শলোমনের উপাসনালয়

৯৫৭ খ্রিস্টপূর্ব সালে জেরুজালেমে নির্মিত ইহুদিদের পবিত্র মন্দির

বাইবেলীয় সূত্র অনুযায়ী শলোমনের উপাসনালয়, অথবা প্রথম মন্দির (בֵּית־הַמִּקְדָּשׁ: বেইথ হা-মিকদাশ), জেরুজালেম শহরের কেন্দ্রীয় ইহুদি মন্দির ছিলো যা রাজা শলোমনের আমলে আনুমানিক ৯৫৭ খ্রিস্টপূর্ব সালে নির্মিত হয়েছিলো। মন্দিরটি নিও-ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের রাজা সম্রাট দ্বিতীয় নেবুচাদনেজারের হাতে ৫৮৬/৫৮৭ খ্রিস্টপূর্ব সালে ধ্বংস হয়[১] যিনি একই সাথে ইহুদিদের ব্যাবিলনে নির্বাসনে পাঠান। মন্দিরের ধ্বংসপ্রাপ্তি এবং ইহুদিদের নির্বাসনকে পূর্ববর্তী নবীদের ভবিষ্যতবাণীর সত্যতা ও ধর্ম বিশ্বাস সুদৃঢ়করণ হিসেবে দেখা হয়।[২]

শলোমনের উপাসনালয়
בֵּית־הַמִּקְדָּשׁ
Jerusalem temple3.jpg
প্রথম মন্দিরের ডিজিটাল উপস্থাপনা
ধর্ম
ঈশ্বরযিহোবা
অবস্থান
অবস্থানপ্রাচীন জেরুজালেম
স্থাপত্য
সৃষ্টিকারীশলোমন
ধ্বংস৫৮৭ খ্রিস্টপূর্ব

হিব্রু বাইবেল (পুরাতন নিয়ম) মতে শলোমনের পিতা বীর যোদ্ধা রাজা ডেভিড ইস্রায়েলীয়দের ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন, জেরুজালেম দখল এবং ইস্রায়েলীয়দের গুরুত্বপূর্ণ বস্তু চুক্তিসিন্দুক শহরে নিয়ে আসেন।[৩] ডেভিড জেরুজালেম শহরের মরিয়াহ পর্বতকে ভবিষ্যত মন্দিরের নির্মাণস্থলের জন্য বেছে নেন চুক্তিসিন্দুক রাখার জন্য যার বর্তমান নাম টেম্পল মাউন্ট বা হারাম আল-শরিফ[২] যদিও, ঈশ্বর সেসময় ডেভিডকে মন্দিরটি নির্মাণ করতে দেননি কেননা ডেভিড "অনেক রক্ত ঝরিয়েছিলেন"।[৪] বরং, ডেভিডের পুত্র শলোমন তা নির্মাণ করেছিলো।[৫] শলোমন চুক্তিসিন্দুকটি পবিত্র মন্দিরের জানালাহীন কেন্দ্রীয় মূল কক্ষে স্থাপন করেন।[৬] মন্দিরের সেই পবিত্র কক্ষে ঈশ্বরের উপস্থিত বিশ্রাম নিতো। শুধুমাত্র কোহেন সেই কক্ষে ইয়োম কিপ্পুর নামক পবিত্র দিবসে কোরবানির ভেড়ার রক্ত ও আগুনে জ্বলন্ত ধূপ নিয়ে বছরে একবার প্রবেশ করতে পারতো।[৬]

বাইবেল অনুসারে এই মন্দির শুধুমাত্র ধর্মীয় ভবন ছিলো না। এই ভবন ইস্রায়েলীয়দের সম্মেলনের জন্য ব্যবহৃত হতো [২] নির্বাসনের পর যেসব ইহুদিরা রাজা মহান কুরোশের ব্যাবিলন দখলের পর নিজেদের দেশে ফিরতে পেরেছিলো তারা পরবর্তীতে শলোমনের মন্দিরের স্থলে দ্বিতীয় মন্দির নির্মাণ করে। কিন্তু চুক্তিসিন্দুকটি তখন মন্দিরে স্থাপন করা সম্ভব হয়নি কেননা সেটা নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলো।[৭]

