প্রধান মেনু খুলুন

হাঁসুলী বাঁকের উপকথা হল তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায় লিখিত একটি আঞ্চলিক উপন্যাস। প্রকাশ কাল ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ।

বিষয়বস্তুসম্পাদনা

বাঁশবাদি গ্রামে কাহার জাতির লোকেরা বাস করত। কাহারেরা দুটি পাড়ায় বিভক্ত ছিল। বেহারা পাড়া এবং আটপৌরে পাড়া। বেহারা পাড়ার লোকেরা পালকি বহন করত। আর আটপৌরেরা চাষ বাসের কাজে নিযুক্ত ছিল। বেহারা পাড়ার প্রধান ছিল বনোযারী এবং আটপৌরে পাড়ার প্রধান ছিল পরম। দুই পাড়ার মধ্যে মাঝে মাঝেই সংঘর্ষ হত। তবুও উভয়েই কিন্তু দেবতা কত্তাবাবাকে মানত। কত্তা বাবার ছিলেন হাঁসুলী বাঁকের পশ্চিম দিকের শিমুল গাছে। পরবর্তী কালে চন্দনপুরে রেলের কারখানা হবার সুবাদে গ্রামের ছেলে করালী হল প্রথম কারখানার শ্রমিক। করালী ধীরে ধীরে কাহার পড়ার পুরানো বিশ্বাসে ভাঙন আনতে থাকে, সে প্রথমে কত্তা বাবার বাহন সাপটিকে পুড়িয়ে মারে, তাঁর পর বেলতলা ও শ্যাওড়া গাছের বন পরিষ্কার করে। ধীরে ধীরে কাহার দের পুরানো বিশ্বাস ও সংস্কারের পরিবর্তন সাধিত হল।

চলচ্চিত্রায়নসম্পাদনা

হাঁসুলী বাঁকের উপকথা উপন্যাসটিকে ১৯৬২ সালে চলচ্চিত্রে রূপান্তর করেন বিশিষ্ট পরিচালক তপন সিংহ । সিনেমাটিতে অভিনয় করেন যথাক্রমে কালি বন্দ্যোপাধ্যায়, রঞ্জনা বন্দ্যোপাধ্যায়, রবীন বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ অভিনেতারা।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা