মিকি আর্থার

দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার

জন মাইকেল "মিকি" আর্থার (ইংরেজি: John Michael "Mickey" Arthur; জন্ম: ১৭ মে, ১৯৬৮) ট্রান্সভাল প্রদেশের জোহেন্সবার্গে জন্মগ্রহণকারী দক্ষিণ আফ্রিকান প্রথম-শ্রেণীর সাবেক ক্রিকেটার। বর্তমানে কোচের দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৮৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেছেন। ডানহাতি ব্যাটসম্যানরূপে ক্রিকেট খেলায় অংশ নিতেন মিকি আর্থার। ২০০৫ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় ক্রিকেট দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও, ২৩ জুন, ২০১৩ তারিখ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন।[১]

মিকি আর্থার
Mickey Arthur.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামজন মাইকেল আর্থার
জন্ম (1968-05-17) ১৭ মে ১৯৬৮ (বয়স ৫২)
জোহেন্সবার্গ, ট্রান্সভাল, দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
ভূমিকাব্যাটসম্যান, কোচ
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৮৬-২০০১গ্রিকুয়াল্যান্ড ওয়েস্ট
১৯৮৭--১৯৯০ইম্পালাজ
১৯৯০-১৯৯৫অরেঞ্জ ফ্রি স্টেট
১৯৯৩-১৯৯৫দক্ষিণ আফ্রিকা এ
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা এফসি লিস্ট এ
ম্যাচ সংখ্যা ১১০ ১৫০
রানের সংখ্যা ৬৬৫৭ ৩৭৭৪
ব্যাটিং গড় ৩৩.৪৫ ২৬.৭৬
১০০/৫০ ১৩/৩৪ ২/১৯
সর্বোচ্চ রান ১৬৫ ১২৬*
বল করেছে ৩৫৫
উইকেট
বোলিং গড়
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ০/০ ০/২
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৭৪/– ৪১/–
উৎস: ক্রিকেটআর্কাইভ, ৩০ এপ্রিল ২০১৭

প্রারম্ভিক জীবনসম্পাদনা

আর্থার দক্ষিণ আফ্রিকার ট্রান্সভাল প্রদেশের জোহেন্সবার্গে জন্মগ্রহণ করেন। ওয়েস্টভিল বয়েজ হাই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ছিলেন তিনি। ঘরোয়া ক্রিকেটে অরেঞ্জ ফ্রি স্টেট, গ্রিকুয়াল্যান্ড ওয়েস্ট ও দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের পক্ষ হয়ে ৬,৫৫৭ রান করেন। এরপর ২০০১ সালে ক্রিকেট জীবন থেকে অবসর নেন।

কোচসম্পাদনা

২০০৩ সালে ইস্টার্ন কেপ দলের পক্ষে কোচিংয়ের দায়িত্ব নেয়ার পূর্বে গ্রিকোয়াস দলের মাধ্যমে কোচিং জীবন শুরু করেন। শেষ দুই সিরিজে দায়িত্ব নিয়ে দলকে সঠিকভাবে পরিচালনা করে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক প্রো২০ সিরিজে ফাইনালে পৌঁছান। মে, ২০০৫ সালে জাতীয় দলের কোচিংয়ের দায়িত্ব পান যা তাকে ভীষণভাবে আশ্চর্যান্বিত করেছিল। তিনি রে জেনিংসের স্থলাভিষিক্ত হন।

ওয়েস্টার্ন ওয়ারিয়র্স দলের কোচ ছিলেন তিনি।[২] এরপর ২০১৩ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি প্রতিযোগিতা পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু গ্রুপ পর্বেই দলটি বাদ পড়ে যায়। ২০১৩ সালের অ্যাশেজ সিরিজে ভাল ফলাফল আনয়ণের লক্ষ্যে তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়।[৩] তার পরিবর্তে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ব্যাটসম্যান ড্যারেন লেহম্যানকে স্থলাভিষিক্ত করা হয়।[৪] আগস্ট, ২০১৩ সালে আর্থার ক্রিস্ট চার্চ গ্রামার স্কুল এর ডিরেক্টর এবং প্রধান কোচ নিযুক্ত হন। ৬ মে, ২০১৬ তারিখে তাকে তৃতীয়বারের মত পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

আরও দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা