সুইনি টড: দ্য ডিমন বার্বার অব ফ্লিট স্ট্রিট (২০০৭-এর চলচ্চিত্র)

সুইনি টড: দ্য ডিমন বার্বার অব ফ্লিট স্ট্রিট (সংক্ষেপে সুইনি টড নামেও পরিচিত)[৫] ২০০৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি সাংগীতিক স্ল্যাশার (বিশেষ এক ধরনের ভীতিপ্রদ চলচ্চিত্র, যেখানে একজন ব্যক্তি নির্বিচারে নরহত্যা করে বেড়ায়) চলচ্চিত্র। টিম বার্টন ছবিটি পরিচালনা করেন। স্টিফেন সন্ডহাইমহিউ হুইলারের টনি পুরস্কার-বিজয়ী ১৯৭৯ সালের একই নামের সাংগীতিক পরিবেশনা অবলম্বনে এ ছবিটি নির্মিত হয়।

সুইনি টড:
দ্য ডেমন বার্বার অব ফ্লিট স্ট্রিট
U.S. theatrical release poster
পরিচালকটিম বার্টন
চিত্রনাট্যকারজন লোগান
শ্রেষ্ঠাংশে
সুরকারস্টিফেন সন্ডহাইম
চিত্রগ্রাহকদারিউসজ ভোলস্কি
সম্পাদকক্রিস লেবেনজন
পরিবেশক
মুক্তি
  • ৩ ডিসেম্বর ২০০৭ (2007-12-03) (নিউ ইয়র্ক সিটি)
  • ২১ ডিসেম্বর ২০০৭ (2007-12-21) (যুক্তরাষ্ট্র)
  • ২৫ জানুয়ারি ২০০৮ (2008-01-25) (যুক্তরাজ্য)
স্থিতিকাল১১৬ মিনিট[১]
দেশ
  • যুক্তরাষ্ট্র[২]
  • যুক্তরাজ্য
ভাষাইংরেজি
নির্মাণব্যয়$৫০ মিলিয়ন[৩][৪]
আয়$১৫৩.৪ মিলিয়ন[৩]

ভিক্টোরীয় যুগের অতিনাটকীয় খলচরিত্র সুইনি টডের আখ্যানই এ ছবিতে চিত্রায়িত হয়েছে। সে একজন সিরিয়াল খুনি, যে তার ক্রেতাদের ধারালো ক্ষুর দিয়ে হত্যা করে। সে তার সহযোগী মিসেস লাভেট-কে দিয়ে তার শিকারদের দেহের পাই বানায়। ছবিতে জনি ডেপ সুইনি টড এবং হেলেনা বোনাম কার্টার মিসেস লাভেট চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

ছাত্রাবস্থায় সন্ডহাইমের সাংগীতিক পরিবেশনায় মুগ্ধ বার্টন ১৯৮০ এর দশকের প্রারম্ভেই একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের কথা চিন্তা করেছিলেন। কিন্তু ২০০৬ এর আগে তার এ চিন্তা সফলতায় রূপ নেয়নি। পরিচালক স্যাম মেন্ডেজ এ নিয়ে কাজ করলেও তার জায়গায় বার্টনকে বদলি হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। সন্ডহাইম সরাসরি ছবিটি পরিচালনা না করলেও ড্যানি এলফম্যানের জায়গায় তিনি সুরকার হিসেবে কাজ করেছেন। ডেপের সংগীতপ্রতিভা ইতোপূর্বে উন্মোচিত হয়নি। প্রযোজক রিচার্ড ডি জানুক বলেন, ডেপকে দিয়ে গান গাওয়ানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

২০০৭ সালের ২১ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র ও ২০০৮ সালের ২৫ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যে ছবিটি মুক্তি পায়। বিশ্বজুড়ে এটি ১৫০ মিলিয়ন ডলার আয় করে। অভিনয়, রূপসজ্জা, সংগীত ও ১৯৭৯ সালের পরিবেশনার প্রতি ঐকান্তিক আনুগত্যের কারণে ছবিটি প্রশংসা লাভ করে। ন্যাশনাল বোর্ড অব রিভিউ একে ২০০৭ সালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ঘোষণা করে। সেরা অভিনেতা ও সেরা চলচ্চিত্র বিভাগে ছবিটি গোল্ডেন গ্লোব এবং সেরা শিল্পনির্দেশনা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার লাভ করে। বনহ্যাম কার্টার সেরা অভিনেত্রী বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব ও জনি ডেপ সেরা অভিনেতা বিভাগে অস্কারের মনোনয়ন পান। উত্তর আমেরিকায় অসাধারণ বাণিজ্যিক সাফল্য না পেলেও বিশ্বজুড়ে এটি সফল হয়।

কাহিনীসংক্ষেপ

সম্পাদনা

১৮৪৬ সাল। বেঞ্জামিন বার্কার নামের একজন নাপিত লন্ডনে আগমন করে। তার সাথে আছে নাবিক অ্যান্থনি হোপ। পনের বছর পূর্বে তাকে মিথ্যা অভিযোগে বিচারক টারপিন মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করে নির্বাসন প্রদান করে। বার্কার সুইনি টড নাম ধারণ করে। সে তার পুরাতন ফ্লিট স্ট্রিটের দোকানে ফিরে যায়। এর নিচেই মিসেস লাভেটের দোকান। মিসেস লাভেট মাংসের পাই বিক্রি করে। লাভেট সুইনি-কে বলে, টারপিন লুসিকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে এবং লুসি ও বেঞ্জামিনের কন্যা জোহান্নাকে আটকে রেখেছে। সুইনি প্রতিশোধ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়।

তথ্যসূত্র

সম্পাদনা
  1. "Sweeney Todd: The Demon Barber of Fleet Street (18)"British Board of Film Classification। ডিসেম্বর ১৮, ২০০৭। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ২৮, ২০১৩ 
  2. "Sweeney Todd: The Demon Barber of Fleet Street"LumiereEuropean Audiovisual Observatory। সংগ্রহের তারিখ ১৭ নভেম্বর ২০২০ 
  3. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; takings নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  4. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; slasherfilm নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  5. Travers, Peter। "Sweeney Todd"Rolling Stone। ৭ জুন ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ

সম্পাদনা