সূর্যদেবের বন্দি

'সূর্যদেবের বন্দি' (ফরাসি: Le Temple du Soleil) বেলজীয় কার্টুনিস্ট হার্জের দুঃসাহসী টিন‌টিন সিরিজের চৌদ্দতম কমিক বই। এটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় সদ্য প্রতিষ্ঠিত টিনটিন ক্রোড়পত্রে সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ থেকে এপ্রিল ১৯৪৮ পর্যন্ত। এই গল্পটি মমির অভিশাপ কমিকসে শুরু হওয়া কাহিনীর বাকি অংশ। গল্পে তরুণ রিপোর্টার টিনটিন, তার কুকুর কুট্টুস ও বন্ধু ক্যাপ্টেন হ্যাডক তাদের আরেক বন্ধু অপহৃত প্রফেসর ক্যালকুলাসের খোঁজে চষে বড়ায় আন্দিজ গ্রাম, পর্বতমালা ও রেইনফরেস্টে এবং শেষ পর্যন্ত পৌঁছে যায় এক গুপ্ত ইনকা সভ্যতায়।

সূর্যদেবের বন্দি
(Le Temple du Soleil)
তারিখ১৯৪৯
সিরিজদুঃসাহসী টিন‌টিন
প্রকাশককাস্টরম্যান
সৃজনশীল দল
উদ্ভাবকরাএর্জে
মূল প্রকাশনা
প্রকাশিত হয়েছিলটিনটিন ক্রোড়পত্র
প্রকাশনার তারিখ২৬শে সেপ্টেম্বর, ১৯৪৬ – ২২শে এপ্রিল, ১৯৪৮
ভাষাফরাসি
আইএসবিএন২-২০৩-০০১১৩-৫
অনুবাদ
প্রকাশকআনন্দ পাবলিশার্স
অনুবাদকনীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
কালপঞ্জি
পূর্ববর্তীমমির অভিশাপ, (১৯৪৮)
পরবর্তীকালো সোনার দেশে, (১৯৫০)

ব্যবসাসফল এই কমিকসটি পরবর্তী বছরে কাস্টরম্যান বই হিসেবে প্রকাশ করে। হার্জ সিরিজটি চালিয়ে যান পরের কমিকস কালো সোনার দেশে লিখে। ততদিনে টিনটিন সিরিজ হয়ে উঠেছে ফ্র্যাঙ্কো-বেলজীয় কমিক্স ধারার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। দুই-অংশের এই ধারাগল্পটি রূপায়িত হয় ১৯৬৯ সালে বেলভিজিয়ন স্টুডিওসের চলচ্চিত্র টিনটিন অ্যান্ড দা টেম্পল অফ দা সান, প্রথম দীর্ঘ এনিমেটেড টিনটিন চলচ্চিত্র। এছাড়াও কমিকসটি অবলম্বনে ১৯৯০ দশকের টেলিভিশন সিরিজের দুটি এপিসোড, একটি ভিডিও গেম এবং একটি সঙ্গীত-মঞ্চ অনুষ্ঠান (২০০১) তৈরি করা হয়েছে।

কাহিনীসংক্ষেপসম্পাদনা

তরুণ রিপোর্টার টিনটিন, তার কুকুর কুট্টুস ও বন্ধু ক্যাপ্টেন হ্যাডক পেরুর কালাও বন্দরে নামে। সেখানে তারা পরিকল্পনা করতে থাকে পাচাকামাক জাহাজ আটকানোর, সেই জাহাজে আছে তাদের বন্ধু অপহৃত প্রফেসর ক্যালকুলাস ও অপহরণকারীরা। কিন্তু জাহাজে যাত্রীদের রোগের সংক্রমণ হয়েছে বলে তা কোয়ারেন্টিন করা হয়। গভীর রাতে টিনটিন লুকিয়ে জাহাজে উঠে জানতে পারে যে ইনকা রাজা রাসকার কাপাকের মমির হাতের বালা পরার অপরাধে ক্যালকুলাসকে বলি দেয়া হবে। এসময় চিকিটো, জেনারেল আলকাজারের সাবেক সহখারী এবং অপহরণকারীদের একজন টিনটিনকে দেখে ফেলে এবং তাড়া করে, টিনটিন প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে আসে।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

গ্রন্থপঞ্জীসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা