যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশী বিশ্ববিদ্যালয়

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ইংরেজি: Jashore University of Science and Technology) বাংলাদেশের যশোর জেলায় অবস্থিত প্রথম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ২০০৭ সালের ২৫ জানুয়ারি এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৮-২০০৯ শিক্ষাবর্ষে এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। এটি খুলনা বিভাগের চতুর্থ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ।

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো.jpg
ধরনসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
স্থাপিত২৫ জানুয়ারি ২০০৭
আচার্যরাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ
উপাচার্যঅধ্যাপক ড.মোঃ আনোয়ার হোসেন
ডিনঅধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গালিব
অধ্যাপক ড. মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস
অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল আমিন
ড. মো. নাসিম রেজা
ড. সুমন চন্দ্র মোহন্ত
ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন
ড. মো. মেহেদী হাসান
রেজিস্ট্রারপ্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব
শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গ
২৭২
শিক্ষার্থীপ্রায় ৪১০৫
স্নাতক১ম ব্যাচ, ২০০৮
স্নাতকোত্তর১ম ব্যাচ, ২০১২
অবস্থান,
শিক্ষাঙ্গনশহুরে ৩৫ একর (১৪ হেক্টর)
সংক্ষিপ্ত নামযবিপ্রবি / (JUST)
অধিভুক্তিবিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
ওয়েবসাইটwww.just.edu.bd

ইতিহাসসম্পাদনা

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (Jashore University of Science and Technology), সংক্ষেপে যবিপ্রবি বা JUST, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বৃহত্তর যশোর জেলার প্রথম ও একমাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। উচ্চ শিক্ষার মাধ্যমে আধুনিক জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০০৭ সালের ২৫ জানুয়ারি, যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের সাজিয়ালী মৌজায় ৩৫ একর জায়গা জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। বর্তমানে এ ক্যাম্পাসের আয়তন একশ একরে বর্ধিত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম যশোর শহরের ধর্মতলাস্থ ‘বৃষ্টি মহল’ নামের একটি ভাড়া বাড়িতে শুরু হয়। এ বাড়িতেই ২০০৯ সালে ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষে ‘কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল, ‘পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ‘অণুজীববিজ্ঞান’এবং ‘ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স’বিভাগে মোট ২০০ জন শিক্ষার্থীর ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

ঐ বছরই মূল ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালের ২৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ক্যাম্পাসের শুভ উদ্বোধন করেন।

বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে সাতটি অনুষদের অধীনে মোট ২৬টি বিভাগে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়ে ৪ হাজার ১০৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যায়নরত। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেসর, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর, অ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসর ও লেকচারার মিলিয়ে মোট ২৭২ জন শিক্ষক, বিভিন্ন গ্রেডের ১১৪ জন কর্মকর্তা এবং দৈনিক মজুরিভিত্তিকসহ প্রায় ৩১৭ জন কর্মচারী কর্মরত আছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক পটভূমি রয়েছে। প্রথমে যশোর শহরের উপকণ্ঠ রামনগর নামক একটি স্থানে এটি প্রতিষ্ঠা হওয়ার কথা ছিল। ২০০১ সালে বাংলাদেশের মহান জাতীয় সংসদ কর্তৃক গৃহীত ‘যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১’নামে ঐ সালের ৪৪ নম্বর আইনে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ১৫ জুলাই তারিখে তাঁর সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেন। এরপরে নানা ঘটনার প্রেক্ষিতে ২০০৪ সালের ৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত প্রাক-একনেক সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর যৌথভাবে সরেজমিনে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য স্থান নির্ধারণ করবে, এই মর্মে পুনঃসিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় যশোরের জেলা প্রশাসককে আহ্বায়ক এবং ইউজিসির একজন প্রতিনিধিকে সদস্য-সচিব করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্বাচনের জন্য ছয় সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে। এ কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে বর্ণিত রামনগরের পরিবর্তে বর্তমান স্থানে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সুপারিশ করে। এরই প্রেক্ষিতে ২৫ জানুয়ারি, ২০০৭ খ্রি. তারিখ হতে বিশ্ববিদ্যালয়টির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।

শহুরে যানজট ও কোলাহল মুক্ত পরিবেশে নিবিড় গবেষণার লক্ষ্যে যশোরের মূল শহর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে স্বাধীনতা সড়কে (যশোর-চৌগাছা সড়ক নামেও পরিচিত) বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান। ক্যাম্পাসের মনোরম পরিবেশ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চারপাশের অনুপম গ্রামীণ দৃশ্য সবাইকে মুগ্ধ করে। তবে এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। আশা করা যায়, এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষে গবেষণা ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্বের বুকে এক অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত হবে।

অবস্থানসম্পাদনা

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ,স্বাধীনতা সড়ক যেটি চৌগাছা-চুড়ামনকাঠি সড়ক নামেও পরিচিত যশোর সদর, যশোর-এ অবস্থিত । যশোরের কেন্দ্র দড়াটানা থেকে এটি প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ।

অনুষদ ও বিভাগ সমূহসম্পাদনা

 
যবিপ্রবির চারপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য

প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদসম্পাদনা

জীব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদসম্পাদনা

  • ফার্মেসী(Pharm)
  • অণুজীব বিজ্ঞান (MB)
  • ফিসারিজ এন্ড মেরিন বায়োসাইন্স(FMB)
  • জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি(GEBT)

ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদসম্পাদনা

  • পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (EST)
  • পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি(NFT)
  • Agro Product Processing Technology (APPT)
  • ক্লাইমেট অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট (সিডিএম)

কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদসম্পাদনা

স্বাস্থ্যবিজ্ঞান অনুষদসম্পাদনা

  • শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান (PESS)
  • ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলেটশন (পিটিআর)
  • নার্সিং অ্যান্ড হেলথ সায়েন্স (এনএইচএস)

বিজ্ঞান অনুষদসম্পাদনা

  • রসায়ন বিজ্ঞান (Chem)
  • গণিত (Math)
  • পদার্থ বিজ্ঞান(Phy)

ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদসম্পাদনা

  • একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস(AIS)
  • ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং(FB)
  • ম্যানেজমেন্ট(MGT)
  • মার্কেটিং (MKT)

উপাচার্যের তালিকাসম্পাদনা

নাম হইতে পর্যন্ত
অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরকার ২০-অক্টোবর-২০০৮[১] ৮-এপ্রিল-২০০৯
অধ্যাপক ড. মো: আব্দুস সাত্তার ৯-এপ্রিল-২০০৯[২] ৮ এপ্রিল ২০১৭
অধ্যাপক ড.মোঃ আনোয়ার হোসেন ১৯ মে ২০১৭ বর্তমান

একাডেমিকসম্পাদনা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অনুষদ ভবনসম্পাদনা

 
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অনুষদ ভবন

যবিপ্রবি ক্যাম্পাসের উত্তরে অবস্থিত একটি নয় তলা ভবন । সব বিভাগের অফিস,পাঠদান কক্ষ ,এবং পরীক্ষাগার এই ভবনে । প্রকৌশল এবং প্রযুক্তি অনুষদের বিভাগসমূহ গ্রাউন্ড ফ্লোর, ১ম ও ২য় (আংশিক) ফ্লোরে। অন্যদিকে ,জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের বিভাগসমূহ ২য় ও ৩য় (আংশিক) ফ্লোরে এবং ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং শারীরিক শিক্ষা ,ভাষা ও নৈতিক শিক্ষা অনুষদের বিভাগসমূহ অনুষদ ভবনের ৩য় ফ্লোরে ।

মাস্টার্স প্রোগ্রামসম্পাদনা

 
যবিপ্রবির উপাচার্য প্রফেসর ড.এম.আব্দুস সাত্তার অডিটরিয়ামে বক্তৃতা দিচ্ছেন
  • কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং(CSE)
  • পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি(EST)
  • অণুজীব বিজ্ঞান (MB)
  • ফিসারিজ এন্ড মেরিন বায়োসাইন্স(FMB)
  • Electrical Electronic Engineering (EEE)
  • Petroleum and Mining Engineering(PME)

কনফারেন্সসম্পাদনা

যবিপ্রবিতে বিভিন্ন সময়ে বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] আয়োজন করা হয়েছে । ২০১২ তে , যবিপ্রবি ক্যাম্পাসে "গ্রিন কেমেস্ট্রি "নামে একটা আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের আয়োজন করা হয় ।

সমাবর্তনসম্পাদনা

যবিপ্রবিতে ১০ মে ,২০১৩ তে ১ম সমাবর্তন উদযাপন করে । ১ম সমাবর্তনে উপস্থিত ছিলেন - মহামান্য রাষ্ট্রপতির পক্ষে, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মো.নুরুল ইসলাম নাহিদ । সমাবর্তন বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন ,শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালের প্রফেসর -ড . মুহাম্মদ জাফর ইকবাল । যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ‘৩য় সমাবর্তন-২০১৮’ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, বুধবার অনুষ্ঠিত হয়। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদ। আর সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জার্মানির নাগরিক, ১৯৮৮ সালে রসায়ন শাস্ত্রে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. রবার্ট হিউবার। বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে এই প্রথম একজন অবাঙালি নোবেল বিজয়ী সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

ফ্যাসিলিটিজসম্পাদনা

আবাসিক হলসম্পাদনা

 
শহীদ মসিয়ূর রহমান হল

শহীদ মসিয়ূর রহমান হলসম্পাদনা

সাবেক আইনমন্ত্রী, প্রখ্যাত আইনজীবী, স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধকালে একমাত্র শহীদ সংসদ সদস্য ও যশোরের কৃতি সন্তান শহীদ মসিয়ূর রহমানের নামে ২০১০ সালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ছাত্র হলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই হলের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, একটি অত্যাধুনিক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও কম্পিউটার সজ্জিত পাঠকক্ষ রয়েছে। এ ছাড়া হলটিতে একটি প্রার্থনা কক্ষ, একটি ক্যানটিন, একটি ডাইনিং এবং একটি টিভি কক্ষ রয়েছে। শহীদ মসিয়ূর রহমান হলে বর্তমানে ৭৫৪ জন আবাসিক শিক্ষার্থী রয়েছেন। হলের সম্প্রসারিত ভবনে বিদেশি শিক্ষার্থী, এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের জন্য বিশেষ আবাসিক সুবিধা আছে।

প্রতি বছর বিভিন্ন দিবস উপলক্ষে হলে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং প্রতিযোগিতামূলক বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া জাতীয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে হলে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। শহীদ মসিয়ূর রহমান হল ২০১০ সালের ১ অক্টোবর মাত্র ১০৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করে। উক্ত হলে প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন যথাক্রমে প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম, ড. মোঃ নাসিম রেজা, ড. মঞ্জুরুল হক, প্রফেসর ড. মোঃ সাইবুর রহমান মোল্যা, প্রফেসর ড. মোঃ ইকবাল কবীর জাহিদ ও ড. মোঃ আমজাদ হোসেন। বর্তমানে ড. মোঃ নাজমুল হাসান এ হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই হলে পাঁচজন সহকারী প্রভোস্ট, একজন কর্মকর্তা ও নয় জন কর্মচারী রয়েছেন।

শেখ হাসিনা ছাত্রী হলসম্পাদনা

 
শেখ হাসিনা হল

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নামে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলের নামকরণ করা হয়। শেখ হাসিনা ছাত্রী হল ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই হলের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, একটি সুসজ্জিত পাঠকক্ষ, একটি প্রার্থনা কক্ষ, একটি ক্যানটিন, একটি ডাইনিং এবং একটি টিভি কক্ষ রয়েছে। হলের শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সুব্যবস্থা রয়েছে, যেমন: ক্যারাম, টেবিল টেনিস, দাবাসহ ইনডোর গেমস, ইত্যাদি। প্রতি বছর বিভিন্ন জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে হলে আলোচনা সভা, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিতর্ক প্রতিযোগিতা প্রভৃতির আয়োজন করা হয়। শেখ হাসিনা ছাত্রী হল ২০১০ সালের ১ অক্টোবর মাত্র ৮৩ জন ছাত্রী নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে এই হলে আবাসিক ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৬০০ জন। উক্ত হলে প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন যথাক্রমে ড. মৌমিতা চৌধুরী, আফরোজা খাতুন, নিগারিন সুলতানা, শিউলি খাতুন ও প্রফেসর ড. মোঃ আনিছুর রহমান। বর্তমানে ড. সেলিনা আক্তার এ হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই হলে বর্তমানে চার জন সহকারী প্রভোস্ট, একজন কর্মকর্তা ও আট জন কর্মচারী রয়েছেন। এ ছাড়া রান্না, পরিচ্ছন্নতা ও ক্যানটিন পরিচালনার জন্য ১৫ জন কর্মচারী রয়েছেন।

মুনশি মোহাম্মদ মেহেরুল্লাহ হল

যশোরের কৃতি সন্তান মুনশি মোহাম্মদ মেহেরুল্লাহ ছিলেন বিশিষ্ট কবি, ধর্মপ্রচারক ও সমাজ-সংস্কারক। তিনি ১৮৬১ সালে তৎকালীন যশোরের কালীগঞ্জ উপজেলার ঘোপ নামক গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামে। বিশিষ্ট এ কবি, ধর্মপ্রচারক ও সমাজ-সংস্কারকের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং তাঁর স্মৃতিকে অম্লান রাখার অংশ হিসেবে তাঁর নামে যবিপ্রবির দ্বিতীয় এ ছাত্র হলের নামকরণ করা হয়েছে। গত ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রি. তারিখে ১০-তলা বিশিষ্ট এ ছাত্র হলটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন। বর্তমানে এ হলটির নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। আশা করা হচ্ছে, অচীরেই এর নির্মাণকাজ সমাপ্ত হবে। নির্মাণকাজ সমাপ্ত হলে এ হলে নূন্যতম এক হাজার শিক্ষার্থীর আবাসন ব্যবস্থা হবে। নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এই হলে বিদেশি শিক্ষার্থী, এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের জন্য বিশেষ আবাসিক সুবিধাও থাকবে। বর্তমানে এই হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ জাফিরুল ইসলাম।

বীর প্রতীক তারামন বিবি হল

বীর প্রতীক তারামন বিবি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় ১১ নম্বর সেক্টরে কুড়িগ্রাম জেলার শংকর মাধবপুর গ্রামে ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর। এ সময় তিনি সহকর্মীদের কাছ থেকে অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ নিয়ে তাঁদের সাথে অনেক সম্মুখ সমরে অংশগ্রহণ করেন ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। শুধু সম্মুখ যুদ্ধই নয়, নানা কৌশলে ছদ্মবেশ ধারণ করে গুপ্তচর সেজে শত্রুপক্ষের বিপক্ষে কাজ করেছেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর সাহসিকতার জন্য ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করে। সরকারি গেজেট অনুযায়ী তার বীরত্বভূষণ নম্বর ৩৯৪। এক সময় তারামন বিবিকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। স্বাধীনতা অর্জনের ২৪ বছর পরও তার সন্ধান মেলেনি। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর ১৯৯৫ সালে ময়মনসিংহের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক বিমল কান্তি তাঁকে খুঁজে বের করেন। ১৯৯৫ সালের ১ ডিসেম্বর তৎকালীন সরকার এক অনাড়ম্বর পরিবেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তারামন বিবির হাতে বীরত্বের পুরস্কার তুলে দেন। রণাঙ্গনের এই বীর মুক্তিযোদ্ধা দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের সংক্রমন, শ্বাসকষ্ট আর ডায়াবেটিসে ভুগে ১ ডিসেম্বর ২০১৮ সালে বিজয়ের মাসের প্রথম প্রহরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে রাজিবপুর উপজেলার কাচারীপাড়া তালতলা কবরস্থানে সমাধিস্থ করা হয়।

গত ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রি. তারিখে ১০-তলা বিশিষ্ট এ ছাত্রী হলটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন। বর্তমানে এ হলটির নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। আশা করা হচ্ছে, অচীরেই এর নির্মাণকাজ সমাপ্ত হবে। নির্মাণকাজ সমাপ্ত হলে এ হলে নূন্যতম এক হাজার ছাত্রীর আবাসন ব্যবস্থা হবে। নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এই হলে বিদেশি শিক্ষার্থী, এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের জন্য বিশেষ আবাসিক সুবিধাও থাকবে। বর্তমানে এই হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শিরিন নিগার।

কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীসম্পাদনা

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী প্রশাসনিক ভবনের পাশে অবস্থিত । মানব সভ্যতা জ্ঞান ও সাংস্কৃতির ফসল। সভ্যতার লালন-পালন ও বিকাশে প্রাচীনকাল থেকে গ্রন্থাগার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সমাজের সকল ক্ষেত্রে গ্রন্থাগারের গুরুত্ব অপরিসীম। মূলত: উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ প্রতিষ্ঠিত। উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে জ্ঞান বিতরণ ও গবেষণার জন্য ২০০৭ সালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের যাত্রা শুরু হয় যা সংক্ষেপে ‘যবিপ্রবি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার’ নামে পরিচিত। শুরু থেকেই যবিপ্রবি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ব্যবহারকারীকে বই , জার্নাল এবং অনলাইনভিত্তিক ই-বুক, ই- জার্নাল ও অডিও ভিজুয়াল সামগ্রী সেবা প্রদান করে আসছে। মূলত: কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার হলো অত্র প্রতিষ্ঠানের হৃদপি-।

যবিপ্রবি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে একজন গ্রন্থাগারিক, একজন উপ-গ্রন্থাগারিক, দুইজন সহকারী গ্রন্থাগারিক ও দুইজন সেকশন অফিসার কর্মরত আছেন। গ্রন্থাগারে কর্মরত সকল কর্মকর্তাগণ দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী যারা অধিকাংশই অভিজ্ঞ গ্রন্থাগার পেশাজীবী। কর্মকর্তা ছাড়াও গ্রন্থাগারে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নয় জন স্টাফ কর্মরত আছে। এই জনবল দিয়ে গ্রন্থাগারিক মহোদয় সূচারুরূপে গ্রন্থাগারের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

যবিপ্রবি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠার পর থেকে এর সংগ্রহ ক্রমশ: বেড়েই চলেছে। গ্রন্থাগারে পুস্তকের সংগ্রহ সর্বমোট ১৫ হাজার ৩৭২টি। তারমধ্যে ২০১৯ সালে ক্রয়কৃত মুদ্রিত পুস্তকের সংখ্যা ৩৬১টি। প্রিন্ট বইয়ের পাশাপাশি  কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ২০১৩ সাল হতে ইউজিসির সহায়তায় ইউডিএল সদস্য হিসাবে বিশ্বের ১১টি প্রকাশনার ই-রিসোর্স তথা ই-বুক, ই-জার্নাল এ প্রবেশাধিকার পেয়ে থাকে। ইউডিএল এর আওতায় প্রাপ্ত ই-রিসোর্সেস এর সংখ্যা ৩৫ হাজারের অধিক। ইউডিএল এর অন্তর্ভুক্ত খ্যাতনামা প্রকাশনা হল: ACM, IEEE, Cambridge University Press, Oxford University Press, SAGE, Taylor and Francis (T&F), Wiley, Tata McGraw Hill, World Scientific, JSTOR, etc.


ডা. এম আর খান মেডিকেল সেন্টার

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের নিচ তলায় মেডিকেল সেন্টারের কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ১ মার্চ এই সেন্টারের কার্যক্রম প্রশাসনিক ভবন থেকে ছয়তলা বিশিষ্ট মেডিকেল সেন্টারের নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর করা হয়। শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি বিনামূল্যে ঔষধ সামগ্রী প্রদান করা হয়। এর পাশাপাশি ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রীদের ও নিয়োগকৃত শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীগণের স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রত্যয়নপত্র প্রদান করে। এ ছাড়া এই সেন্টারে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং তাঁদের পোষ্যদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

ডা. এম আর খান মেডিকেল সেন্টারের সেবা অফিস চলাকালীন সকাল ৯টা হতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এবং প্রয়োজনে ২৪ ঘণ্টায় জরুরি সেবা প্রদান করা হয়। আর অফিস বন্ধের দিন শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা প্রদান করা হয়ে থাকে। ডা. এম আর খান মেডিকেল সেন্টারে এক্স-রে, ইসিজি, ইউএসজি পরীক্ষা সেবা নিশ্চিতকরনে প্রয়োজনীয় কাজ চলমান রয়েছে।

ছাত্র-ছাত্রীদের বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড কেস হিসাবে যশোর শহরের মধ্যে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস দেওয়া হয়। শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও তাঁদের পোষ্যদের জন্য নির্ধারিত অর্থের বিনিময়ে অ্যাম্বুলেন্স সুবিধা প্রদান করা হয়। একজন প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা, চার জন মেডিকেল অফিসার ও আট জন কর্মচারী কর্মরত আছেন। মেডিকেল সেন্টারের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ডা. দীপক কুমার মন্ডল।

ফ্রি হেল্থ ক্যাম্প

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আগস্ট মাসে সমাজের অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে ২০১৮ সাল থেকে ডা. এম আর খান মেডিকেল সেন্টারের উদ্যোগে দেশের স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন¦য়ে ফ্রি হেলথ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবায় বর্তমান উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন এ উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ফলে এ অঞ্চলের অনগ্রসর জনগোষ্ঠী স্বাস্থ্যসেবা পেয়ে উপকৃত হচ্ছে।

ভবিষ্যত পরিকল্পনা:

  • একটি মডেল ফার্মেসী প্রতিষ্ঠা
  • আধুনিক যন্ত্রপাতি সংবলিত প্যাথলোজিক্যাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা
  • ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল চালু
  • মাইনর অপারেশেনের জন্য অপারেশন থিয়েটার প্রতিষ্ঠা
  • স্বাস্থ্য সচেতনামূলক সেমিনার/সিম্পোজিয়াম আয়োজন করা।

টিএসসি এবং ক্যাফেটেরিয়াসম্পাদনা

এটি যবিপ্রবি ক্যাম্পাসের পূর্ব -পশ্চিম কোণে অবস্থিত একটি দ্বিতল ভবন । ছাত্র -ছাত্রী এবং কর্মকর্তা -কর্মচারী সকলেই এখানে ভোজন করতে পারেন । টিএসসি, ক্যাফেটোরিয়া এবং শহীদ মসিয়ুর রহমান ছাত্র হলের মাঝামাঝি জায়গায় অবস্থিত ৫ তলা বিশিষ্ট ভবন।যার কাজ এখনো নির্মানাধীন।

ডরমেটরিসম্পাদনা

এটি যবিপ্রবি ক্যম্পাসের দক্ষিণ -পূর্ব কোণে অবস্থিত ১০ তলা ভবন । এই ১০ তলা ডরমেটরি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য ।

কেন্দ্রীয় মসজিদসম্পাদনা

এটি যবিপ্রবি ক্যাম্পাসের পশ্চিমে অবস্থিত । প্রতিদিন মুসলিম ছাত্র এবং শিক্ষকেরা এখানে সালাত আদায় করেন ।

অডিটরিয়ামসম্পাদনা

অনুষদ ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে একটি সুন্দর অডিটরিয়াম আছে । বিশেষ অনুষ্ঠান, যেমন: সেমিনার, কনফারেন্স, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা ইত্যাদি এখানে করা হয় । বর্তমানে আলাদা অডিটরিয়াম ভবন করা হচ্ছে । যা প্রশাসনিক ভবন এর পিছনে অবস্থিত ।

উপাচার্যের বাসভবনসম্পাদনা

এই ভবনটি যবিপ্রবি ক্যাম্পাসের পূর্ব -মধ্য পার্শ অবস্থিত। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবন হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

ব্যাংক এবং পোস্ট অফিসসম্পাদনা

প্রশাসনিক ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে অগ্রণী ব্যাংক এর একটি শাখা রয়েছে । যবিপ্রবি ক্যাম্পাসের মূল ফটকের পার্শে ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড(DBBL)এর একটি এটিএম বুথ আছে ,যেখানে ছাত্র -ছাত্রীরা অনলাইন ব্যাংকিং এবং অন্যান্য সুবিধাদি পেয়ে থাকে । প্রশাসনিক ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে যবিপ্রবি শাখার ,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি পোস্ট অফিস রয়েছে ।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "VCs appointed to two technology versities"। The New Nation। ২০০৮-০৯-০৫। ২০১১-০৬-১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৫-০৮ 
  2. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Sattar নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি

https://www.jugantor.com/todays-paper/bangla-face/8563/%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A8-%E0%A7%AD-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF

বহিঃসংযোগসম্পাদনা