মোহাম্মদ হোসেন খসরু

ভারতীয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ

ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খসরু (২ এপ্রিল ১৯০৩ - ৬ আগস্ট ১৯৫৯) হলেন ভারতীয় উপমহাদেশের একজন প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ।[১] তিনি কুমার শচীনদেব বর্মণ, হিমাংশু দত্ত, ওস্তাদ সমরেন্দ্র পাল, সন্ধ্যা মুখার্জি, ওস্তাদ আলী আহমদ খান, পান্নালাল ঘোষ, আবদুল আলীম, ফেরদৌসী রহমান, শাহনাজ রহমত উল্লা, সোহরাব হোসেন প্রমুখ প্রতিথ যশা সঙ্গীত শিল্পীর সঙ্গীত শিক্ষক ছিলেন।[২][৩][৪]

ওস্তাদ

মোহাম্মদ হোসেন খসরু
জন্ম২ এপ্রিল ১৯০৩
মৃত্যু৬ আগস্ট ১৯৫৯
জাতীয়তাবাংলাদেশী
পেশাসঙ্গীতজ্ঞ
পরিচিতির কারণউচ্চাঙ্গ সঙ্গীত শিল্পী

জন্ম ও প্রাথমিক জীবনসম্পাদনা

মোহাম্মদ হোসেন খসরু ১৯০৩ সালের ২ এপ্রিল কুমিল্লা শহরস্থ মাতুলালয় দারোগা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন; যদিও তার পৈতৃক নিবাস ছিলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার মঈনপুর গ্রামে।[১][২][৫]

সঙ্গীত জীবনসম্পাদনা

ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ প্রদত্ত ‘দেশমণি’ খেতাব প্রাপ্ত ওস্তাদ খসরু পর্যায়ক্রমে ওস্তাদ জানে আলম চৌধুরী, আমিরুল ইসলাম শকী, ওয়াজির খাঁ, মেহেদী হাসান খান, ওস্তাদ নাছির উদ্দিন খান, ওস্তাদ কালে খাঁ, ওস্তাদ মামিদ খাঁন, ওস্তাদ করিম খাঁ, ওস্তাদ মঈজউদ্দিন খাঁ, ওস্তাদ উজির খাঁ, ওস্তাদ মোহাম্মদ আলী খাঁ, ওস্তাদ জদ্দন বাঈ, ওস্তাদ আল্লাদিয়া খাঁ, ওস্তাদ বাদল খাঁ প্রমুখের নিকট সঙ্গীতের বিভিন্ন ধারায় তালিম নেন।[২]

পুরস্কার ও সম্মননাসম্পাদনা

সঙ্গীত চর্চায় অসাধারণ অবদানের জন্য পাকিস্তান সরকার ১৯৬২ সালে ‘প্রাইড অব পারফরমেন্স’ (মরণোত্তর) এবং বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৮ সালে ‘শিল্পকলা একাডেমী পদক’ (মরণোত্তর) প্রদান করে তাকে।[১]

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. আলি নওয়াজ (জানুয়ারি ২০০৩)। "খসরু, মোহাম্মদ হোসেন"। সিরাজুল ইসলাম[[বাংলাপিডিয়া]]ঢাকা: এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাদেশআইএসবিএন 984-32-0576-6। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৮  ইউআরএল–উইকিসংযোগ দ্বন্দ্ব (সাহায্য)
  2. "ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খসরু"কুমিল্লার কাগজ.কম। ১৫ ডিসেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৮ 
  3. "বিদেশে বাংলা লোকসঙ্গীতের পরিচয় তুলে ধরেন আব্দুল আলীম"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৮ 
  4. "কিংবদন্তি শিল্পী সোহরাব হোসেন"দৈনিক আজাদী। ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭। ২৪ মার্চ ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৮ 
  5. "ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা : ভাষা ও সংস্কৃতি"মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৮ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা