উত্তরসূরী; যার ফলে মহরম উদযাপনে তারা প্রতিবছর অংশ নেন।[৫]

আজকের আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং ভারতের বিভিন্ন এলাকায় একসময় মহিয়ালরা শাসন করত।

তথ্যসূত্র

সম্পাদনা
  1. Nonica Datta (৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯)। "The Forgotten History of Hussaini Brahmins and Muharram in Amritsar"। The Wire (Indian News and Opinion Website)। ১৭ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০২০ 
  2. Shafaqna (১৫ অক্টোবর ২০১৬)। "Who are the Hussaini Brahmins? What part did they play in the Battle of Karbala"। Shafaqna (Shia International News Association)। ১৭ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৬ 
  3. NADEEM INAMDAR, RIZWAN KHAN। "Brahmins who went to war for the Imam"। Times group, India। The Times of India। ২৭ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০১৬ 
  4. Akram, Maria (৫ নভেম্বর ২০১৪)। "For Hussaini brahmans, it's Muharram as usual"। Times group, India। The Times of India। ২২ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০১৬ 
  5. "Where Hindus join Shias to mourn Imam Hussain"। ২৫ নভেম্বর ২০১২।