লাঠি (১৯৯৬ চলচ্চিত্র)

লাঠি হল ১৯৯৬ এর একটি প্রকাশিতব্য বাংলা পারিবারিক চলচ্চিত্র যার লেখক, চিত্রনাট্যকার এবং পরিচালক প্রভাত রায় ছিলেন। মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ভিক্টর বানার্জি, সৌমিত্র চ্যাটার্জী, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, দেবশ্রী রায়, শতাব্দী রায়, অভিষেক চ্যাটার্জী, পল্লবী চ্যাটার্জী, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, দীপঙ্কর দে, সব্যসাচী চক্রবর্তী, কৌশিক সেন এবং অন্যান্য শিল্পীবৃন্দ। ছবিটির সংগীত করেছেন বাপ্পি লাহিড়ী। ছবিটির গানগুলি মুক্তি পাওয়ার পরে খুব জনপ্রিয় হয়েছিল। ছবিটি ১৯৯৬ সালে এ মুক্তি পেয়েছিল এবং সুপারহিট হয়েছিল।

লাঠি
পরিচালকপ্রভাত রায়
প্রযোজকশান্তি ফিল্ম কর্পোরেশন
রচয়িতাবালাজি সাখাতিভেল
চিত্রনাট্যকারপ্রভাত রায়
কাহিনিকারপ্রভাত রায়
শ্রেষ্ঠাংশেভিক্টর বানার্জি, সৌমিত্র চ্যাটার্জী, আরও অনেকে।
সুরকারবাপ্পি লাহিড়ী
চিত্রগ্রাহককার্তিক বোস
মুক্তি
  • ১৯৯৬ (1996)
দৈর্ঘ্য১৬০ মিনিট
দেশ ভারত
ভাষাবাংলা

সংক্ষিপ্ত কাহিনীসম্পাদনা

অতীন্দ্রনাথ ব্যানার্জি তাঁর বৃদ্ধ বয়সে অবসর গ্রহণের পরে স্থানীয় একটি স্কুলে দীর্ঘমেয়াদী চাকরির পরে তার কাছ থেকে স্বীকৃতি এবং বিদায় নেন। বাড়ি ফেরার সময় তিনি তার জামাতা, সোমনাথ এবং তাঁর মেয়ে লিপি তার সাথে বাড়ি ফির ছিল। ফেরার পথে অতীন্দ্রনাথ বাবু দেখেন অসামাজিক কিছু লোকজন একজন বৃদ্ধ মহিলাকে মারধর ও হয়রানি করছে এবং তারা বলেছে সে নাকি অপহরণকারী। তিনি প্রতিবাদ করেন এবং সেই বৃদ্ধ মহিলাকে বাঁচান। তাঁর পুত্র (কৌশিক ব্যানার্জি, বোধিসভট্ট) এবং পুত্রবধূদের হয়রানি মকাবিলার জন্য তিনি তার কাঠি ব্যবহার করে তাদের শিক্ষা দেন। তবে, তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র (অভিষেক চ্যাটার্জী) তার বাবাকে না জানিয়ে সোনালিকে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বিয়ে করে। কিন্তু তার বাবা, সমস্ত রকম ব্যবস্থা করে এবং তারপর এক বস্তিতে বসবাস শুরু করেন এবং সেখানে পড়ানো শুরু করেন। তবে, সেখানেও একজন রাজনৈতিক নেতা তাকে হয়রানি শুরু করে। এদিকে তার নাতনি জুন মালিয়া টোটা রায়চৌধুরীর সাথে যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং গর্ভবতী হয়। তবে শেষ পর্যন্ত সব কিছুই অতীন্দ্রনাথ বাবু ঠিক করে দেন এমনকি তিনি সেই রাজনৈতিক নেতাকে শেষ করে আবার বস্তিতে ফিরে এসে আবার পড়ানো শুরু করেন।

এই ছবিতে এখানে লাঠি ব্যবহার করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে এক বৃদ্ধের দ্বারা জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে লাঠির কতটা জরুরি।

অভিনয়সম্পাদনা

অতীন্দ্রনাথ ব্যানার্জি ভূমিকায় ভিক্টর বানার্জি, সোমনাথের ভূমিকায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, কল্যাণী চরিত্রে দেবশ্রী রায়, রায়লিপি চরিত্রে শতাব্দী রায়, বনানী চরিত্রে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, উমা চরিত্রে পল্লবী চ্যাটার্জী, সোনালী চরিত্রে জুন, এছাড়া বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সৌমিত্র চ্যাটার্জী, অভিষেক চ্যাটার্জী দীপঙ্কর দে, সব্যসাচী চক্রবর্তী, কৌশিক সেন, মনোজ মিত্র হারাধন বন্দোপাধ্যায়, নির্মল কুমার, দুলাল লাহিড়ী, অরিন্দম সিল, বোধিসত্তো মজুমদার, কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দন সেনগীতা দে, দেবিকা মিত্র, সংঘমিত্র বন্দোপাধ্যায়, পুষ্পিতা মুখোপাধ্যায়, রীতা কৈরাল, সোহম চক্রবর্তী (মাস্টার বিট্টু), (শিশু শিল্পী) সাহেব ভট্টাচার্য।

পুরস্কারসম্পাদনা

বিএফজেএ পুরস্কার (১৯৯৭), সেরা অভিনেতা: ভিক্টর বানার্জি, সেরা শিল্প নির্দেশনা: কার্তিক বোস[১]

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "1997 award winners"bfjaaward.com। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-০৪-২৮