মিরপুর উপজেলা

কুষ্টিয়া জেলার একটি উপজেলা

মিরপুর উপজেলা বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।

মিরপুর
উপজেলা
মিরপুর বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
মিরপুর
মিরপুর
বাংলাদেশে মিরপুর উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৫৫′৫৪″ উত্তর ৮৯°০′১৫″ পূর্ব / ২৩.৯৩১৬৭° উত্তর ৮৯.০০৪১৭° পূর্ব / 23.93167; 89.00417স্থানাঙ্ক: ২৩°৫৫′৫৪″ উত্তর ৮৯°০′১৫″ পূর্ব / ২৩.৯৩১৬৭° উত্তর ৮৯.০০৪১৭° পূর্ব / 23.93167; 89.00417 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগখুলনা বিভাগ
জেলাকুষ্টিয়া জেলা
আয়তন
 • মোট২৯৬.৩১ বর্গকিমি (১১৪.৪১ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা [১]
 • মোট২,৮২,৭৬০
সাক্ষরতার হার
 • মোট৪৫%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৪০ ৫০ ৯৪
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

অবস্থান ও আয়তনসম্পাদনা

মিরপুর উপজেলা (কুষ্টিয়া জেলা) আয়তন: ৩১৭.৩৫ বর্গ কিমি। অবস্থান: ২৩°৪৫´ থেকে ২৪°০০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°৫০´ থেকে ৮৯°০৬´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। এর উত্তরে ভেড়ামারাঈশ্বরদী উপজেলা, দক্ষিণে আলমডাঙ্গাকুষ্টিয়া সদর উপজেলা, পূর্বে কুষ্টিয়া সদর, পশ্চিমে দৌলতপুর (কুষ্টিয়া), গাঙ্গনী ও আলমডাঙ্গা উপজেলা

ইতিহাসসম্পাদনা

প্রশাসনিক এলাকাসম্পাদনা

প্রশাসন মিরপুর থানা গঠিত হয় ১৮৮৫ সালে এবং থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় ১ আগস্ট ১৯৮৩ সালে।

ইউনিয়নসমূহঃ-

জনসংখ্যাসম্পাদনা

২০১১-এর আদমশুমারী অনুসারে, এর জনসংখ্যা ৩,১৫,০০০। এর মধ্যে মুসলিম ২৭৮৭৫৭, হিন্দু ৬২৫২ এবং অন্যান্য ৮০। এ উপজেলায় কোল ও বুনো আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।

নদীসমূহসম্পাদনা

পদ্মা, কুমার নদ, গড়াই নদী এবং সাগরখালী উল্লেখযোগ্য।

স্বাস্থ্যসম্পাদনা

উপজেলাটিতে "৫০শয্যা বিশিষ্ট মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স" রয়েছে।

শিক্ষাসম্পাদনা

শিক্ষার দিক দিয়ে মিরপুর উপজেলা অনেক এগিয়ে।এখানে ২ টি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে আমলা সরকারি কলেজ রয়েছে ও মিরপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়। এছাড়া দেশের অন্যতম প্রাচিন বিদ্যালয় আমলা সদরপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় যা ১৮৯৯ সালে স্থাপিত।এছাড়া অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

কৃষিসম্পাদনা

অর্থনীতিসম্পাদনা

কৃষিকাজ হল এখানকার মানুষের জীবিকা নির্বাহের প্রধান মাধ্যম। তাছাড়া কিছু আঞ্চলে এখুনও পুরানো তাত শিল্পের প্রচলন আছে। নতুন করে এখানে ছোট ও মাঝারি মানের শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে।

যোগাযোগ ব্যবস্থাসম্পাদনা

কৃতী ব্যক্তিত্বসম্পাদনা

  • ড.রাধা বিনোদ পাল: বিখ্যাত আইনবিদ, কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। ২য় মহাযুদ্ধের সময় হেগের আন্তর্জাতিক আদালতের অন্যতম প্রধান বিচারক।
  • মোঃ আফতাব উদ্দিন খান, মুক্তিযুদ্ধের আন্যতম সংগঠক, কুষ্টিয়া জেলার সর্ববৃহত গেরিলা য়ুদ্ধের নেতৃত্ব প্রদানকারী গেরিলা কমান্ডার, এই যুদ্ধে ২৬ নভেম্বর ভোর ৫টায় উভয় পক্ষ পরস্পর মুখোমুখি হয়। ৬ ঘণ্টাব্যাপী তুমুল যুদ্ধের পর পাকবাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়। এ যুদ্ধে ৬০ জন পাক সৈন্য নিহত হয়। ৮ ডিসেম্বর ভোরে ই-৯ এর গ্রুপ কমান্ডার আফতাব উদ্দিন খান ১৭০ জন মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে মিরপুর থানায় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা গান স্যালুটের মাধ্যমে উত্তোলন করেন।
  • কাজী আরেফ - মুক্তিযুদ্ধের আন্যতম সংগঠক।
  • আব্দুর রউফ চৌধুরী - রাজনীতিবিদ
  • প্যারীসুন্দরী দেবী - মিরপুর উপজেলার সদরপুরের অধিবাসী। (জন্ম-১৮০০, মৃত্যু-১৮৭০। নীলকর টমাস আইভান কেনির কৃষকদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে কৃষক আন্দোলন করেন।)
  • বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম-মিরপুর উপজেলার ছাতিয়ান ইউনিয়নের ছাতিয়ান গ্রামের অধিবাসী।
  • মারফত আলী - মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগটক। বিএলএফ প্রধান,জনদরদী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত।
  • কামারুল আরেফিন -রাজনীতিবিদ ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান।
  • ডঃ ইমদাদুল হক খান- নাসা গবেষক।

দর্শনীয় স্থান ও স্থাপনাসম্পাদনা

  • বি এ ডি সি ফার্ম।
  • আমলা মিরপুর কুষ্টিয়া।
  • ভগবান নিবাস - আমলা।

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসুত্রসম্পাদনা

  1. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার (জুন ২০১৪)। "এক নজরে মিরপুর"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি ও বেসিস। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারী, ২০১৫  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]

বহিঃসংযোগসম্পাদনা