এই প্রধানত মানা হয় যে ব্যাবিলনীয়দের জেরুজালেমের আক্রমণের সময় টেম্পল মাউন্টে একটি ধর্মানুষ্ঠান পালনের ঘর ও বেদি উপস্থিত ছিলো। যদিও শলোমনের এই ভবন নির্মাণ ও বর্ণনার ব্যাপারে বেশ কিছু সন্দেহ বিদ্যমান রয়েছে।[৮] গবেষকগণ বাইবেলীয় বর্ণনার স্পষ্টতা ও সত্যতার ব্যাপারে সন্দেহ জ্ঞাপন করেন কেননা শলোমনের মন্দিরের ব্যাপারে অবাইবেলীয় কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।[৯][১০] যেসব নিদর্শন অনুমিতভাবে শলোমনের মন্দিরের অস্তিত্ব প্রমাণ করেছিলো সেগুলো পরে জাল প্রমাণিত হয়েছে।[১১]

ইতিহাসসম্পাদনা

শিমিড ও রুপ্রেচরা মনে করেন উপাসনালয়ের স্থানটিতে পূর্বে জেবুসদের মন্দির ছিলো যার ফলে শলোমন জেবুস জাতি ও ইস্রায়েলীয়দের ঐক্যবদ্ধ করতে এই জায়গাটি নির্মাণের জন্য বাছাই করেন। [১২]

প্রাচীন সাহিত্যেসম্পাদনা

রাব্বাইনীয় সূত্র[১৩] অনুসারে প্রথম মন্দির ৪১০ বছর ধরে টিকে ছিলো এবং সেদের ওলাম রাব্বাহ অনুসারে মন্দিরটি ৮৩২ খ্রিস্টপূর্ব সালে নির্মিত হয়েছে ও ৪২২ খ্রিস্টপূর্ব সালে (৩৩৩৮ সৃষ্টাব্দ) ধ্বংস হয়েছে যা গবেষকদের হিসাবের চেয়ে ১৬৫ বছর পরে।[১৪]

ইহুদি ঐতিহাসিক জোসেফাস বলেছেন; "মন্দিরটি নির্মাণের ৪৭০ বছর ৬ মাস ১০ দিন পর আগুনে পুড়েছিলো"। ৫১৬ খ্রিস্টপূর্ব সালে উপাসনালয়টি দ্বিতীয় মন্দির দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।[১৫]

অবস্থানসম্পাদনা

মন্দিরের সঠিক স্থানটি অজানা: এটা বিশ্বাস করা হয় যে মন্দিরটি পাহাড়ের উপরে দ্বিতীয় মন্দিরের স্থলে অর্থাৎ বর্তমান টেম্পল মাউন্টে অবস্থিত, যেখানে বর্তমানে কুব্বাত আস-সাখরা বিদ্যমান।[১৬]

উপাসনাসম্পাদনা

 
রাজা যোয়াশের পূর্বে "আশেরাহ" দেবীকে ইস্রায়েল ও যিহূদা যুক্তরাজ্যে পূজা করা হতো

ইস্রায়েল ও যিহূদা যুক্তরাজ্যের সময় এই মন্দির যিহোবাকে উৎসর্গ করে নির্মাণ করা হয়। রাজা মানাসেহের সময় থেকে রাজা যোয়াশ পর্যন্ত বা'আলঐশ্বরিক সৈন্যদের পূজো দেওয়া হতো এই মন্দিরে।[১৭]

রাজা যোয়াশের সংস্কারের আগ পর্যন্ত এই মন্দিরে আশেরার মূর্তি ছিলো (২ রাজাবলি ২৩:৬)।[১৮]

ফ্রান্সেস্কা স্টাভ্রাকোপৌলুর মতে আশেরাহ ছিলো যিহোভার স্ত্রী এবং যিহোভার সাথে তারও উপাসনা করা হতো।[১৯][২০]

মন্দিরটিতে সৌর চক্র ছিলো (২ রাজাবলি ২৩:১১) এবং মন্দিরের উপাসনাকারীরা পূর্বদিক মুখ হয়ে সূর্যের কাছে মাথানত করতো। (যিহিষ্কেলের পুস্তক ৮:১৬) কোন কোন বাইবেল গবেষক যেমন মার্গারেট বার্কার মনে করে এই সৌর চক্রের সাথে সূর্য ঈশ্বরের সম্পর্ক ছিলো।[২১] হয়তো জেবুসদের ধর্ম ও যেদেকের উপাসনা এসকল উপাসনের উপর প্রভাব ফেলেছিলো [২২] অথবা সম্ভবত তা যিহোভার ধর্মের উপর প্রভাব ফেলেছিলো।[২৩][২৪]

