শক্তি ঔষধালয় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরে অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী আয়ুর্বেদ-ভিত্তিক ঔষধালয়। এটির প্রধান কেন্দ্র পুরোন ঢাকার পাটুয়াটুলি এলাকায় অবস্থিত। ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] আয়ুর্বেদ গবেষণাকেন্দ্র হিসাবে শক্তি ঔষধালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯০১ খ্রিষ্টাব্দে। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মথুরামোহন চক্রবর্তী[১]

শক্তি ঔষধালয়

শুরুতে শক্তি ঔষধালয়ের প্রধান দুটি ঔষধ ছিল চ্যবনপ্রাস ও স্বর্ণসিন্দুর।[১]

ইতিহাস

সম্পাদনা

একদা ঢাকার জুবিলী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মথুরামোহন চক্রবর্তী অসুস্থ হলে লোকনাথ ব্রহ্মচারীর শরণাপন্ন হন। ব্রহ্মচারীর কৃপায় সুস্থ হলে তার নির্দেশে আয়ুর্বেদ চর্চা শুরু করেন যার ফলে শক্তি ঔষধালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। মথুরামোহন এর আয় থেকে অর্ধেক নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন এবং বাকি অর্ধেক মানবকল্যাণে ব্যয় করতেন। [২]

১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করার পরে সরকার শক্তি ঔষধালয়ের মালিকানা গ্রহণ করে। পরে ১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দে পুনরায় এটিকে বেসরকারি মালিকানায় ফিরিয়ে দেয়া হয়। বর্তমানে সারা দেশে শক্তি ঔষধালয় ৩৭টির অধিক শাখা রয়েছে। ঔষধ প্রস্তুতি ছাড়াও শক্তি ঔষধালয় আয়ুর্বেদ বিষয়ক পুস্তিকা "শক্তির গৃহ চিকিৎসা" প্রকাশ করে।

তথ্যসূত্র

সম্পাদনা

আরও দেখুন

সম্পাদনা

বহিঃসংযোগ

সম্পাদনা