রজনীগন্ধা (১৯৭৪-এর চলচ্চিত্র)

হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্র
(রজনীগন্ধা (হিন্দি চলচ্চিত্র) থেকে পুনর্নির্দেশিত)

রজনীগন্ধা (হিন্দি: रजनीगंधा) হচ্ছে ১৯৭৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি হিন্দি চলচ্চিত্র। বসু চ্যাটার্জী এর পরিচালনায় চলচ্চিত্রটিতে অমল পালেকর এবং বিদ্যা সিনহা মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। হিন্দি গল্পলেখক 'ইয়েহি সাচ হে' (ছোটোগল্প) এর ভিত্তি করে এই চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছিলো।[১]

রজনীগন্ধা
রজনীগন্ধা (১৯৭৪-এর হিন্দি চলচ্চিত্র).jpg
পোস্টার
পরিচালকবসু চ্যাটার্জী
প্রযোজকসুরেশ জিন্দাল
কমল সায়গাল
রচয়িতাবসু চ্যাটার্জী (সংলাপ)
চিত্রনাট্যকারবসু চ্যাটার্জী
কাহিনিকারমনু ভাণ্ডারী
উৎস"ইয়েহি সাচ হে" মনু ভাণ্ডারী এর
শ্রেষ্ঠাংশেঅমল পালেকর
বিদ্যা সিনহা
দীনেশ ঠাকুর
সুরকারপ্রকৃত স্কোর এবং গান:
সলিল চৌধুরী

গানের কথা:
যোগেশ
চিত্রগ্রাহককে কে মহাজন
সম্পাদকজি জি মায়েকর
মুক্তি
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ (1974-09-13)
দৈর্ঘ্য১১০ মিনিট
দেশভারত
ভাষাহিন্দি

চলচ্চিত্রটি ১৯৭৫ সালের ফিল্মফেয়ার সেরা চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণীতে পুরস্কার এবং সেরা চলচ্চিত্র সমালোচক পুরস্কার জিতেছিলো। চলচ্চিত্রটির কাহিনীতে ভারতের সত্তরের দশকের শহুরে জীবন যাপন দেখানো হয়েছিলো।[২]

কাহিনীসারাংশসম্পাদনা

সঞ্জয় এবং দীপা দিল্লিতে একই ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়ে পড়ে এবং তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব হয় একদিন বৃষ্টিস্নাত দিনে পরীক্ষা দিতে যাবার সময়; সঞ্জয় এবং দীপা দুজনেই একে অপরের ভালো বন্ধু হয়ে যায়। দীপার একই মহাবিদ্যালয়ে আগে নবীন নামের এক বন্ধু থাকলেও তার সঙ্গে তার পরে ঝামেলা হয়। দীপা তার এক বান্ধবী ইরার বাসায় থাকা শুরু করে দিল্লিতেই যে বান্ধবী আবার চাকরিজীবী ঐ বাসায় আবার হঠাৎ একদিন নবীন চলে আসে এবং পুনরায় দীপার সঙ্গে ভালো করেই কথা হয়। সঞ্জয় আর দীপা দুজনেই আলাদা আলাদা ভাবে চাকরি পেয়ে যায় তবে দীপা সহজে সঞ্জয়কে বিয়ে করতে চায়না কারণ সে বাচ্চা চায়না, কিন্তু সঞ্জয় চায়। অপরদিকে সঞ্জয়ের পরিবার তাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য উদ্গ্রীব থাকে কিন্তু সে দীপাকে ভালোবাসে, আবার দীপাও সঞ্জয়কে বন্ধু মনে করে। দীপা শেষ পর্যন্ত সঞ্জয়ের সঙ্গে বিয়ে ছাড়াই এক্ত্রবাসের সিদ্ধান্ত নেয় মুম্বাইতে। দীপা বিয়ে করতে চায়না কারণ বিয়েকে সে একটি ঋণাত্মক চুক্তি মনে করে।

অভিনয়েসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Yahi Such Hai www.abhivyakti-hindi.org.
  2. "Rajnigandha (1974)"। The Hindu। সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৪-০৪ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা