রকি (১৯৮১-এর চলচ্চিত্র)

রকি (হিন্দি: रॉकी) হচ্ছে ১৯৮১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি হিন্দি চলচ্চিত্র যেটি ছিলো হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্পের অন্যতম কিংবদন্তী অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত'র জীবনের অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র যদিও ১৯৭১ সালে 'রেশমা অর শেরা' নামের চলচ্চিত্রে তিনি শিশুশিল্পী হিসেবে কিছুক্ষণের জন্য অভিনয় করেছিলেন কিন্তু এই রকি ছিলো তাঁর জীবনের প্রথম কর্ম যেটা তাকে বলিউডে ঢুকিয়ে দেয়। চলচ্চিত্রটি তাঁর পিতা সুনীল দত্ত পরিচালনা করেছিলেন, সঞ্জয় এর সঙ্গে নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেছিলেন টিনা মুনিম। চলচ্চিত্রটির আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন রীনা রায়, আমজাদ খান, শক্তি কাপুর, রাখী এবং অরুণা ইরানী। অরুণা এই চলচ্চিত্রের জন্য সেরা সহ অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণীতে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের মনোনয়ন পেয়েছিলেন যেটি ছিলো চলচ্চিত্রটির জন্য একমাত্র মনোনয়ন।[১]

রকি
রকি (১৯৮১-এর চলচ্চিত্র).JPG
রকি চলচ্চিত্রের পোস্টার
পরিচালকসুনীল দত্ত
প্রযোজকঅমরজিত
রচয়িতা
  • ভারত ভি ভাল্লা
  • ডাঃ রাহি মাসুম রেজা
শ্রেষ্ঠাংশে
সুরকাররাহুল দেব বর্মণ
চিত্রগ্রাহকএস রামচন্দ্র
সম্পাদক
  • বামন ভোসলে
  • গুরুদত্ত শিরালি
প্রযোজনা
কোম্পানি
মেহবুব স্টুডিওস
পরিবেশকশেমারু ভিডিওস
মুক্তি
  • ৮ মে ১৯৮১ (1981-05-08) (ভারত)
দেশভারত
ভাষাহিন্দি

খ্যাতিমান অভিনেতা শাম্মী কাপুর নিজ চরিত্রেই ছিলেন, তিনি 'আ দেখে যারা' নামের একটি গানের বিচারক হিসেবে থাকেন, গানটিতে সঞ্জয় আর রীনা এবং শক্তি-টিনা জুটি হিসেবে নাচেন। সঞ্জয়ের মা নার্গিস এই চলচ্চিত্রটি মুক্তি পাবার কয়েকদিন আগে মারা যান। রকি দর্শকপ্রিয়তা সহ ব্যবসাসফলতাও পেয়ে যায়, ১৯৮১ সালের সেরা ১০ ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রের মধ্যে রকি স্থান পেয়েছিলো।[২]

কাহিনীসম্পাদনা

শঙ্কর একজন শিক্ষিত যুবক যিনি রতনলাল এর নির্মাণ শিল্পে চাকরি করেন। শঙ্কর ইউনিয়ন নেতাও, এবং রতনলালকে শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য ব্যবস্থা জোরদার করতে চাইবে শঙ্কর তার স্ত্রী পারভাতি এবং ছোট ছেলে রাকেশ -কে ছেড়ে দিয়ে কাজটি সম্পন্ন দুর্ঘটনায় নিহত হন। রাকেশ এই ঘটনার কারণে আতঙ্কিত হয়েছেন, আর তার মাকে তার মায়ের কাছে আসতে হয় তার মনের মধ্যে এই আতঙ্কটি পুনরাবৃত্তি হয়। রাকেশ এবং তাঁর স্ত্রী কালি দ্বারা গৃহীত হয় এবং রকিকে রকিকে নামকরণ করেন।

কয়েক বছর পরে, রকি তার জন্মের মা কে জানত না, তার জন্ম হয়। রানী এর জীবনধারার যত্নহীন, যতক্ষণ না সে রেণুকা এর সাথে ভালবাসে। তারপর তিনি জানতে পারেন যে তিনি সত্যিকার অর্থে রাকেশ, এবং যে তার মা এখনও বেঁচে আছে, এবং তার বাবা অকারণে মারা যায় নি, কিন্তু হত্যা করা হয়। রকি তার বাবার মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বেরিয়ে আসে। তিনি একটি ধর্ষণ শিকার থেকে সাহায্য পায়। কিন্তু তিনি জানেন না যে, তাঁর নিকটবর্তী ও প্রিয়জনদের সঙ্গে তাঁর দিনগুলোও গণনা করা যেতে পারে।

অভিনয়েসম্পাদনা

গানের তালিকাসম্পাদনা

রাহুল দেব বর্মণ ছিলেন গানগুলোর সুরকার এবং গীতিকার ছিলেন আনন্দ বকশী, 'কিয়ে ইয়েহি পিয়ার হ্যায়' গানটি রাহুলেরই সুর করা বাংলা গান 'এ কি ভালোবাসা'র পুনঃসুরকৃত সংস্করণ ছিলো।

নং.শিরোনামকণ্ঠশিল্পী(গণ)দৈর্ঘ্য
১."কিয়া ইয়েহি পিয়ার হ্যায়"কিশোর কুমার, লতা মঙ্গেশকর০৬ঃ২৪
২."আ দেখে যারা"কিশোর কুমার, আশা ভোঁসলে০৮ঃ৩১
৩."আও মেরে ইয়ারো আও"কিশোর কুমার০৪ঃ২৪
৪."গীত সুনোগে হুজুর"আশা ভোঁসলে০৩ঃ০৬
৫."দোস্তো কো সালাম"কিশোর কুমার০৬ঃ০৬
৬."হাম তুমসে মিলে"কিশোর কুমার, লতা মঙ্গেশকর০৬ঃ০০
৭."নৃত্য সঙ্গীত"গোপী কৃষণ০২ঃ৫৫

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা