সিমেন্স (একক)

তড়িৎ পরিবাহীতার এস.আই একক

সিমেন্স (ইংরেজি ভাষায়: Siemens) (এসআই এককের প্রতীক: S) হচ্ছে তড়িৎ পরিবাহিতার এবং এডমিট্যান্সের এস আই বা আন্তর্জাতিক একক.[১] যার নামকরণ বিজ্ঞানী আর্নস্ট ওয়ার্নার ফন সিমেন্স এর নামানুসারে করা হয়েছে। এর চিহ্ন ইংরেজির বড় হাতের "S",অন্যপক্ষে ইংরেজির ছোট হাতের "s" হচ্ছে সেকেন্ডের একক। তড়িৎ প্রকৌশল এবং পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় তড়িৎ পরিবাহিতা হলো রোধের বিপরীত এবং এডমিট্যান্স হলো ইম্পিড্যান্সের বিপরীত। তাই এক সিমেন্স আসলে এক ও'মের বিপরীত রাশি। এই কারণে সিমেন্সকে অনেক সময় মো (mho) বলে ডাকা হয় যা আসলে ইংরেজিতে ও'ম শব্দটিকে বিপরীতক্রমে লিখে পাওয়া যায় (ohm -> mho)। ১৯৭১ সালে পরিমাপ ও গণনার সাধারণ সভায় (General Conference on Weights and Measures) সিমেন্সকে আন্তর্জাতিক এককের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

বেনির ভন সিমেন্সের পরে ইউনিটটির নাম দেওয়া হয়েছিল সিমেনস

সংজ্ঞাসম্পাদনা

কোন তড়িৎ পরিবাহকের বা অর্ধপরিবাহীর রোধ R হলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা G কে গাণিতিক ভাবে লেখা যায় -

 

এখানে

I = পরিবাহকের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ
V = পরিবাহকের দুই প্রান্তের মধ্যকার বিভব পার্থক্য

তড়িৎ পরিবাহিতা G এর একক সিমেন্সকে সংজ্ঞায়িত করলে পাওয়া যায় -

 

এখানে

Ω = ও'ম
A = অ্যাম্পিয়ার
V = ভোল্ট

এখান থেকে বলা যায় ১ সিমেন্স তড়িৎ পরিবাহিতা সম্পন্ন কোন তড়িৎ পরিবাহকের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য প্রতি ভোল্ট বৃদ্ধির জন্য তার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহের মান ১ অ্যাম্পিয়ার করে বৃদ্ধি পাবে।

আরো দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "The International System of Units"। ১৬ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১২