ম্যারি ড্র্যাঙ্গা ক্যাম্পবেল

ম্যারি ড্র্যাঙ্গা ক্যাম্পবেল (১৮৬৭- ৮ আগস্ট, ১৯৫৭) ছিলেন একজন আমেরিকান সমাজকর্মী এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও পুনর্বাসনের কাজে সক্রিয় কর্মী। তাঁর প্রকৃত নাম ম্যারি ওগডেন ড্র্যাঙ্গা।

ম্যারি ড্র্যাঙ্গা ক্যাম্পবেল
১৯১৬ সালের একটি প্রকাশনা থেকে মেরি ড্রাঙ্গা ক্যাম্পবেলের প্রতিকৃতি চিত্র
১৯১৬ সালের একটি প্রকাশনা থেকে মেরি ড্রাঙ্গা ক্যাম্পবেলের প্রতিকৃতি চিত্র
জন্ম
ম্যারি ওগডেন ড্র্যাঙ্গা

১৯৬৭
মৃত্যু৮ আগস্ট, ১৯৫৭
রিড্সভিল, পেনসিলভেনিয়া
পেশাসমাজকর্মী

শৈশব ও শিক্ষাজীবনসম্পাদনা

ম্যারি ওগডেন ড্র্যাঙ্গা ক্যালিফোর্নিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি নীলস জি. ও. ড্র্যাঙ্গা এবং ইনজেবার্গ আর্নাস (এমিলি ওগডেন) ড্র্যাঙ্গার কন্যা। তাঁর বাবা-মা ছিলেন নরওয়ের অভিবাসী। তিনি ১৯০০ থেকে ১৯০৩ সাল পর্যন্ত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠাগার প্রশিক্ষণ কোর্স গ্রহণ করেছিলেন, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রন্থাগার বিষয়ক সনদপত্র অর্জন করেছিলেন। পাশাপাশি ১৯০৯ এবং ১৯১০ সালে শিকাগো স্কুল অফ সিভিকস অ্যান্ড ফিলানথ্রোপিতেও এবিষয়ে কোর্স করেছিলেন। [১][২]

তাঁর বোন উইলহেমিনা ড্র্যাঙ্গা ক্যাম্পবেল (১৮৭১-১৯১১) ছিলেন শিল্পকলার একজন শিক্ষক। তিনি অন্ধত্ব ও অন্ধদের নিয়ে কাজ করেছিলেন।[৩][৪] তাঁর অপর বোন, আমেলিয়া ড্র্যাঙ্গা (১৮৬৬-১৯৩৩) একজন চিকিৎসক ছিলেন। [৫] শিল্পী হেলেন টমাস ড্র্যাঙ্গা (১৮৬৬-১৯২৭) ছিলেন তাঁদের ভাবী।

কর্মজীবনসম্পাদনা

১৯০৩ থেকে ১৯০৯ সাল পর্যন্ত মেরি ড্র্যাঙ্গা ক্যাম্পবেল ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে ছয় বছর প্রধান পুস্তক তালিকা প্রস্তুতকারীর দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ইউজেনিক্স রেকর্ড অফিসের শিকাগোকেন্দ্রিক মাঠপ্রতিনিধি ছিলেন এবং বেন-ইসমাইল ট্রাইব তদন্তে সক্রিয় ছিলেন।[২] বিয়ের পরে, তিনি ওহাইও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী স্কুলের সহকারী পরিচারিকা হিসাবে কাজ করেছিলেন। [৬]

পুরস্কারসম্পাদনা

ক্যাম্পবেল তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৫০ সালে আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অফ ওয়ার্কার্স ফর দ্য ব্লাইন্ড থেকে অ্যামব্রোজ এম. শটওয়েল পুরস্কার[৭] ও ১৯৫৫ সালে অ্যামেরিকান ফাউন্ডেশন ফর দ্য ব্লাইন্ড থেকে মাইগেল পদক[১] পেয়েছিলেন। [৮]

ব্যক্তিগত জীবনসম্পাদনা

১৯১২ সালে মেরি ড্র্যাঙ্গা তাঁর বোনের বিপত্নীক স্বামী চার্লস ফ্রান্সিস ফকনার ক্যাম্পবেলকে (১৮৭৬-১৯৩৫) বিয়ে করেছিলেন, তিনি অন্ধদের শিক্ষিকা স্যার ফ্রান্সিস জোসেফ ক্যাম্পবেলের ছেলে।[৯][১০] ১৯৫৭ সালে পেন্সিলভেনিয়ার রিড্সভিলে তাঁর এক ভাগ্নির সাথে থাকাকালে ৯০ বছর বয়সে তিনি মারা গিয়েছিলেন। [১]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "MARY CAMPBELL, AIDE OF BLIND, 81; Ex-Archivist for American Foundation Dead--Active in Units in Many States"The New York Times (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯৫৭-০৮-০৯। আইএসএসএন 0362-4331। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-৩১ 
  2. Latimer, H. Randolph (মার্চ ১৯২৬)। "Executive Director of a Newly Created Council for the Blind in Pennsylvania": 12–14। 
  3. "Mrs. C. F. F. Campbell"The Pittsburgh Press। ১৯১১-১১-২১। পৃষ্ঠা 9। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-৩১ – Newspapers.com-এর মাধ্যমে। 
  4. Wilhelmina Dranga Campbell, 1871-1911 :a memorial.। Columbus, Ohio। ১৯১২। 
  5. "Rites Tonight for Dr. Dranga"Pittsburgh Post-Gazette। ১৯৩৩-০৫-২৯। পৃষ্ঠা 7। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-৩১ – Newspapers.com-এর মাধ্যমে। 
  6. "Masthead"। জানুয়ারি ১৯১৭: xxviii। 
  7. "Previous AER Award Winners"Association for Education and Rehabilitation of the Blind and Visually Impaired। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ৯, ২০১৭ 
  8. "Mary Dranga Campbell"Delta Zeta Museum। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ৯, ২০১৭ 
  9. "Sir Francis Joseph Campbell papers"Library of Congress, Washington, D.C. 20540 USA। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-৩১ 
  10. "Copies of Mary Ogden Dranga photograph album of Hopi pueblos · SOVA"Smithsonian Online Virtual Archives। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-৩১