মাহবুবুর রহমান (রাজনীতিবিদ)

বাংলাদেশী আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ

মাহবুবুর রহমান (৫ জানুয়ারি ১৯৪০–২৭ মার্চ ২০২১) বাংলাদেশী আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ যিনি সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী ছিলেন।[১]

মাহবুবুর রহমান
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
৩০ নভেম্বর ১৯৮৬ – ২৭ মার্চ ১৯৮৮
পূর্বসূরীমোমিনউদ্দিন আহমেদ
উত্তরসূরীআনিসুল ইসলাম মাহমুদ
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
৭ জানুয়ারি ১৯৮৪ – ২০ জুন ১৯৮৭
পূর্বসূরীপদ সৃষ্টি
উত্তরসূরীমোঃ নুরুল ইসলাম
নোয়াখালী-৩ আসনের
সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
৩মার্চ ১৯৮৮ – ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০
পূর্বসূরীমাহমুদুর রহমান বেলায়েত
উত্তরসূরীসালাহ উদ্দিন কামরান
কাজের মেয়াদ
১২ জুন ১৯৯৬ – ২৬ অক্টোবর ২০০৬
পূর্বসূরীসালাহ উদ্দিন কামরান
উত্তরসূরীবরকত উল্লাহ বুলু
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম৫ জানুয়ারি ১৯৪০
দৌলতপুর গ্রাম, চাটখিল, নোয়াখালী, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত
(বর্তমান বাংলাদেশ)
মৃত্যু২৭ মার্চ ২০২১
ঢাকা
রাজনৈতিক দলজাতীয় পার্টি (এরশাদ)
অন্যান্য
রাজনৈতিক দল
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
দাম্পত্য সঙ্গীফিরোজা বেগম
সন্তানফারাহ মাহবুব সহ ৫ জন
জীবিকাআইনজীবী ও রাজনীতিবিদ

ব্যক্তিগত জীবন

সম্পাদনা

মাহবুবুর রহমান ৫ জানুয়ারি ১৯৪০ সালে নোয়াখালীর চাটখিলের দৌলতপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ডাঃ ফিরোজা বেগমের সাথে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের পাঁচ ছেলে মেয়ে রয়েছে। ফিরোজা বেগম ২০১৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন।[২] তার মেয়ে ফারাহ মাহবুব বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি।[১]

রাজনৈতিক ও কর্মজীবন

সম্পাদনা

মাহবুবুর রহমান ১৪ ডিসেম্বর ১৯৬২ সালে উচ্চ আদালতের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়ে আইন পেশায় যুক্ত হন।

১৯৮৪ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত এরশাদ সরকারের মন্ত্রী সভায় শিক্ষা, তথ্য, স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায়, পানি সম্পদ, পাট ও ধর্ম সহ নয়টি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির হয়ে নোয়াখালী-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ছিলেন।[৩]

তিনি ১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টি থেকে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ১২ জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম ও ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নোয়াখালী-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ছিলেন।[৪][৫]

২০০৮ সালের তিনি পুনরায় জাতীয় পার্টিতে ফিরে যান।

মৃত্যু

সম্পাদনা

মাহবুবুর রহমান ২৭ মার্চ ২০২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।[১][৬]

তথ্যসূত্র

সম্পাদনা
  1. "সাবেক মন্ত্রী ও আইনজীবী মাহবুবুর রহমান আর নেই"দৈনিক প্রথম আলো। ২৭ মার্চ ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ 
  2. "Obituary"। ১ ডিসেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৩ ডিসেম্বর ২০১৬ 
  3. "৪র্থ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ৮ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল (পিডিএফ) থেকে আর্কাইভ করা। 
  4. "৭ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল (পিডিএফ) থেকে আর্কাইভ করা। 
  5. "৮ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল (পিডিএফ) থেকে আর্কাইভ করা। 
  6. "সাবেক মন্ত্রী মাহবুবুর রহমান আর নেই"দৈনিক যুগান্তর। ২৮ মার্চ ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২১