তানাখ অনুসারে এই মন্দিরে চুক্তিদিন্দুকটি সংরক্ষিত ছিলো। তানাখের মতে এই চুক্তিসিন্দুকের ভেতরে দশ আজ্ঞার ফলক ছিলো এবং চুক্তিসিন্দুকটি ডেভিড কিরিয়াথ জেয়ারিম থেকে জেরুজালেম শহরে স্থানান্তর করেছিলেন।[২৫] যদিও বিভিন্ন বাইবেলীয় গবেষকগণ মনে করেন চুক্তিসিন্দুকের এই কাহিনীটা ব্যাবিলনীয় বন্দিদশার আগে বাইবেলীয় পুস্তকগুলোতে যুক্ত করা হয়।[২৬] প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারণা চুক্তিসিন্দুকে অতীতে পৌত্তলিক দেবতাদের মূর্তি ছিলো যা কিরিয়াথ জিয়ারিমে অনেক দিন ধরে, সম্ভবত ব্যাবিলনীয় আক্রমণের পূর্ব পর্যন্ত ছিলো।[২৭]

রাজা যোয়াশের দ্বিবিবরণীয় সংস্কারের সময় আশেরাহের মূর্তি ও সূর্য চক্র মন্দির থেকে সরিয়ে ফেলা হয় এবং বা'আল ও দৈব্য বাহিনীর উপাসনা করা বন্ধ করে দেওয়া হয়।[২৮]

উৎসর্গসম্পাদনা

ইহুদি ধর্মে উৎসর্গ বলতে কশার পশু বলি বা কোরবানি দেওয়া যেমন ষাঁড়, ভেড়া, ছাগল অথবা কবুতর যা শেখিতায় (ইহুদি বলি দেওয়ার ধর্মানুষ্ঠান) কোরবান করা হয়। পশু বলি দেওয়ার পাশাপাশি শষ্য, মাংস, মদ, বা ধূপ উৎসর্গ করা যায়।[২৯][৩০][৩১] উৎসর্গ করা বস্তুগুলো রান্না করে প্রায়শই উৎসর্গকারীরা ভক্ষণ করে থাকেন এবং উৎসর্গের কিছু অংশ কোহেনকে দেওয়া হতো সাথে ছোট অংশগুলো মন্দিরের বেদিতে আগুনে পোড়ানো হতো। শুধু বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে উৎসর্গের সম্পূর্ণ অংশই ঈশ্বরকে দেওয়া হতো।[৩২][৩৩] রাজা যোয়াশের আমলে সবগুলো উৎসর্গ শলোমনের মন্দিরের স্থানে করার নিয়ম করা হয় ও অন্যান্য উৎসর্গের স্থানগুলো বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়। সেই সময় মন্দিরটি পশু জবাইয়ের কেন্দ্র ও জেরুজালেমের অর্থনীতির প্রধান অংশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।[৩৪]

