লক্ষ্মণ সারস

পাখির প্রজাতি

লক্ষ্মণ সারস বা দারু হলো একটি সারস প্রজাতি। এর বৈজ্ঞানিক নাম গ্রুস গ্রুস। এটি ইউরেশীয় ক্রেন নামে পরিচিত। এটি মূলত Gruidae পরিবারের একটি সারস প্রজাতি। বাংলা নামটি নেওয়া হয়েছে এর নেপালি নাম লক্ষণ সারস থেকে।

লক্ষ্মণ সারস
Grus grus 2 (Marek Szczepanek).jpg
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: Chordata
শ্রেণী: Aves
বর্গ: Gruiformes
পরিবার: Gruidae
গণ: Grus
প্রজাতি: G. grus
দ্বিপদী নাম
Grus grus
Linnaeus, 1758
Distribución grullas.jpg

শ্রেণিবিন্যাসসম্পাদনা

দারুর প্রথম আনুষ্ঠানিক বর্ণনাটি করেছিল সুইডিশ প্রকৃতিবিদ কার্ল লিনিয়াস। ১৭৫৮ সালে তার "সিস্টেমা ন্যাচার" গ্রন্থের দশম সংস্করণে Ardea grus দ্বিপদী নামে লক্ষ্মণ সারসকে উল্লেখ করেন।[২] বর্তমান এটি গ্রাস গণের অন্তর্ভুক্ত। মূলত লিনিয়াসের পর ১৭৬০ সালে ফরাসি প্রাণীবিদ মাথুরিন জ্যাক ব্রিসন এই অন্তর্ভুক্তি করেছিলেন।[৩] Grus হচ্ছে "crane" বা সারসের লাতিন প্রতিশব্দ।[৪]

বর্ণনাসম্পাদনা

লক্ষ্মণ সারসের ডাক

লক্ষ্মণ সারস বা দারু একটি বৃহৎ, সুশৃঙ্খল পাখি এবং একটি মাঝারি আকারের সারস। এর পায়ের দৈর্ঘ্য ১০০–১৩০ সেন্টিমিটার (৩৯–৫১ ইঞ্চি) এবং উইং স্প্যানের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮০–২৪০ সেমি (৭১–৯৪ ইঞ্চি)। দৈহিক ভর প্রায় ৩ থেকে ৬.১ কেজি (৬.৬ থেকে ১৩.৪ পা)এর মধ্যে হয়ে থাকে।

পরিযানসম্পাদনা

শীত ও গ্রীষ্মে অনুকূল আবাসস্থলের সন্ধানে মাইগ্রেশন কালে ইউরেশিয়ান ক্রেন ৩৩ হাজার ফুট উচ্চতা স্পর্শ করে। গীষ্মে এরা দক্ষিণ ইউরোপ এবং এশিয়ায় বসবাস করে। শীত আসতেই হিমালয় পেরিয়ে উত্তর আফ্রিকায় পাড়ি জমায়। যা প্রাণীজগতের দীর্ঘতম মাইগ্রেশনগুলোর একটি।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. BirdLife International (২০১৬)। "Grus grus"বিপদগ্রস্ত প্রজাতির আইইউসিএন লাল তালিকা (ইংরেজি ভাষায়)। আইইউসিএন2016: e.T22692146A86219168। ডিওআই:10.2305/IUCN.UK.2016-3.RLTS.T22692146A86219168.en  
  2. Linnaeus, C. (১৭৫৮)। Systema Naturæ per regna tria naturae, secundum classes, ordines, genera, species, cum characteribus, differentiis, synonymis, locis (Latin ভাষায়)। Volume 1 (10th সংস্করণ)। Holmiae:Laurentii Salvii। পৃষ্ঠা 141–142। 
  3. Brisson, Mathurin Jacques (১৭৬০)। Ornithologie, ou, Méthode contenant la division des oiseaux en ordres, sections, genres, especes & leurs variétés (French and Latin ভাষায়)। Volume 5। Paris: Jean-Baptiste Bauche। পৃষ্ঠা 374–375। 
  4. Jobling, James A. (২০১০)। The Helm Dictionary of Scientific Bird Names। London: Christopher Helm। পৃষ্ঠা 179। আইএসবিএন 978-1-4081-2501-4