শান্তি ও গণতান্ত্রিক সংগঠন

বুরুন্ডির সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল

শান্তি ও গণতান্ত্রিক সংগঠন বা দ্য ইউনিয়ন ফর পিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি–জিগামিবাঙ্গা (ইংরেজি: Union for Peace and Democracy, সংক্ষেপে UPD, ফরাসি: Union pour la paix et la démocratie–Zigamibanga, UPD–Zigamibanga) শান্তি ও উন্নয়নের জন্য প্রতিষ্ঠিত সংগঠন।[১][২] এটি বুরুন্ডির একটি ছোট রাজনৈতিক দল যা ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এটি ২০০৭ সালের পর থেকে সক্রিয় হয় এবং এর কার্যক্রম শুরু করে। ইউপিডি (UPD) হলো ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর দ্য ডিফেন্স অফ ডেমোক্রেসির বিরোধী দলগুলোর মধ্যে একটি ফোর্সেস ফর দ্য ডিফেন্স অফ ডেমোক্রেসি (CNDD– FDD) পার্টি। এটিকে বুরুন্ডির সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক দল হিসেবেও দেখা হয়।

ইতিহাস

সম্পাদনা

হয়েছিল আগস্ট ২০০২ ইউপিডি (UPD) প্রথম প্রতিষ্ঠিত ও নিবন্ধিত হয়েছিল। ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর দ্য ডিফেন্স অফ ডেমোক্রেসিফোর্সেস ফর দ্য ডিফেন্স অফ ডেমোক্রেসি (CNDD–FDD) দলের নেতা হুসেন রাদজাবু এই সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা।[৩] বুরুন্ডিয় গৃহযুদ্ধ চলাকালে রাজনৈতিক দল হিসাবে গঠিত সিএনডিডি-এফডিডিকে (CNDD-FDD) সরকারী স্বীকৃতি প্রদান না করা হলে এটি মূলত একটি ফ্রন্ট সংগঠন হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। ২০০৫ সালে যখন CNDD-FDD স্বীকৃতি পায়, তখন UPD প্রায় নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। এটি বুরুন্ডির ২০০৫ সালের বিধানসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি।[৪]

রাষ্ট্রপতি পদে পিয়েরে এনকুরুনজিজার উত্থান একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা সত্ত্বেও, রাদজাবুকে ২০০৭ সালে সিএনডিডি-এফডিডি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল এবং সরকারকে উৎখাত করার ষড়যন্ত্রের জন্য তাকে গ্রেফতার করা হয়। রাদজাবু ইউপিডিকে পুনরায় সক্রিয় করেন এবং তার চাচাতো ভাই মোহাম্মদ ফেরুজীকে দলীয় নেতা হিসেবে নিযুক্ত করেন। রাদজাবু জেল থেকে দলটি চালাতে থাকেন। ইউপিডি (UPD) দ্রুতই বুরুন্ডির সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।[৩]

২০১৫ সালে বুরুন্ডিতে রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়, ইউপিডির বর্তমান নেতা জেদি ফেরুজিকে বুজুম্বুরায় হত্যা করা হয়। ২৩ মে ২০১৫ তারিখে এনকুরুনজিজা শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সময় তার হত্যাকাণ্ড সংঘর্ষকে আরও গভীর করে তোলে, কারণ বিরোধী দলগুলো সরকারি দলের সাথে আলোচনা কার্যক্রম স্থগিত করে। দলটি ২০২০ সালের মে মাসে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে কিন্তু নির্বাচনে মাত্র ০.০৫% ভোট লাভ করে এবং কোনো আসনে জয় লাভ করতে পারেনি।

আরও দেখুন

সম্পাদনা

তথ্যসূত্র

সম্পাদনা
  1. Dixon, Robyn (২৪ মে ২০১৫)। "Burundi's crisis deepens as assassinated opposition leader is buried"Los Angeles Times। Johannesburg। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০১৬ 
  2. Muhumuza, Rodney (২৩ মে ২০১৫)। "Zedi Feruzi killed: Leader of Burundi opposition party shot dead in Bujumbura"। The Independent। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০১৬ 
  3. Collectif; Petit Futé; Dominique Auzias; Jean-Paul Labourdette (১২ ডিসেম্বর ২০১৪)। Burundi 2015 Petit Futé (avec cartes, photos + avis des lecteurs)। Petit Futé। পৃষ্ঠা 67। আইএসবিএন 978-2-7469-7842-3 
  4. "Political Parties (Burundi)"। Global Security। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০১৬