আরো দেখুনসম্পাদনা

পাদটীকা ও তথ্যসূত্রসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Temple of Jerusalem
  2. Temple of Jerusalem
  3. Pruitt 2014
  4. Jonker 1990, পৃ. 656।
  5. Stefon 2020
  6. Britannica: Holy of Holies
  7. Lovett ও Hoffman 2017
  8. Finkelstein ও Silberman 2002, পৃ. 128-9।
  9. Finkelstein ও Silberman 2002, পৃ. 128: Moreover, for all their reported wealth and power, neither David nor Solomon is mentioned in a single known Egyptian or Mesopotamian text. And the archaeological evidence in Jerusalem for the famous building projects of Solomon is nonexistent.
  10. Lundquist 2008, পৃ. 45: The single most important fact regarding the Temple of Solomon is that there are no physical remains of the structure. There is not a single object or artifact that can be indubitably connected with the Temple of Solomon
  11. Shabi 2005
  12. Clifford Mark McCormick (২০০২)। Palace and Temple: A Study of Architectural and Verbal Icons। Walter de Gruyter। পৃষ্ঠা 31–। আইএসবিএন 978-3-11-017277-5 
  13. "Temple In Rabbinical Literature"। JewishEncyclopedia.com। সংগ্রহের তারিখ ২০ মে ২০১৫ 
  14. Yeisen, Yosef (২০০৪), Miraculous journey: a complete history of the Jewish people from creation to the present, Targum Press, পৃষ্ঠা 56, আইএসবিএন 978-1-56871-323-6 
  15. Josephus, Jew. Ant. 10.8.5
  16. Israel Finkelstein ইউটিউবে Jerusalem in Biblical Times...1350—100 B.C.E. - Israel Finkelstein Institute for Advanced Study, Princeton, New Jersey
  17. "Josiah", Jewish Encyclopedia (1906).
  18. Brian Wintle (২০১৫)। South Asia Bible Commentary A One-Volume Commentary on the Whole Bible। Open Doors Publications। 
  19. Jennifer Viegas। "Did God Have A Wife? Scholar says that he did"। NBC News। 
  20. Dever 2005
  21. Margaret Baker। The Mother of the Lord। পৃষ্ঠা 182। 
  22. Karel van der Toorn, Bob Becking, Pieter Willem van der Horst (১৯৯৯)। Dictionary of Deities and Demons in the Bible। পৃষ্ঠা 932। আইএসবিএন 9780802824912 
  23. Mark Smith (১৯৯০)। "The Near Eastern Background of Solar Language for Yahweh"। Journal of Biblical Literature109 (1): 29–39। জেস্টোর 3267327ডিওআই:10.2307/3267327 
  24. G. Johannes Botterweck, Helmer Ringgren, Heinz-Josef Fabry (১৯৭৪)। Theological Dictionary of the Old Testament, Volume 15আইএসবিএন 9780802823397 
  25. Achtemeier, Paul J.; Boraas, Roger S. (১৯৯৬), The HarperCollins Bible Dictionary, San Francisco: HarperOne, পৃষ্ঠা 1096 
  26. Sparks, K. L. (২০০৫)। "Ark of the Covenant"। Bill T. Arnold; H. G. M. Williamson। Dictionary of the Old Testament: Historical BookInterVarsity Press। পৃষ্ঠা 91। 
  27. Ariel David (৩০ আগস্ট ২০১৭)। "The Real Ark of the Covenant may have Housed Pagan Gods"Haaretz 
  28. Elon Gilad (২৬ জুলাই ২০১৮)। "When the Jews Believed in Other Gods"Haaretz 
  29. Straight Dope Science Advisory Board (১৭ এপ্রিল ২০০৩)। "Why do Jews no longer sacrifice animals?"The Straight Dope। সংগ্রহের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০১৭ 
  30. Rabbi Michael Skobac। "Leviticus 17:11"Jews for Judaism। ৩০ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০১৭ 
  31. "Archived copy"। ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ 
  32. "Judaism 101: Qorbanot: Sacrifices and Offerings"www.jewfaq.org 
  33. Morris Jastrow; ও অন্যান্য (১৯০৬)। "Azazel"Jewish Encyclopedia। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  34. Tia Ghose (৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩)। "Animal sacrifice at temple powered ancient Jerusalem's economy" 

সূত্রসম্পাদনা

বইসম্পাদনা

গবেষণা নিবন্ধসম্পাদনা

অন্যান্যসম্পাদনা

  • Draper, Robert (ডিসে ২০১০)। "Kings of Controversy"National Geographic: 66–91। আইএসএসএন 0027-9358। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০১০ 
  • Finkelstein, Israel; Neil Asher Silberman (২০০৬)। David and Solomon: In Search of the Bible's Sacred Kings and the Roots of the Western Tradition । Free Press। আইএসবিএন 978-0-7432-4362-9 
  • Finkelstein, Israel; Neil Asher Silberman (২০০১)। The Bible Unearthed: Archaeology's New Vision। Free Press। 
  • Glueck, Nelson (ফেব্রু ১৯৪৪)। "On the Trail of King Solomon's Mines"। National Geographic85 (2): 233–56। আইএসএসএন 0027-9358 
  • Goldman, Bernard (১৯৬৬)। The Sacred Portal: a primary symbol in ancient Judaic art। Detroit: Wayne State University Press। It has a detailed account and treatment of Solomon's Temple and its significance. 
  • Hamblin, William; David Seely (২০০৭)। Solomon's Temple: Myth and History। Thames and Hudson। আইএসবিএন 978-0-500-25133-1 
  • Mazar, Benjamin (১৯৭৫)। The Mountain of the Lord। NY: Doubleday। আইএসবিএন 978-0-385-04843-9 
  • Young, Mike। "Temple Measurements and Photo recreations" 
  • Stefon, Matt (৩০ এপ্রিল ২০২০)। "Solomon"Encyclopedia Britannica। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২০ 
  • "Holy of Holies"Encyclopedia Britannica। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২০ 
  • "Temple of Jerusalem"Encyclopedia Britannica। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২০ 
  • Pruitt, Sarah (১০ জানুয়ারি ২০১৪)। "Fate of the Lost Ark Revealed?"HISTORY। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২০ 
  • Lovett, Richard A.; Hoffman, Scot (২১ জানুয়ারি ২০১৭)। "Ark of the Covenant"National Geographic। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২০ 
  • Shabi, Rachel (২০ জানুয়ারি ২০০৫)। "Faking it"the Guardian। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২০ 

আরো পড়ুনসম্পাদনা

একবিংশ শতাব্দীর সূত্রাদি

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

  •   উইকিমিডিয়া কমন্সে Temple of Solomon সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন